জাগো নারায়ণগঞ্জ:
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়নের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম প্রধান, মতিউর রহমান ফকির, হালিম আজাদ ও রাসেল প্রধান। এরা সকলেই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের রাজনীতির সাথে জড়িত।
যে কোন পদ তাদের লাগবেই।হোক রাজনৈতিক বা সামাজিক সংগঠনের। একাধিক রাজনৈতিক পদ তো দখল করে আছেন বর্তমানে পাশাপাশি সামাজিক সংগঠনের পদ ও নিজেদের কব্জায় নিয়ে রেখেছেন। যা চারদিকে চলছে তীব্র সমালোচনা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী ও বিএনপির নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন,নজরুল ইসলাম প্রধান ১২ বছর বিদেশে থেকে দেশে ফিরে এসে তার নেতা শহিদুল ইসলাম টিটু কে মোটা অংকের টাকা দিয়ে বক্তাবলী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি পদ বাগিয়ে নেন। যা এখনো বহাল রয়েছে। এছাড়াও ফতুল্লা থানা বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক পদেও বহাল রয়েছেন। সম্প্রতি শহিদুল ইসলাম টিটু ও এডভোকেট বারী ভূইয়াকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি পদ দখল করে নেন।
আরেক নেতা মতিউর রহমান ফকির নিজেকে ক্লিন ম্যান হিসেবে দাবি করলেও পদ নিতে পিছপা হননি। তিনি ফতুল্লা থানা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদকের, ফতুল্লা থানা স্বেচ্ছাসেবল দলের যুগ্ম আহবায়ক এর পদ দখলের পাশাপাশি সামাজিক সংগঠন বক্তাবলী ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের দীর্ঘমেয়াদি সাধারন সম্পাদক পদ আকঁড়িয়ে রেখেছেন।
অপর দিকে হালিম আজাদ ফতুল্লা থানা যুবদলের সদস্য , বক্তাবলী ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সহ বর্তমানে বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক পদ দখল করে নিয়েছেন। অপর নেতা রাসেল প্রধান যিনি ফতুল্লা থানা মৎস্যজীবি দলের সাবেক সভাপতি,বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সহ সামাজিক সংগঠনের একাধিক পদ দখলে রেখেছেন।
উপরে উল্লেখিত নেতাদের পদ নেয়া যেন নেশায় পরিনত হয়েছে। অথচ এসব নেতারা শতাধিক লোক একত্রে করতে গেলে ঘামে কাপড় ভিজে একাকার হয়ে যাবে।
ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু ও সাধারণ সম্পাদক এড বারী ভূইয়ার অপরিপক্কতায় সিনিয়রদের বাদ দিয়ে জুনিয়রদের দিয়ে কমিটি দেওয়ায় তীব্র সমালোচনা করছে রাজপথে সক্রিয় নেতা কর্মীরা।
ইতিমধ্যেই এই কমিটিকে অবৈধ ও অসাংবিধানিক বলে অভিহিত করেছেন বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির বৈধ বলে দাবীদার বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক সুমন আকবর ও সদস্য সচিব হাসান আলী।
নজরুল ইসলাম পপ্রান,মতিউর রহমান ফকির, হালিম আজাদ ও রাসেল প্রধানের মতো পদলোভী নেতারা কতটুকু সফল হবে তা সময় হলে বোঝা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির নেতারা বলেন, মিলন মেহেদী টু পাইস কামানো মানুষ। যেখানে যাবে ধান্ধার জন্য যাবে। নইলে কেন জুনিয়রদের সভায় গিয়ে বক্তব্য রাখবে।
এর আগে রশিদ মেম্বারকে চেয়ারম্যান বানানোর কথা বলে মিলন মেহেদী এক লক্ষ টাকা নেন। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে চারদিকে সমালোচনার সৃষ্টি হয়। আবার আওয়ামী লীগের আকিলউদ্দিন কে চেয়ারম্যান বানানোর কথা বলে সুবিধা নিয়ে চরমভাবে ব্যর্থ হন।
তাদের ভাবসাব দেখে মনে হয় এরাই শুধু নেতা
নজরুল,মতিউর,হালিম,রাসেল প্রধান ছাড়া আর কোন নেতা বক্তাবলীতে নেই। তাদের একাধিক পদ দিতে হবে। নতুনরা এসকল পদ লোভীদের কারনে বঞ্চিত হতে হয়। এরা মুখ ফিরিয়ে নেওয়ায় দল ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে সবচেয়ে বেশী।




