ষ্টাফ রিপোর্টার:
নারাডয়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ জাফর সাদিক চৌধুরীর একঘেয়েমীর কারণে বক্তাবলী ইউনিয়নে রাজপুর খেয়াঘাট নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।।
ঘাটের বৈধ ইজারাদার হাসান আলী জানান, আদালতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাফর সাদিক চৌধুরী পুনরায় রিটেন্ডার আহ্বান করেন।
উক্ত টেন্ডারে শরীফ হোসেন মানিক টেন্ডার পান। কিন্তু এর আগে হাইকোর্ট থেকে বৈধ ইজারাদার হাসান আলীর পক্ষে দুই মাসের জন্য রায় প্রদান করেন কিন্তু সে রায় অমান্য করে ইউএনও জাফর সাদিক চৌধুরী একঘেয়েমী করতে থাকেন এবং শরীফ হোসেন মানিককে ঘাট বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য ম্যাজিস্ট্রেট পাঠান কিন্তু এলাকাবাসী এতে উত্তেজিত হয়ে ওঠেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী জানান, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাফর সাদিক চৌধুরী আদালতের নির্দেশ অমান্য করে শরিফ হোসেন মানিককে ঘাট বুঝিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চালান।
ঘাটের ইজারা বুঝিয়ে দেয়ার জন্য বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) বিকাল ৩ টায় একজন মহিলা ম্যাজিষ্ট্রেট বক্তাবলী ফেরীঘাটে পাঠান। এ খবর এলাকাবাসীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসী তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
এ সময় একপক্ষের লোক পশ্চিম পাশ্বে অপর পক্ষের লোক পূর্ব পাশ্বে অবস্থান নেওয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
অবস্থা বেগতিক দেখে ম্যাজিষ্ট্রেট নদীর পশ্চিম পাশ্বে না গিয়ে পূর্বপাশ্বে কিছুক্ষণ অবস্থান করে চলে আসেন।
বৈধ ইজারাদার হাসান আলী বলেন,আমি নিয়ম মোতাবেক সরকারী কোষাগারে ইজারার টাকা,আয়করের টাকা জমা দেই। ঘাট পরিচালনার জন্য ৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করে দেই। ইউএনও জাফর সাদিক চৌধুরী আমার নিকট ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করেন। আমি তা দিতে রাজি না হওয়ায় পূনরায় অবৈধ পন্থায় রিটেন্ডার করেন। হাইকোর্ট হতে ২ মাসের স্থগিতাদেশ লাভ করি।
তাতে তিনি কর্নপাত করেননি। বরং দুটি পক্ষ সৃষ্টি করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পথ তৈরি করে দেন।এতে কোন ধরনের অঘটন ঘটলে এর পুরো দায়ভার ইউএনওকে নিতে হবে।
এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাফর সাদিক চৌধুরীর ব্যবহৃত মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমাদের ম্যাজিষ্ট্রট পুলিশী উপস্থিতির মাধ্যমে যিনি ঘাটের ইজারা পেয়েছেন তাকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। কিন্তু পুর্বের ইজারাদার তো সেটা হতে দিচ্ছেনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,দেখুন আইনকে সম্মান করতে হবে কিন্তু গায়ের জোড়ে তো সব কিছু করা যায়না। তিনি আরও বলেন,মহামান্য আদালতের কাগজটি হাতে পেয়েছি। কিন্তু কিছু করার নেই। কারন নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তীতে রিটেন্ডার দেয়া হয়েছে। যদি এ বিষয়ে কোন জবাব দিতে হয় তাহলে মহামান্য আদালতে আমরা উপস্থাপন করতো। কারন হাসান আলী সাহেবের অডিও ভয়েসটি আমাদের কাছে রয়েছে।




