ষ্টাফ রিপোর্টার:
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের গ্রীন এন্ড ক্লিন প্রজেক্টের উদ্দ্যোগে ফতুল্লা বাজারে নির্মিত ডাষ্টবিনটি যেন বাজারে অবস্থানরত ব্যবসায়ীদের জন্য বিষফোড়ায় রুপধারন করেছে। ডাষ্টবিনে থাকা ময়লাগুলো প্রতিদিন অপসারন না করার ফলে ময়লার র্দুগন্ধে সকলকে নাভিশ^াস করে তুলেছে।
সরেজমিনে মঙ্গলবার ২১ অক্টোবর দুপুরে গিয়ে ফতুল্লা বাজারে নবনির্মিত ডাষ্টবিনটি ময়লায় পরিপুর্ন। সেখানে রক্ষিত ময়লার গন্ধে মানুষের পেটে থাকা নাড়িভুড়িকেও নাড়িয়ে তুলছে। ডাষ্টবিনের পাশে অবস্থানকারী কয়েকজন দোকানী জানান,জেলা প্রশাসক ও ইউএনও স্যার যে উদ্দ্যোশে এখানে এটি নির্মান করেছেন তা ব্যর্থ করে তুলতে উঠেপড়ে লেগেছে বাজার সমিতির লোকজন। ডাষ্টবিনে ফেলানো ময়লাগুলো প্রতিদিনের ময়লাগুলো প্রতিদিন অপসারনের কথা থাকলেও এখানে যে ময়লাগুলো দেখা যাচ্ছে তা গত ১০দিন আগের। আর ডাষ্টবিনে থাকা ময়লার গন্ধগুলো শুধু আমরা নই পাশে থাকা ইউনিয়ন ভুমি অফিস ও ফতুল্লা মডেল থানা পর্যন্ত পৌছাচ্ছে। বাজার সমিতির দ্বায়িত্বে থাকা নেতারা প্রতিদিন আমাদের কাছ খাজনা আদায় করছে অথচ ডাষ্টবিনে রক্ষিত ময়লাগুলো অপসারনের কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেনা। আর এ ময়লার গন্ধে আমাদের পেটের সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
তারা আরও বলেন,নদীকে দূষনমুক্ত রাখতে এবং চারপাশের পরিবেশ সুন্দর ও আবর্জনা মুক্ত রাখতেই ডিসি ও ইউএনও মহোদয় ভাল উদ্দ্যোগ নিয়েছেন এবং ময়লা ফেরার জন্য এখানে ডাষ্টবিনটি তৈরী করেন। কিন্তু প্রতিদিনের ময়লা প্রতিদিন নয় বরং সপ্তাহ/১০দিন ডাষ্টবিনে ময়লা পড়ে থাকলেও তা অন্যত্র ফেলার কোন বন্ধোবস্ত করতে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছেন বাজার সমিতির নেতৃবৃন্দরা। যার ফলে অনেক ব্যবসায়ীরা আবার বাজারের পিছনের অংশে সিড়ি-ঘাটলার সামনেই ময়লা ফেলতে বাধ্য হচ্ছেন কর্তৃপক্ষের একঘেয়েমী মনোভাবের কারনে।
এ বিষয়ে ফতুল্লা বাজার সমিতির সাধারন সম্পাদক হাজী মো.রহমতউল্লাহ’র মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখানে ডাষ্টবিনে ফেলানো ময়লাগুলো কিভাবে কার মাধ্যমে অপসারন করা হবে তা নির্ধারন কেউ করেনি। তবে আমি আগামীকাল ইউএনও ম্যাডামের সাথে দেখা করবো এবং এটা নিয়ে কি করা যায় তা জানবো। তাছাড়া বাজারের প্রতিটি দোকানীকে বলা হয়েছে ময়লা অপসারনের জন্য টাকা প্রতিটি দোকানীকে দিতে হবে এবং তাতে তারা রাজিও হয়েছেন। আমরা অচিরেই এ সমস্যা সমাধান করে ফেলবো।




