গত ২৯ সেপ্টেম্বর দ্যা নিউজ নারায়ণগঞ্জ ডটকম এ প্রকাশিত “আওয়ামী লীগের শেখ সেলিমের ভাতিজা পরিচয় দিয়ে কোটি টাকা লোপাট” শীর্ষক সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ করা হয় যে, নারায়ণগঞ্জ শহরের শহীদ সাব্বির আলম খন্দকার সড়কের বাসিন্দা মৃত কাশেম মল্লিকের ছেলে রেজাউল মল্লিককে টাকা দিয়ে অনেকেই সর্বস্বান্ত হয়ে গেছে। তিনি বিভিন্ন মানুষজনের কাছ থেকে ব্যবসার কথা বলে লাখ লাখ কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। টাকা চাইতে গেলেই বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকমের হুমকি ধমকি দিয়ে থাকেন। যা আদৌ সত্য নয়।
এক বিবৃতিতে মৃত কাশেম মল্লিকের ছেলে রেজাউল মল্লিক বলেন,গত ২ বছর পুর্বে বিসিক এলাকার অনেক ব্যবসায়ী ৯ শত কোটি টাকার একটি বিশাল আকারে নিট সামগ্রীর কন্টেইনার ফিলিপাইনে পাঠানো হলে তা অদৃশ্য কারনে বাতিল হয়ে গেলে আমিসহ সকল ব্যবসায়ীরা ব্যাপক আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হয়ে পড়ি। এতে করে আমার নিকট পাওনাদাররা তাদের টাকার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। সমস্যা সমাধানের জন্য বিসিকে অবস্থিত আমার ভবনটি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেই। এ সময় মাসদাইর এলাকার বজলুর রহমান এর সাথে কথা হলে সে আমার সহযোগি হিসেবে থাকার কথা বলে ২০ লাখ টাকার একটি চুক্তিনামা হলে সে আমাকে ১২ লক্ষ টাকা দিলে সেটা আমি ব্যাংকের জমা দেই। পরবর্তীতে সে আমার সাথে প্রতারনার আশ্রয় নিয়ে বলে যে, ২০ লাখ টাকার জন্য প্রতিমাসে লভ্যাংশ বাবদ বজলুকে ৪ লক্ষ টাকা হারে দিতে হবে। পরবর্তীতে সে আমার বিরুদ্ধে আদালতে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। এ নিয়ে আদালতে বিজ্ঞ আইনজীবিদের সামনেই সে বলেছে যে, ওর সাথে আমার ২০ লাখ টাকার চুক্তি হলেও মাত্র ১২ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা দিয়ে বাকী ৮ লাখ টাকা ফেরত দিয়েছে। আমি ওর কাছে ১২ লাখ টাকা পাবো।
এ দিকে বিসিকে অবস্থিত আমার ভবনটি বিক্রির জন্য ফকির এপ্যারেলস এর সাথে সকল কথাবার্তা সম্পন্ন হয়েও তা বিক্রিতে বাধা প্রদান করছে বজলুর রহমান সে নিজে ক্রয় করবে অযুহাতে। ফকির এ্যাপারেলস কর্তৃপক্ষ আমাকে তাগাদা দিলেও বজলুর রহমান বিভিন্নভাবে তাদেরকে ভুল বুঝিয়েছে আমার ভবনটি বিক্রিতে বাধা প্রদান করছে।
অথচ বজলুর রহমান নিজে ১২ লাখ টাকা পেলেও প্রকাশিত সংবাদে ৭৪ লাখ টাকা উল্লেখ করিয়েছেন যা সীমাহীন মিথ্যার সামিল। আমি যেহেতু ব্যবসা করেছি তাই আমার কাছে ব্যবসায়ীরা টাকা পেতে পারেন আর তাদের সাথে আমার ব্যবসায়ীক লেনদেন। আর এ কারনে আমি তাদের সাথে নিয়মিতভাবে যোগাযোগ করছি। আমার ভবনটি বিক্রি হয়ে গেলে সকল পাওনাদারের পাওনা টাকা পরিশোধ করতে পারবো। এ জন্য আমি কাউকে কোন প্রকার হুমকী প্রদান করেছি এমন প্রমান দিতে পারলে দেশের প্রচলিত আইন মাথা পেতে নিবো।
রেজাউল মল্লিক আরো বলেন, শেখ সেলিম এর সাথে যে ছবিটি ব্যবহার করে আমাকে তার ভাতিজা বলে উল্লেখ করেছেন তা সত্য নয়। কারন আমি কোন রাজনীতির সাথে জড়িত নই। আমরা সকল ব্যবসায়ীরা মিলে ফিলিপাইনে যে নীট সামগ্রীর কন্টেইনার পাঠানো হয়েছিলো সে সময়ে তা শেখ সেলিমের মাধ্যমেই পাঠাতে হতো। তার সাথে সকল ব্যবসায়ীরা যখন দেখা করতে যান সেটা সেই সময়ে উঠোনো হয়েছিলো। উক্ত ছবিতে শুধু আমি একা ছিলাম অন্যান্য ব্যবসায়ীরাও ছিলেন। ছবি থেকে সকলের ছবি কেটে দিয়ে শুধুমাত্র আমার ছবিটাই উপস্থাপন করা হয়েছে যা আদালতে উপস্থাপন করা হবে এবং আমাকে আওয়ামী দোসর হিসেবে চিহিৃত করে প্রতারনার মামলায় জয়লাভের জন্য।
আমি উক্ত মিথ্যা বানোয়াট ও বিভ্রান্তির প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।




