ষ্টাফ রিপোর্টার:
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো.হাবিবুর রহমান কর্মস্থলে যোগদানের পর থেকেই নারায়ণগঞ্জকে মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধমুক্ত করতে বিরতিহীনভাবেই কাজ করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে নারায়ণগঞ্জকে মাদকমুক্ত করতে তার নিরলস পরিশ্রম সাধারন মানুষের মাঝে ব্যাপক সাড়া পেয়েছে। প্রতিদিনই জেলার প্রতিটি থানাধীন প্রতিটি পাড়া-মহল্লাগুলোতে মাদক বিরোধী অভিযান মাদক বিক্রেতাদের আরামের ঘুমকে হারাম করে তুলেছে। আর গ্রেফতারও হচ্ছেন শতাধিকের উপরে মাদক বিক্রেতা ও সেবনকারী।
তবে জেলা পুলিশের এমন মহৎ কাজকে আরো বেগবান করে তুলতে গ্রেফতার করতে হবে মাদক সম্রাটদের এমনটাই অভিমত স্থানীয়দের। বিশেষ করে ফতুল্লার পাইলট স্কুল,রেললাইন ও দাপা এবং সাহারা সিটি মাঠ এলাকার মাদক বিক্রেতারা এখনও নির্বিগ্নে দিব্ব্যি মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। যাদের মধ্যে অন্যতম টুটুল,টুটুলের মামা লিটন ওরফে টিকি মরা লিটন ও রকি এবং ডাকাত শহিদের মেয়ে শরমী।।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায় যে, ফতুল্লা পাইলট স্কুল সংলগ্ন এলাকার অন্যতম চিহিৃত ও শীর্ষ মাদক সম্রাটের তালিকায় রয়েছে টুটুল। স্কুলের পাশেই ডেকোরেটরের দোকানের অন্তরালে চিহিৃত এ মাদক সম্রাট টুটুলের মাদকের আগ্রাসন রেলষ্টেশন,দাপা আদর্শ স্কুলে ও ইদ্রাকপুরে পুরো নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করেই পাইকারী ভাবে মাদক ব্যবসা করছে টুটুল। টুটুলের সহযোগি রকি এবং টুটুলের মামা লিটন ও টিকি মরা লিটন তাদের নিজস্ব লোক দিয়ে উক্ত এলাকাগুলো মাদক সাপ্লাই দিয়ে যাচ্ছে। অপরদিকে ফতুল্লার সাহারা সিটি মাঠ এলাকাটি যেন ডাকাত শহিদ পরিবারের সদস্য মেয়ে শরমী, মেয়ের জামাতা এবং ছেলে ডাকাত আজমীর সকলেই মাদকের মাঠ হিসেবে রুপ ধারন করে তুলেছে। আর এ মাদক বিক্রির টাকায় গত ১ বছরের ব্যবধানে মাদক সম্রাজ্ঞী শরমী ও তার পরিবারের সদস্যরা সাহারা সিটি মাঠের পাশেই প্রায় ৩টি বাড়ির মালিক বনে গেছেন বলে জানান স্থানীয়রা। পাশাপাশি দীর্ঘদিন যাবত মাদক ব্যবসায় সর্ম্পৃক্ত অপর মাদক সম্রাট টুটুল যেন কয়েক কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন।
স্থানীয়রা জানান,টুটুলের আপন খালাতো ভাই থানা বিএনপির একজন নেতা। তার ক্ষমতাকেই নাকি অপব্যবহার করে টুটুল,রকি ও টিকি মরা লিটন দীর্ঘদিন যাবত এ মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। আর আত্মীয়ের প্রভাবে সর্বদা থাকে পুলিশী ঝামেলামুক্ত।
তারা আরও জানান,টুটুলের সহযোগি রকি পুর্বে কয়েক বছর যাবত বিদেশে অবস্থান থেকে এলাকাতে আসেন এবং বেশ কয়েকমাস জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতার পক্ষে থেকে রাজনীতিও করেন। উক্ত নেতা যখন জানতে পারে যে,রকি মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েছে তখন সে রকিকে তার কাছ থেকে দুরে সরিয়ে দেয়। এরপর থেকে রকি টুটুলের সাথে থেকেই টুটুলের মাদক সাম্রাজ্যে যোগদান করে এখন অন্যতম মাদক ব্যবসায়ীর খেুাবটি অর্জন করে নেয়।
ফতুল্লা পাইলট স্কুল, রেলষ্টেশন,দাপা আদর্শ স্কুলে ও ইদ্রাকপুর ও সাহারা সিটি মাঠ এলাকার সাধারন মানুষ জেলা পুলিশের মাদক বিরোধী এ অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন,পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযান সত্যিই প্রশংসনীয়। তবে বিগত দিনের অভিযানে মুষ্টিমেয় কিছু মাদক বিক্রেতাকে গ্রেফতার করলেও বেশীরভাগ গ্রেফতার হয়েছেন সেবনকারীরা। তাদের দাবী,সেবনকারী নয়,টুটুল-রকি-টিকি মরা লিটন ও শরমীগংদের মত মাদকের গডফাদারদের গ্রেফতার করতে পারলে অত্র অঞ্চলে হয়তবা মাদক ভয়াবহতা থেকে রক্ষা পেতে পারে বিভিন্ন বয়সী মানুষ।
তাই তারা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মো.হাবিবুর রহমান ও ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো.মাহবুব আলম মহোদয়ের কাছে দাবী জানান যে,অতিদ্রুত ফতুল্লা পাইলট স্কুল, রেলষ্টেশন,দাপা আদর্শ স্কুলে ও ইদ্রাকপুরের অন্যতম মাদকের মুলহোতা টুটুল-রকি-টিকি মরা লিটন-শরমীগংদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নেয়া হোক।




