নারায়ণগঞ্জ শুক্রবার | ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি
  সর্বশেষঃ
লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরের প্রবেশগেটে নতুন তালা, দুই পক্ষকে চাবি হস্তান্তর
দেশে গোয়েন্দা সংস্থা কি এখনো রাজনৈতিক কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে?
সোনারগাঁয়ে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার-২৬
বিজয়া দশমী/অশ্রুসিক্ত নয়নে নারায়ণগঞ্জে দেবী দুর্গার বিদায়
অতিরিক্ত ডিআইজির ট্রিপ্লেক্স বাড়িতে চলত যত অপকর্ম, লাগত রেজিস্ট্রেশন ফি
অগ্রবাণী প্রতিদিনের প্রকাশক-সম্পাদক স্বপন কুমার পোদ্দার আর নেই
কাশিপুর ভোলাইলে মূর্তিমান আতংক নামধারী যুবদলের ক্যাডার পাগলা সোহেল!
সিদ্ধিরগঞ্জে কথিত বিএনপি নেতার শেল্টারে রমজান বাহিনীর কোটি টাকার মাদক ব্যবসা !!  
সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল হতে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার
লক্ষী নারায়ণ দূর্গা মন্দির নিয়ে বিএসপি নেতা টনি মল্লিকের হুশিয়ারী!
আমতলীতে অসহায় বৃদ্ধার পাশে স্বপ্নছোঁয়া,
সৌদিস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনারের ব্যর্থতার বলি “নজরুল-সিতি”
রাজনৈতিক সরকারের সময়ও মব থামছে না কেন, নেপথ্যে কী?
বিএনপির অন্তর্কোন্দলে ৯ মাসে নিহত ৪০
মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করলেন ইশরাক
কবিরাজির আড়ালে নারীদের ফাঁদ: স্ত্রী ফেলে নতুন নারীকে নিয়ে ফতুল্লায় আস্তানা!
রূপগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা
সোনারগাঁয়ে পানাম নগরী ও জাদুঘর পরিদর্শনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত
দল চায়নি, বিশেষ কারণে পদত্যাগ করতে হচ্ছে: ইশরাক হোসেন
শেরপুরে পূজামণ্ডপ ঘিরে গোয়েন্দা নজরদারিতে সিআইডি
সোনারগাঁয়ে কারবারি-সেবীসহ গ্রেফতার ২১
প্রতিমন্ত্রী ইশরাক, অস্ত্র, মাদক এবং কিছু প্রশ্ন
সাত খুন, সিনহা ও আবরার হত্যা মামলা আপিল বিভাগে দ্রুত শুনানির উদ্যোগ
মিরুর ক্যাডার সাদ্দামের বিরুদ্ধে বৃদ্ধার সম্পত্তি দখলের অভিযোগ
“ভয় নেই, পাশে আছি” নিশ্চিন্তে উৎসব উদযাপন করুন-কর্নেল আরাফাত
লালপুর অর্ণিবান ক্রীড়া সংঘকে সদর উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার ক্যারাম ও টিভি উপহার
সোনারগাঁয়ে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার-২২, ইয়াবা উদ্ধার 
সোনারগাঁয়ে চণ্ডীপাঠ ও মহাষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু
সাংবাদিক হত্যার প্রতিবাদে ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ
সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ২৯
Next
Prev
প্রচ্ছদ
শাস্তি পাওয়া কর্মকর্তাদের ফিরিয়ে আনার সংস্কৃতি কী বার্তা দিচ্ছে?

শাস্তি পাওয়া কর্মকর্তাদের ফিরিয়ে আনার সংস্কৃতি কী বার্তা দিচ্ছে?

