ষ্টাফ রিপোর্টার:
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়নের রাধানগর গ্রামের ৭ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ আসাদুল্লাহ শেখ এখন বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক বনে গেছেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতা কর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নজরুল ইসলাম প্রধান উক্ত আওয়ামী লীগের দোসরদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে আসাদুল্লাহ শেখকে ইউনিয়ন বিএনপি’র বড় পদে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
অথচ গত ১৭ বছর মোঃ আসাদুল্লাহ শেখ আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের সাথে একতাবদ্ধ হয়ে বিএনপি নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, হামলা, মারধর ভাংচুর চালিয়ে হয়রানি করেছে।
এমনকি বিএনপি কেউ এলাকায় অবস্থান করলে আসাদুল্লাহ শেখ সেই সকল বিএনপি নেতাদের নামে থানায় লিস্ট পাঠিয়ে দিতো ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ বাবুল মিয়ার মাধ্যমে।
আসাদুল্লাহ শেখ মুসলিম নগর এলাকার আওয়ামী লীগ নেতা বিল্লাল হোসেনের মামা হন। আওয়ামী লীগের দোসর শেখ আসাদুল্লাহর কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে পদ দেয়ায় সচেতন-বিএনপি নেতা কর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
আসাদুল্লাহ শেখ গত ১৭ বছর বাবুল মিয়ার নেতৃত্বে এলাকায় নানান অপকর্ম করে জনগনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছিল। এখন বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হওয়ায় অপরাধের মাত্রা আরো বাড়বে বলে আশংকা করেন এলাকাবাসী।
তারা অবিলম্বে অর্থের বিনিময়ে গঠিত বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপি’র অবৈধ আহবায়ক কমিটিকে বাতিল করার জন্য ফতুল্লা থানা বিএনপি ও জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
নইলে আওয়ামী লীগেরদের যারা অর্থের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত করছে সেইসব অর্থ লোভী বিএনপি নেতাদের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের গনপিটুনী দিতে পিছপা হবে না।




