ফতুল্লায় পুর্ব শত্রুতার জেরধরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও লোহার রডদিয়ে পিটিয়ে জামান নামে এক যুবককে গুরুতর রক্তাক্ত জখম ও হাত ভেঙ্গে দিয়েছে সন্ত্রাসীরা।
গত ২৫ মার্চ মঙ্গলবার রাতে ফতুল্লা ওয়াপদারপুল এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় গুরুতর আহত জামানের মা রওসানা বেগম বাদি হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগে তিনি অল্লেখ করেন, গত ২৫ মার্চ মঙ্গলবার রাতে ফতুল্লা ওয়াপদারপুল এলাকায় আমার ছেলে জামান জরুরী কাজে অবস্থান করছিলো এ সময়
বিবাদী আব্রাহাম পাপ্পু, মোঃ রাসেল, পিতা মৃত ভুট্রো, ইয়াসিন, পিতা – জনি, সজিব, পিতা- সুমন, সর্ব সাং কায়েমপুর ফকিরা গার্মেন্টস সংলগ্ন সহ অজ্ঞাতনামা আরো ৮/১০ জন পুর্ব শত্রুতার জেরধরে আমার ছেলে জামনের গতিরোধ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে, কিলগুষি ও লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন অংশে নীলাফলা, জখম করে, এক পর্যায়ে ২ নং বিবাদী রাসেলের হাতে থাকা ধারালো চাপাতি দিয়ে জামানের মাথার ডানপাশের অংশে আঘাত করে গুরুতর কাটা রক্তাক্ত জখম করে। ৩ নং বিবাদী ইয়ামিনের হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে আঘাত করে ডান হাতের কনুইয়ের নিচে ভাঙ্গা জখম করে। জামানের ডাক চিৎকারে আমার ২ ছেলের স্ত্রী হামিদা ও সানি এগিয়ে এসে বিবাদীদের বাঁধা দিলে তাদের কেও মারধর করে শরীরের বিভিন্ন অংশে নীলাফুলা জখম করে তাদের প্রাণনাশের হুমকি বিবাদীরা চলে যায়। পরে আমার পরিবারের সদস্যরা জামানকে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় খানপুর ৩শ শয্যা হাসপতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক আমার ছেলে জামানের মাথার ডানপাশে ৫ টি সেলাই করে এবং ডান হাতে এক্স রে করে ভাঙ্গা দেখতে পেয়ে প্লাষ্টার করে। বর্তমানে আমার ছেলে জামান আশংকা জনক �