ষ্টাফ রিপোর্টার:
এককালে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। মিছিল মিটিংয়ে থাকতেন অগ্রভাবে। করেছেন আওয়ামী লীগ কে আর্থিক ভাবে সহযোগিতা। নিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের সদস্য পদও। সেই আওয়ামী লীগ দোসর দিদার এখন টাকার বিনিময়ে বনে গেছেন বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ।
এ নিয়ে শুরু হয়েছে বক্তাবলী জুড়ে তব্র্র সমালোচনা।
একটি সুত্র হতে জানা যায়, বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম প্রধান নিজ স্বার্থ সিদ্ধি উদ্ধার করতে স্বর্ন ব্যবসায়ী দিদার কে কয়েক বছর আগে কাছে টেনে নেন। সেই সময় যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক করতে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন দিদারের কাছ থেকে। এছাড়াও মিছিল মিটিংয়ের বেশীর ভাগ খরচ দিদারকে দিয়ে করাতেন। সেই সময়ে দিদার বিএনপির মিটিংয়ে প্রায় ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার মত খরচ করেন এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সুচতুর নজরুল ইসলাম প্রধান, দিদার হোসেনকে বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ দেন বিনিময় ভাগিয়ে নেন মোটা অংকের টাকা। এটা অস্বীকার করেছেন দিদার হোসেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতা কর্মীদের দাবি, নজরুল ইসলাম প্রধান ও মতিউর রহমান ফকির নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি উদ্ধারে এই কমিটিতে আওয়ামী দোসর,মাদক ব্যবসায়ী, স্বর্ণ চোরাকারবারি, সন্ত্রাসী, মাদকাসক্ত সহ বিভিন্ন অপরাধীদের স্থান দিয়েছেন।
এ নিয়ে বক্তব্য ইউনিয়ন বিএনপির নেতা কর্মীদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।
অবিলম্বে রাতের আঁধারে টাকার বিনিময়ে গঠিত কমিটি ভেঙ্গে দিতে থানা ও জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপ কামনা করেন নেতাকর্মীরা।
এ ব্যাপারে দিদার হোসেন মুঠোফোনে বলেন,কমিটির পদ আনতে কখনো কাউকে একটাকাও দেইনি। তবে মিছিল মিটিংয়ে আমার ওয়ার্ড থেকে ৫/৬ জন লোক নিয়ে গেলে সে খরচ আমাকে দিতে হয়েছে।
সম্পাদক!




