বন্দর প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের বন্দরে স্বৈরাচার সরকারের শাসনামলে ওসমান পরিবারকে রাজনৈতিক ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে মানুষের সাথে অন্যায় অত্যাচার ও অনিয়ম করে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন ২৫নং ওয়ার্ড যুবলীগের নামধারী নেতা নবীগঞ্জ ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি মরহুম নাজিম উদ্দিনের ছেলে নাদিম।
নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন ভূইয়া সাজনুর সাথে সাক্ষাৎতা তৈরি করে নিয়ন্ত্রণ করতো সোহাগ পুর টেক্সটাইল মিল্স। ব্যবসার জন্য বিভিন্ন রকমের সুযোগ সুবিধা নিতো সোহাগ পুর মিল্স থেকে।
নাম না বলতে অনিচ্ছুক জৈনিক জানান, ওসমান পরিবারের অন্যতম কাছের মানুষ শাহাদাত ভুইয়া সাজনুকে ট্রাম্প কার্ড ব্যবহার করে সোহাগ পুর মিল মালিকের সাথে সুস্পর্ক তৈরি করে সোহাগপুর মিলস মালিকের কাছ থেকে ব্যবসায়িক যত রকম ডিও পাস শুধু তার নামেই হতো। এমন কি মাসে একটি মোটা অংকের চাঁদার টাকা মালিক পক্ষ থেকে গত সরকারের আমলে নাদিমের হাতেই ২৫ ওয়ার্ডের সভাপতি ও সকল আওয়ামী লীগ নেতারা এই চাঁদার ভাগ পেত। যা নিয়ন্ত্রণ করতেন নাদিম। সোহাগপুর মালিক পক্ষের সকল সেক্টর নিয়ন্ত্রণ করতো।
এলাকাবাসী সূত্রে আরো জানা যায়, নাদিম সকল সুবিধা সে একাই ভোগ দখল করেছে স্থানীয় কেউ পাত্তাই পেত না। সোহাগপুরের গেইট পর্যন্ত কেউ যেতে পারতো না। স্থানীয় ছেলে পেলেরা ব্যবসার জন্য গেলে সে ঠান্ডা মাঁথায় মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করতো সে অভিযোগ ও আছে নাসিম এর বিরুদ্ধে। শামীম ওসমানের কাছের লোক সাজনুর সহযোগী নাদিম সাজনুর নাম বিক্রি করে স্বৈরাচারী সরকারের শাসনকালে নানা অপকর্মে হোতা।
এমনকি চৌরাপাড়া সোহাগ পুর মিল্স মালিক এর ৩৩ হাজার ব্লোল্ডের কারেন্ট এর লাইন দিতে চৌরাপাড়াবাসী অনিহা প্রকাশ করলেও নাদিম যুবলীগের প্রভাব বিস্তার করে মালিকের সাথে মিশে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে চৌরাপাড়া রাস্তা কেটে মাটির নিচ দিয়ে ৩৩ হাজার ব্লোডের কারেন্টের লাইনের কাজ করে। ভয়ে কেউ প্রতিবাদ পর্যন্ত করেনি এমন আরও কর্মকান্ডে করে বেড়াতো নাদিম। ধরাকে সরাজ্ঞান করে নানা রকমের অপকর্ম করে বেড়িয়েছেন নাদিম। সাধারণ মানুষ জনকে নানাভাবে অত্যাচার নির্যাতন করেছেন।
৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলেও সে এখনও এলাকায় প্রকাশ্যে তাদের কর্মকান্ড- করে যাচ্ছে। সোহাগপুর তার নিয়ন্ত্রণে চলতো।
এছাড়াও ২৫নং ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা নাদিম এর নামে ছাত্রবৈষম্য আন্দোলনে ছাত্র হত্যার অভিযোগে সিদ্ধিরগঞ্জ থানাতে মামলা রয়েছে। সে মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি ২৪৬ নাম্বার তালিকায় রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ওসমান পরিবারের ছাত্রলীগ নেতা ২৪ নং ওয়ার্ডের উজ্জ্বল গ্রেফতার হলে ও ওসমান পরিবারের সাজনুর সহযোগী যুবলীগ নেতা নাদিম এখনো অধরাই রয়ে গেছে।
লাকাবাসী দাবী করেন তার কাছে এলাকাবাসী সহ ব্যবসায়ীরা জিম্মি ছিলো। সোহাগ পুর মিলস থেকে সে মাসে মাসে ব্যবসায়ি করতো মাসোয়ারাও পেত বলে জানা যায়, এখনো তারা বেপরোয়া প্রশাসনকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে নাদিমের দাবপটে চৌরাপাড়া কথাই বলা যেত না স্বৈরাচারী সরকারের আমলে। যুবলীগ নেতা নাদিম এখন কুটিকুটি টাকার মালিক বনে গেছে। তাই এলাকাবাসীর দাবি ওসমান পরিবারের দুসোর নাদিমকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য।




