আসছে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ সদর বন্দর ৫ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী এডভোকেট আবুল কালাম নির্বাচিত হওয়ার আগেই তার ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে মহড়া দিচ্ছে তার ছেলে আবুল কাউসার আশা। স্থানীয় ভাবে জানা গেছে, আবুল কাউসার আশা সাবেক এমপি সেলিম ওসমানের ঘনিষ্ঠ সহচর ও আওয়ামী পন্থী ছিলেন।
৫ আগষ্টের পর রাজনীতির পট পরিবর্তন হলে বিএনপির ব্যানারে সক্রিয় রাজনীতিতে অংশ গ্রহণ করে আশা। আশার বিরুদ্ধে রয়েছে বিভিন্ন অভিযোগ। জমি দখল, বালুর জাহাজ থেকে চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, শীর্ষ চাঁদাবাজদের নিয়ে সন্ত্রাসী বাহিনী গঠন করাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠে আসছে। আশার কু-কর্মের কারনে দল থেকে বহিষ্কারও করা হয় এর আগে। বিভিন্ন তদবির বানিজ্য করে বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করিয়ে পিতার নমিনেশনকে কেন্দ্র করে গড়ে তুলেছে সন্ত্রাসী বাহিনী। সাম্প্রতিক সময়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর মিলাদ মাহফিলের নামে বিভিন্ন জায়গায় থেকে ব্যাবসায়ী এবং কর্মজীবীদের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে মোটা অংকের চাঁদা। তথাকথিত ইজারাদারের নামে অটোরিকশা ইজিবাইক থেকে প্রতিদিন চাঁদা তুলে আশার সন্ত্রাসী বাহিনীরা।
স্থানীয় জনগণ বলছে এ জেনো আরেক ওসমান সাম্রাজ্য! ক্ষমতায় না আসতেই বন্দর ও সদর বাসীর মধ্যে আতংক বিরাজ করছে আশার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে। কালাম যদি নির্বাচিত হয় তাহলে নারায়ণগঞ্জ সদর বন্দর হবে আরেক ওসমান বলয়ে। সাধারণ মানুষের বক্তব্য, দীর্ঘ ১৭ বছর পর তাড়া তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে সৎ ও আদর্শ বান ব্যাক্তিকে নির্বাচিত করবেন। এমন কাউকে নির্বাচন করবেন, যে জনপ্রতিনিধি জনগণের স্বার্থে কাজ করবে এবং কোন সন্ত্রাসী বা চাঁদাবাজি কর্মকান্ডের মাধ্যমে সদর ও বন্দরকে জাহান্নামে পরিনত করার শংকা থাকবে এমন কাউকেই সদর ও বন্দর বাসীর অভিভাবক হিসেবে গ্রহন করবেন না বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।
এদিকে, এমপি প্রার্থী আবুল কালামের ছেলে আশার কিছু সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জনগণের মাঝে বিরাজ করছে আতংক। বাবা এমপি হওয়ার আগেই ছেলে আশার এমন কর্মকান্ডে স্থানীয় সাধারন মানুষের মাঝে প্রশ্ন উঠেছে সদর ও বন্দরে আরেক ওসমান সাম্রাজ্য গড়ার নিল নকশা তৈরি করছে আশা।
পিতা শুধু নামেই এমপি থাকবে মুলত সব কার্যক্রম পরিচালনা করবে তার ছেলে আশা। বন্দরে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির এক নেতা বলেন, ইতিমধ্যে আশার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শুধু বন্দর বাসী দেখেছেন, সদরে গিয়ে পৌছেনি। তার পিতা নির্বাচিত হলে বুঝা যাবে কত ধানে কত চাল। শীর্ষ সন্ত্রাসী আজমীর ওসমানের পথেই হাঁটবে আশা এমন্টাই স্বাভাবিক মনে করেন স্থানীয় ভোটাররা।
তা ছাড়া পূর্বে আওয়ামী লীগের সকল সন্ত্রাসীদের নিয়ে আশার সন্ত্রাসী গোষ্ঠী একত্রে হওয়ায় জনগণের মাঝে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ আতঙ্ক। সাধারণ মানুষের রক্ত চুষে খাবে এই আশা ও তার সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। তাই আগামী নির্বাচনে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কোন সন্ত্রাসী বাহিনীকে নির্বাচিত করবে না বলেও তারা জানান।




