ষ্টাফ রিপোর্টার:
বিএনপি নেতা শাহ আলমের চারপাশের চাটুকারদের দাপটের কারনে ভিড়তে পারেনা সাধারন নেতাকর্মীরা। বিগত দিনের আস্থাভাজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীরাও এখন চরম অসহায়। ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা কর্মীদের সঠিক মূল্যায়নে যতœবান হওয়ার পরামর্শ তৃণমুলের।
ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি বিশিষ্ট শিল্পপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহ আলম বিএনপির রাজনীতিতে একজন ক্লীন ইমেজের অধিকারী। ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনের পর স্বৈরাচার আওয়ামিলীগ সরকারের দমন-পীড়নের সময় ফতুল্লা থানা বিএনপি ও অংগ সংগঠনের তৃনমুল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের কাছে তিনি ছিলেন যোগ্য অভিভাবক। তৎকালীন সময়ে সরকার বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে প্রকাশ্যে মাঠে না থাকলেও তার রাজনৈতিক কৌশল দিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের রেখেছেন ঐক্যবদ্ধ। স্বৈরাচার শেখ হাসির সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম করতে গিয়ে মামলা, হামলায় জর্জরিত নেতাকর্মীদের দুঃসময়ে পালন করেছেন গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা।
বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আওয়ামীলীগ সরকারের দেয়া রাজনৈতিক মামলার জামিন করানো সহ তাদের নিয়মিত খোঁজ খবর রেখেছিলেন তিনি। স্বৈরাচার সরকারের হিস্রতা তীব্রতর হওয়ায় রাজনীতি থেকে কিছুটা আড়ালে চলে যান এই নেতা, রাজনৈতিক ভাবে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে শাহ আলমের প্রকাশ্যে সমন্বয় না হলেও যোগাযোগ ছিল নিয়মিত। ৫ আগষ্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গনতান্ত্রিক সরকারের আগমনের বার্তায় আবরো সরব ভুমিকায় থাকা বিএনপির নেতাকর্মীরা এখন বেশ উজ্জীবিত।
সারা দেশের ন্যায় নারায়ণগঞ্জ -৪ আসনটি পুনরুদ্ধারেন বিএনপির দৃষ্টি ক্লীন ইমেজের প্রার্থীর দিকে। ক্লীন ইমেজের প্রার্থী হিসেবে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের আস্থার প্রতীক শিল্পপতি আলহাজ্ব মোঃ শাহ আলম।
কেন্দ্রীয় নেতাদের আস্থার প্রতীক হয়ে মনোনয়ন দৌড়ে এগিয়ে থাকা শাহ আলমের সাথে স্থানীয় নেতাকর্মীরা যখন সান্নিধ্য পেতে চায় তখনই একটি চাটুকার বেষ্ঠিত মহল তার চারপাশ ঘিরে রাখে। চাটুকারদের কারনে সাধারণ নেতাকর্মীরা শাহ আলম পর্যন্ত পৌছাতে পারে না। বিএনপি নেতা শাহ আলমের চারপাশে চাটুকাদের দৌরাত্বে কাছে অসহায় হয়ে পরেন সাধারন নেতাকর্মীরা। এরই বাস্তব প্রমান পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামায শেষে ফতুল্লা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের প্রিয় নেতা শাহ আলমকে দীর্ঘদিন পর সামনে পেয়ে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করার জন্য কাছে যাওয়া চেষ্টা করলে, ঐ চাটুকার চক্রটি শাহ আলমের চারপাশে দেয়াল হয়ে দাড়ায়। তখন সাধারণ নেতাকর্মীরা তার কাছে ভিড়তে পারে না। নেতাকর্মীরা প্রিয় নেতার ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করার জন্য সান্নিধ্য না পেয়ে কর্মীদের হতাশ হয়ে ফিরে যেতে দেখা যায়।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের সুত্রে জানা যায় ফতুল্লা থানা বিএনপির স্বঘোষিত সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আলী, এস এম নুর মোহাম্মদ, এড. জাহিদ হাসান রুবেল, মনির হোসেন সহ বেশ কয়েকজন মিলে এই চাটুকার চক্রটির নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। এই চাটুকারদের দৌরাত্বের কারনে বিগত দিনের তার আস্থা ভাজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত ফতুল্লা থানা বিএনপি ও অংগ সংগঠনের অনেক নেতা দূরে সরে গেছেন। আর চাটুকারদের কারনেই এবার ঈদে তার সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে দেখা যায়নি তার বিগত দিনের আস্থাভাজন ত্যাগী পরীক্ষিত বিএনপির নেতাকর্মীদের। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে এখনি তাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে কোনটা তার বেশি প্রয়োজন সু- সময়ের চাটুকার না দুঃসময়ের পরীক্ষিত কর্মী।