ফতুল্লায় পাভেল (৩৯) নামের এক যুবককে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৩১ মার্চ) ভোরে ফতুল্লার পঞ্চবটি- মুক্তারপুর রোডের কাশিপুর এলাকার লায়ন চক্ষু হাসপাতালের পাশে এ ঘটনা ঘটে। পরে ঢামেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
নিহত পাভেল নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার কাশিমপুর মধ্যপাড়ার হাসমত উল্লাহর ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, গত ৩০ মার্চ সন্ধ্যায় ইফতারের পর নিহত পাভেল (৩৯) মাথার চুল কাটার কথা বাসা বলে বের হন। পরে রাত ১০ টার দিকে পাভেলের বড় ভাই রুবেলের মোবাইলে একটি ফোন আসে। কিন্তু কেউ কথা বলে না কলটি কেটে দেয়। পরদিন ভোর ৬ টার দিকে ভিকটিমের খালাতো ভাই মো. রিফাত ফজরের নামাজ পড়ার জন্য মসজিদে যাওয়ার সময় ভিকটিমকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখতে পান।
পরে খবর পেয়ে ভিকটিমের বড় ভাই মো. মাসুমসহ এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জের ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে হাসপাতালের চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে ঢামেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুর ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের বড় ভাই মাসুম বলেন, ‘আমার ভাই পাভেল এবং পাশের বাড়ির বাবু ওরফে কবুতর বাবুর সঙ্গে গতরাতে একটি কবুতর নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়।
এ ঘটনার জেরে কবুতর বাবু আমার ছোট ভাইয়ের বুকে পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করে পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে আমার ভাইকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আজ সকালের দিকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে আসি। পরবর্তীতে দুপুরের দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমার ভাই মারা যায়। আমি জড়িতদের সুষ্ঠু বিচারের দাবি করছি।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ফতুল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘কি কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে তা এখনো জানা সম্ভব হয় নি। তবে তারা পূর্বপরিচিত। আমি বর্তমানে ঘটনাস্থলে রয়েছি। বিস্তারিত পরে বলা সম্ভব হবে।’