প্রকাশিতঃ

বাংলাদেশ সরকার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআরে আন্দোলনে অংশ নেওয়ার পর সাময়িক বরখাস্তসহ বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল এমন ২০ জন কর্মকর্তার শাস্তি মওকুফ করার পর এটি নিয়ে নানা আলোচনা তৈরি হয়েছে।

এর আগে গত পহেলা জুলাই সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত, অপসারিত, অব্যাহতি পাওয়া এবং বরখাস্ত হওয়া ১৫০ জন কর্মকর্তাকে স্বাভাবিক অবসর বা ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দিয়েছিল সরকার।

‘আওয়ামী লীগের সময়ে চাকরিতে বঞ্চনা, অবিচার ও প্রতিহিংসার শিকার হওয়া কর্মকর্তাদে’র আবেদন পর্যালোচনা করে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে তখন প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল।

আবার অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে পুলিশ ও জনপ্রশাসনে বহু বছর আগে স্বাভাবিক কিংবা বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়া কর্মকর্তাদের অনেককে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল।

ওই সরকারে আমলে ২০০৭ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বরখাস্ত হওয়া ৮৫ জন নির্বাচন কর্মকর্তাকে চাকরিতে পুনর্বহাল করেছিল নির্বাচন কমিশন বা ইসি।

এর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়েও এ ধরনের চাকরিতে পুনর্বহালের অনেক ঘটনা ঘটেছে। সেই সরকারের সময়ে আবার বহু কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর, চাকুরিচ্যুত কিংবা নানা শাস্তিমূলক পদক্ষেপের আওতায় নেওয়া হয়েছিল।

এখন আবার একই ঘটনা ঘটায় প্রশ্ন উঠছে যে, শাস্তিমূলক ব্যবস্থা পাওয়া কর্মকর্তাদের রাজনৈতিক বিবেচনায় ফিরিয়ে নেওয়া কী বার্তা দিচ্ছে?

কারণ একই সময় অর্থাৎ অন্তর্বর্তী সরকার ও বর্তমান সরকারের এই কয়েক মাসে অনেক কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত কিংবা বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। অনেক কর্মকর্তা এখনো ওএসডি অবস্থায় আছেন।

জনপ্রশাসন কিংবা আমলাতন্ত্র বিষয়ে অভিজ্ঞরা বলছেন, এসব ঘটনার – যোগ্যতা দক্ষতার চেয়ে সরকারের পছন্দ অপছন্দ বা রাজনৈতিক বিবেচনাই বেশি গুরুত্ব পাওয়ার বিষয়টির বহিপ্রকাশ ঘটছে।

“সব সরকারের সময়েই ঘটনাগুলো ঘটে আসছে। কিন্তু দলীয় ও রাজনৈতিক বিবেচনা করে কাউকে বিদায় করলে সরকার পরিবর্তন হলে তাদের ফিরে আসার পথ তৈরি হয়। আবার রাজনৈতিক বিবেচনায় কাউকে ফিরিয়ে আনলে সেটি রাজনৈতিক দৌরাত্মকেই শক্তিশালী করে,” বিবিসি বাংলাকে বলেছেন সাবেক সচিব আবু আলম মোহাম্মদ শহীদ খান।

জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত সাবেক অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ফিরোজ মিয়া বলছেন, সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া ছাড়া রাজনৈতিক বিবেচনায় বা সরকার পরিবর্তনের পর কাউকে ফিরিয়ে আনা বা পদে বসানো হলে তখন সেটি অনিয়ম। রাজনৈতিক আনুকূল্য পাওয়া ব্যক্তিরাই এসব সুবিধা নেয় বলে মনে করেন তিনি।

এনবিআরের ২০ কর্মকর্তা নিয়ে যা হয়েছে

অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এনবিআরের ২০ কর্মকর্তার শাস্তি মওকুফ করেছেন রাষ্ট্রপতি। এসব কর্মকর্তারা তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া শাস্তির জন্য ক্ষমা চেয়ে আবেদন করেছিলেন।

এনবিআরের এসব কর্মকর্তারা ২০২৫ সালের জুন মাসে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশের বিরুদ্ধে এনবিআরে নজিরবিহীন এক আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন। ওই আন্দোলনের কারণে তখন দেশে রাজস্ব কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছিল।

তখন আন্দোলনের এক পর্যায়ে তাদের বদলি করা হলেও তারা বদলির আদেশ প্রকাশ্যে ছিঁড়ে ফেলেছিলেন। পরে বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর তাদের কাউকে সাময়িক বরখাস্ত আবার কারও বেতন কমিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

এখন রাষ্ট্রপতির আদেশে তাদের শাস্তি বাতিল হলো।

যদিও চলতি বছর এপ্রিলেই সরকারি কর্মচারীদের জবাবদিহিতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা এবং দ্রুত তদন্ত প্রক্রিয়া সংযোজন করে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

এই আইনের মাধ্যমে নতুন একটি ধারা যুক্ত করা হয়েছে, যেখানে জনসেবার কার্যক্রম ব্যাহতকারী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

এটি নতুন কিছু?

