ষ্টাফ রিপোর্টার:
হত্যা চাঁদাবাজি মাদক ও অস্ত্র সহ একাধিক মামলার আসামি পাগলা পপুলার স্টুডিওর মাদকের ডিলার সন্ত্রাসী মিঠুন ও তার ছোট ভাই রাব্বির বিরুদ্ধে কোন অদৃশ্য কারণে প্রশাসন ব্যবস্থা নিচ্ছে না এটা নিয়ে পুরো সমালোচনার ঝড় বইছে পুরো কুতুবপুর জুড়ে।
আওয়ামী লীগের ১৭ বছর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন নেতাদের সাথে এবং আওয়ামী লীগ নেতাদের ছত্রছায়ায় থেকে পাগলা ও পপুলার স্টুডিওতে এবং আশেপাশে এলাকাগুলোতে মাদকের স্বর্গরাজ্য করেছিলেন এই মিঠুন ও তার ছোট ভাই রাব্বি।
মিথুন ও তার ভাই রাব্বির রয়েছেন পাগলা বাজার পপুলার স্টুডিওতে একটি সক্রিয় কিশোর গ্যাং বাহিনী মাদকের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে এই বাহিনী দ্বারা বিভিন্ন হেনস্তা ও হামলার শিকার হতে হয় এমনকি পাগলা পপুলার স্টুডিওতে প্রশাসনের লোক ঢুকতে ভয় পায় এই বাহিনীর জন্য।
মিঠুনের বিরুদ্ধে রয়েছে তিন তিনটি হত্যা মামলা তার ভিতরে আলোচিত হত্যা মামলা হল পাগলা আফসার করিম প্লাজারের সামনে ফজলুল হক ফজল নামে এক ব্যক্তিকে সামান্য ফোল্ডিং মোবাইলের জন্য কুপিয়ে হত্যা করেন এখানেই শেষ নয়, পাগলা পপুলার স্টুডিওতে মাদক কেনাবেচার নিয়ে দ্বন্দ্বে সালাউদ্দিন নামের এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করেন এই সন্ত্রাসী মিথুন।
সর্বশেষ ভিপি রাজীব নামের এক যুবককে প্রকাশ্যে দিবালোকে কুপিয়ে হত্যা করেন মিঠুন ও তার পরিবারের লোকজন মিঠুনের বিরুদ্ধে রয়েছে হত্যা চাঁদাবাজি অস্ত্র ও মাদকের একাধিক মামলা।
এতগুলো মামলা থাকার পরও এবং পাগলা পপুলার স্টুডিওর মাদক ব্যবসার খবর প্রশাসনের সর্বমোহল জানার পরেও কেন মিঠুন ও তার ভাই রাব্বির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না প্রশাসন এটা এখন জনমনের প্রশ্ন?
পাগলা পপুলার স্টুডিও তালতলা মুন্সী খোলা আলিগঞ্জ পাগলা জেলেপাড়া সহ আশপাশের এলাকায় মিথুন ও তার সহযোগীদের প্রতিদিন প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার মাদক কেনাবেচা করেন।
তাই এলাকাবাসী ও সর্ব মহলের দাবি পাগলা পপুলার স্টুডিওতে মিঠুন ও তার ভাইয়ের মাদকের আস্তানাগুলোতে অভিযান পরিচালনা করলে কুতুবপুরে কিছুটা হলেও মাদক নির্মূল হবে।




