ষ্টাফ রিপোর্টার:
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলীতে নাইমকে অপহরন করেছে আরাফাত বাহিনী। হত্যার উদ্দেশ্য অপহরণ করা হয়েছিল নাইমকে। অপহরণের সংবাদ বক্তাবলীতে ছড়িয়ে পড়লে অপহরনকারীরা নাইমকে ছেড়ে দেয়।
মোঃ নাইম (১৮), পিতা: আকতার হোসেন, সাং-কানাইনগর, বক্তাবলী, থানা: ফতুল্লা, জেলা: নারায়ণগঞ্জ বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
তাতে উল্লেখ করেন, বিবাদী- ১। আরাফাত (২০), পিতা: অজ্ঞাত, ২। আরফিন (২১), পিতা: অজ্ঞাত, ৩। শাহাদাত (১৯), পিতা: অজ্ঞাত, ৪। আশরাফুল (২০), পিতা: অজ্ঞাত, সর্ব সাং- গোপালনগর, ৫। কসাই সাইদ (২৩), পিতা: অজ্ঞাত, সাং- মধ্যনগর, ৬। কাইয়ুম (১৯), পিতা: অজ্ঞাত, ৭। হৃদয় (২০), পিতাঃ অজ্ঞাত, সাং- রাধানগর, সর্ব থানা: ফতুল্লা, জেলা: নারায়ণগঞ্জ সহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করিতেছি যে, অদ্য ইং ৩১/১০/২০২৫ তারিখ রাত অনুমান ০৮:৩০ ঘটিকার সময় আমি আমার কর্মস্থল হইতে আমার বাসায় ফেরার পথিমধ্যে কানাইনগর সাকিনস্থ আমার বাড়ির সামনে রাস্তার উপর পৌঁছাইলে উল্লেখিত বিবাদীগণ সহ আরো অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন পূর্ব পরিকল্পিতভাবে অজ্ঞাতনামা কারনে আমার গতিরোধ করিয়া আমার গলায় ও মুছে গামছা বাঁধ দিয়া জোর পূর্বক আমার বাড়ির সামনে হইতে উঠাইয়া রাজাপুর পাম্পের সামনে ২নং বিবাদী আরফিন এর পিতার নিকট নিয়া সকল বিবাদীগণ অজ্ঞাতনামা কারণে আমাকে এলোপাথারীভাবে কিল, ঘুষি মারিয়া আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফোলা জখম করে এবং আমার গলায় গামছা পেঁচাইয়া শ্বাসরোধ করিয়া হত্যার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে বিবাদীগণ আমার নিকটে মুক্তিপণ বাবদ ৫,০০,০০০/- টাকা দাবী করে। তাহাদের দাবীকৃত মুক্তিপণের টাকা না পাইলে তাহারা আমাকে খুন-জখম করিয়া লাশ গুম করিয়া ফেলিবে মর্মে হুমকি দিতে থাকে। তখন ১, ২ ও ৩নং বিবাদীগণ আমার সাথে ২৪ হাজার টাকা মুল্যের মোবাইল ফোন নিয়া যায়। আমি মুক্তিপণের টাকা দিতে না পারায় বিবাদীগণ আমাকে কিল-ঘুষি ও লাথি মারিতে থাকে এবং আমার গলায় গামচা পেচাইয়া শ্বাস রোধ করায় আমার নাক-মুখে রক্ত নির্গত হয়। আমি তখন প্রায় অচেতন হইয়া পড়িলে বিবাদীগণ আমাকে মৃত ভাবিয়া ঘটনাস্থল হইতে চলিয়া যায়। পরে আমি স্থানীয় লোকজনদের সহায়তায় আমার বাসায় চলিয়া আসি।
এলাকাবাসী জানান,আওয়ামী লীগের দোসর ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা হত্যা মামলার আসামি দীলন এর দুই পুত্রের নেতৃত্বে অপহরন করা হয়।
যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে ফতুল্লা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।