দীর্ঘকাল সরকারি চাকরি করেছেন এমন অনেকেই বলছেন, এভাবে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া ও পরের সরকারের সময়ে সেটি বাতিল হয়ে যাওয়ার রেওয়াজ বাংলাদেশে অনেক দিন ধরেই চালু আছে।

চলতি বছরের পহেলা জুলাইয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করে সেনাবাহিনী, নৌ বাহিনী ও বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত, অপসারিত, অব্যাহতি পাওয়া এবং বরখাস্ত হওয়া দেড়শ কর্মকর্তাকে স্বাভাবিক অবসর বা ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দিয়েছে সরকার।

তখন প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সময়কালে চাকরিতে বঞ্চনা, অবিচার ও প্রতিহিংসার শিকার হওয়া কর্মকর্তাদের আবেদন পর্যালোচনা করে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। স্বাভাবিক অবসর, বাধ্যতামূলক অবসর বা ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি পাওয়া ওই কর্মকর্তারা বকেয়া বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধাও পাবেন।

ঢাকা মহানগর (ডিএমপি) পুলিশের সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ওবায়দুর রহমান খানের চাকরি থেকে বরখাস্তের আদেশ ১১ বছর পর এসে গত ৬ই অগাস্ট বাতিল করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। গত ১০ই অগাস্ট এ সম্পর্কিত প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

আবার আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে চাকরিচ্যুত হওয়া, বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়া কিংবা স্বাভাবিক অবসরে যাওয়াদের মধ্যে অনেককেই চাকরিতে ফিরিয়ে এনেছিল অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার।

ওই সরকারের সময়েই ১৮ বছর আগে অর্থাৎ ২০০৭ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বরখাস্ত হওয়া ৮৫ জন নির্বাচন কর্মকর্তাকে চাকরিতে পুনর্বহাল করে নেয় নির্বাচন কমিশন বা ইসি। ২০২৫ সালের ১৮ই অগাস্ট ওই প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল কমিশন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিভিন্ন কারণে চাকরি হারানো ১ হাজার ৫২২ পুলিশ সদস্য চাকরিতে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে। পুলিশ সদর দপ্তর তখন অবশ্য বলেছিল, যাদের বিরুদ্ধে নৈতিক স্খলন, আর্থিক দুর্নীতি ও অন্যান্য অভিযোগে ফৌজদারি মামলা রয়েছে তাদের তারা বিবেচনা করেনি।

আবার একই সময়ে অর্থাৎ অন্তর্বর্তী সরকার ও বিএনপি সরকারের গত কয়েক মাসে পুলিশ ও জনপ্রশাসনসহ বিভিন্ন খাতের অনেক কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো ছাড়াও অনেকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে জেলা প্রশাসকসহ (ডিসি) বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন এমন ৩২ জন যুগ্ম সচিবকে জুলাইয়ের শেষে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। পুলিশ প্রশাসনেও বহু কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার।

আওয়ামী লীগ আমলেও এমন অনেক ঘটনা ঘটেছে। ২০২২ সালের অক্টোবরে তখনকার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মকবুল হোসেনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর ঘটনা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।

তাকে নিয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপনে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এর ধারা ৪৫ অনুযায়ী সরকারি চাকরি হতে অবসরের কথা বলা হয়েছিল।

