আসামী ধরে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ
জাগো নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলার কৃষ্ণপুরা গ্রামে পূর্ব শত্রুুতার জের ধরে সন্ত্রাসী লিটন বাহিনী কর্তৃক জেসমিন আক্তারকে মারধর করে রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ একজন আসামীকে ধরেও এসআই জাহাঙ্গীর আলম মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে জেসমিন আক্তারের স্বামী আব্দুর রহিম বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন,
আমি আঃ রহিম (৩৬), পিতা-মৃত হাসেম হাওলাদার, সাং কৃষ্ণপুরা। জবেদ আলী হসপিটাল এর পিছনে), পোঃ আড়াইহাজার, পৌরঃ আড়াইহাজার, থান্য আড়াইহাজার, বিবাদী ১. লিটন পিতা-মৃত আলাউদ্দিন, ২। মোসাঃ আফিয়া বেগম স্বামী লিটন, উভয় সাং- কৃষ্ণপুরা (জবেদ আলী হসপিটাল এর পিছনে), পোঃ আড়াইহাজার, পৌরঃ আড়াইহাজার, থানা-আড়াইহাজার, জেলা- নারায়ণগঞ্জ সহ অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন বিবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করিতেছি যে, বিবাদীরা উচ্ছৃঙ্খল ও খারাপ প্রকৃতির লোক। বিবাদীরা আমার প্রতিবেশী। খুটিনাটি বিষয়কে কেন্দ্র করিয়া বিবাদীরা দীর্ঘদিন যাবৎ আমার ও আমার পরিবারের লোকজনদের সহিত শত্রুতাপূর্ণ মনোভাব পোষণ করিয়া আসিতেছে। বিবাদীরা প্রায় সময় আমাদের সহিত অকারণে ঝগড়া বিবাদে লিপ্ত হইয়া মারপিট ও খুন জখমের ভয়ভীতি প্রদর্শণ করিতো।
পূর্ব বিবোধ’কে কেন্দ্র করিয়া ১৫/০৮/২০২৫ খ্রিঃ, তারিখ সকাল আনুমানিক ০৯:৩০ ঘটিকার সময় উপরোক্ত সকল বিবাদীরা বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র-সন্ত্র দ্বারা সজ্জিত হইয়া, পরিকল্পিতভাবে, একই উদ্দেশ্য সাধণকল্পে, আমাদের বসতবাড়ীতে প্রবেশ করতঃ আমার ও আমার পরিবারের সদস্যদের নাম ধরিয়া অকথ্য ভাষায় গালমন্দ সহ উচ্চবাচ্য করিতে থাকে। তৎসময় আমি বাড়ীতে না থাকায় আমার স্ত্রী জেসমিন বেগম (৩৪) ঘর হইতে বাহির হইয়া, বিবাদীদের গালমন্দের কারণ জিজ্ঞাসাবাদ করিলে, বিবাদীরা আমার স্ত্রী’কে এলোপাথাড়িভাবে মারপিট করিয়া শরীরের বিভিন্নস্থানে নীলাফুলা, বেদনাদায়ক ও রক্তজমাট জখম করে।
০১নং বিবাদী আমার স্ত্রীর পরিহিত কাপড় চোপড় টানা-হেচড়া করতঃ শ্রীলতাহানি ঘটায়। ০২নং বিবাদীর হাতে থাকা ধারালো দা দ্বারা হত্যার উদ্দেশ্যে আমার স্ত্রীর মাথার পিছন অংশের মাঝখানে স্বজোড়ে আঘাত করিলে, উক্ত আঘাত লাগিয়া আমার স্ত্রীর মাথায় গুরুতর কাটা রক্তজমাট জখম হয়। তৎসময় আমার স্ত্রী ডাক-চিৎকার করিতে থাকিলে আশে-পাশের লোকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হইয়া, বিবাদীদের বাধা-নিষেধ করিলে, সকল বিবাদীরা উপস্থিত লোকজনদের সম্মুখে একযোগে এই মর্মে হুমকি প্রদান করে যে, পরবর্তীতে আমার স্ত্রী’কে সহ আমার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সময় সুযোগমত পাইলে খুন জখম করিয়া লাশ গুম করিয়া ফেলিবে বলিয়া ঘটনাস্থল হইতে চলিয়া যায়। বিবাদীদের কর্তৃক জখমপ্রাপ্ত হইয়া আমার স্ত্রী আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, নারায়গঞ্জ চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করি।
উপরোক্ত বিষয়টি তদন্ত পূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করতে অফিসার ইনচার্জের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ ব্যাপারে জানতে আড়াইহাজার থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার নাসিরউদ্দিন এর মুঠোফোনে কল করা হলেও তিনি ফোন কল রিসিভ করেননি।




