ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের অংশে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। ফলে এবারের ঈদ যাত্রায় যাত্রীরা বেশ স্বস্তিতে যাতায়াত করতে পারছেন।
শনিবার (২৯ মার্চ) বিকেলে মহাসড়কের চিটাগাং রোড, সাইনবোর্ড ও শিমরাইল ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা যায়।
স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে তিশা পরিবহনের বাসের জন্য অপেক্ষা করছেন ইমরান হোসেন। তিনি বলেন, বিকেল সাড়ে ৫ টায় বাসে চড়ে কুমিল্লার উদ্দেশ্যে রওনা দেবো। এবারের ঈদে গ্রামের বাড়িতে সকল আত্মীয় স্বজনদের নিয়ে একসাথে ঈদ উদযাপন করবো। তবে এবার মহাসড়কে কোন যানজট নেই, মহাসড়ক একেবারে ফাঁকা রয়েছে। ফলে এবারের ঈদ যাত্রা বেশ স্বস্তির হবে।
চট্টগ্রামের বাসের জন্য অপেক্ষা করছেন রিশাদ আলী। তিনি বলেন, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ শেষে ঈদের ছুটিতে আজ বাড়ি যাচ্ছি। পরিবারের সকলের সাথে ঈদের আনন্দ উপভোগ করবো। তবে এবারের ঈদে মহাসড়কের যাতায়াতে কোন সমস্যায় পড়তে হয়নি। মহাসড়ক একেবারে ফাকা রয়েছে।
কুমিল্লাগামী তিশা পরিবহনের বাস চালক খলিল মিয়া বলেন, মহাসড়কের এই অংশে কোথাও কোন যানজট দেখিনি। ফলে ফাঁকা সড়কে বেশ দ্রুত গতিতে চালিয়ে আসতে পেরেছি। এতে করে সময়মত বাস গৌন্তব্যে পৌঁছছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মহাসড়কের শিমরাইল মোড় সহ বিভিন্ন স্থানের বাস কাউন্টারগুলোতে যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। শেষ সময়ে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরতে যাত্রীরা বাস কাউন্টারগুলোতে ভিড় করছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপড়তায় বাড়তি ভাড়া আদায় ও মহাসড়কের আশেপাশে জটলা তৈরি করার মত কোন পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।
কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী ওয়াহিদ মোরশেদ বলেন, মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে যানবাহনের সংখ্যাও বাড়ছে। তবে কোথাও কোন যানজটের দেখা মিলেনি।
তিনি আরও বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে মহাসড়কে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বিভিন্ন পয়েন্টে পয়েন্টে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ফলে জটল বা যানজট সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এছাড়া অতিরিক্ত ভাড়া আদায় হওয়ার অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।