এ ধারায় বলা হয়েছে ‘কোনো সরকারি কর্মচারীর চাকরির মেয়াদ পঁচিশ বছর পূর্ণ হবার পর যে কোনো সময় সরকার, জনস্বার্থে, প্রয়োজনীয় মনে করলে কোনো রূপ কারণ না দেখিয়ে তাকে চাকরি থেকে অবসর প্রদান করতে পারবে’।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এসব ধারা বরাবরই রাজনৈতিক বিবেচনায় নেওয়া সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

আবু আলম মোহাম্মদ শহীদ খান বলছেন, শাস্তি দেওয়ার মধ্যেই ভুল থাকে কিংবা শাস্তিটা অনেক সময় কারও কারও জিদের ভিত্তিতে হয়ে থাকে।

“কেউ দুর্নীতি, অসদাচরণ কিংবা অন্যায় কাজ করলে প্রসিডিউর ফলো করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। শোকজ, তদন্ত কমিটি, বড় শাস্তির ক্ষেত্রে পিএসসির মতামত নেওয়াসহ সব প্রক্রিয়া শেষ করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিলে তখন আর প্রশ্ন উঠে না,” বলছিলেন তিনি।

তার মতে, ২৫ বছর চাকরি করলে বিদায় দেওয়া যায়-এই বিধানটাই একটা কালাকানুন। এটি ব্যবহার করে দলীয় ও রাজনৈতিক বিবেচনা করে কাউকে বিদায় করলে সরকার পরিবর্তন হলে তাদের ফিরে আসার পথ তৈরি হয় বলে মনে করেন তিনি।

“অন্যায় করলে বিচার হবে কিন্তু অন্যায্য আদেশ হলে প্রশ্ন উঠে। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের এভাবে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়া হতাশ করে, দক্ষতা কমায় এবং সর্বোপরি আমলাতন্ত্রে দলীয় দৌরাত্ম তৈরি করে। পুনর্বিবেচনার পদ্ধতি থাকা ভালো কিন্তু নিশ্চিত করতে হবে সেক্ষেত্রেও যাতে ন্যায়বিচার হয়। নাহলে ক্ষতি হয় রাষ্ট্রের,” বলছিলেন তিনি।

জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞ সাবেক অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ফিরোজ মিয়া বলছেন, বিভাগীয় মামলায় দণ্ড দেওয়া হলে কোন কর্মকর্তা তার বিরুদ্ধে আপিল বা রিভিউ করতে পারে। এতে দণ্ড বহাল থাকলে সেটি চূড়ান্ত হয়ে যায়। এরপর তিনি অ্যাডমিনিস্ট্রিটেভি ট্রাইব্যুনালে যেতে পারেন। সেখান থেকে আপিল বিভাগে যেতে পারেন।

“এ প্রক্রিয়ার বাইরে রাজনৈতিক বিবেচনায় বা সরকার পরিবর্তনের পর কাউকে ফিরিয়ে এনে বসানো হলে তখন সেটি অনিয়ম । এটা কোনো জায়েজ হবে না। এটি হয় রাজনৈতিক বিবেচনায়। রাজনৈতিক আনুকূল্য পাওয়া ব্যক্তিরা এসব সুযোগ পায়। কোনো আইন বা বিধি এটি কাভার করে না। এগুলোর কারণেই রাজনীতিকরণ বন্ধ হয় না। এটি চলতে থাকলে দক্ষ ও নিরপেক্ষ আমলাও তৈরি হবে না,” বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন তিনি।

 

 

এ সম্পর্কিত আরো খবর

সম্পাদক মন্ডলীঃ

মোঃ শহীদুল্লাহ রাসেল

প্রধান নির্বাহীঃ

মোঃ রফিকুল্লাহ রিপন

সতর্কীকরণঃ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি
অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও
প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
সকল স্বত্ব
www.jagonarayanganj24.com
কর্তৃক সংরক্ষিত
Copyright © 2024

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ

বনানী সিনেমা হল মার্কেট
পঞ্চবটী ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ
ফোন নম্বরঃ ০১৯২১৩৮৮৭৯১, ০১৯৭৬৫৪১৩১৮
ইমেইলঃ jagonarayanganj24@gmail.com

Website Design & Developed By
MD Fahim Haque
<Power Coder/>
www.mdfahim.com
Web Solution – Since 2009

error: Content is protected !!