ষ্টাফ রিপোর্টার:
বন্দর উপজেলা পরিষদের ২ বারের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান মুকুল ও বন্দর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এম এ রশিদ ওসমানদের সবচেয়ে বড় দোসর। এম এ রশিদের একমাত্র মেয়ের উকিল পিতা সাবেক সাংসদ সেলিম ওসমান। নারায়ণগঞ্জ জেলার মধো ওসমান পরিবারের সাথে বন্দরের বিএনপির প্রভাবশালী নেতার দীর্ঘ প্রায় ২ যুগের চেয়ে বেশি সময় ধরে সু-সম্পর্ক রয়েছে। বিগত স্বৈরাচারী সরকারের সময়ে বিএনপির এ নেতা ও সাবেক ২ বারের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান মুকুল যে ওই পরিবারের আরেকটা সার্পোট তা অনেকে অজানা। আতাউর রহমান মুকুল বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয়ও বেশ দাপটে অবস্থায় ছিল। দীর্ঘ প্রায় ২ যুগের বেশি সময় ধরে যে গোপন সখ্যতা ছিল তা প্রকাশ্যে করে দিয়ে গিয়েছিল প্রয়াত সাংসদ নাসিম ওসমান। স্বৈরাচারী সরকার (মহাজোট) ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালে নাসিম ওসমান এমপি (প্রয়াত) প্রথম বন্দরের মাটিতে আসেন। বন্দরের কুশিয়ারা হাজী আব্দুল মালেক উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে পরিচিতি সভায় নাসিম ওসমান তার বক্তব্যে সকলের উদ্দেশ্য বলেন, দল ক্ষমতায় কিন্তু মুকুল বিএনপির হলেও আমার ছোট ভাই। চারদলীয়জোট সরকার আমলে এই মুকুল না – আমার মুকুল প্রতিনিয়ত আমাদের সাথে যোগাযোগ রেখেছে। নারায়ণগঞ্জের আমাদের সকল কিছুর প্রতি মুকুলের আলাদা দৃষ্টি ছিল। চারদলীয়জোট সরকার আমলে যে সময় ওপার( ভারত)থেকে মুকুল বললেই ভাষা/ কন্ঠ শোনেই বুঝতে পারতো। মুকুল আমার ছোট ভাই, ওর সাথে কেউ তুলনা বা কথা বলবেন না। তার এমন প্রকাশ্য বক্তব্যে অনেকটা হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে স্বৈরাচারী সরকারের নেতারা। ওসমান পরিবারের বড় সন্তান প্রয়াত নাসিমের ছোট ভাই যেখানে তাহলে নারায়ণগঞ্জ বন্দরে ওসমান পরিবারের’ দোসর’ মুকুলের চেয়ে বেশি কে? এমনই প্রশ্ন সচেতন মহলের। ওসমান পরিবারের হাত-পা টিপে মুকুল, এম এ রশিদরা দল, সংগঠনের বেহাল অবস্থা করলেও ২ যুগের বেশি সময় ধরে দাপটে অবস্থায়।
অপারেশন ডেভিড হান্ট অভিযানে কি ওসমান দোসররা বাহিরে।
এদিকে মুকুল বিএনপির রাজনীতিকে সক্রিয় করতে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে চলছেন। অপরদিকে এম এ রশিদ ৫ আগস্টের পর থেকে লাপাত্তা।
গত সোমবার মালয়েশিয়া পেংনাক বিএনপি শাখার উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মুসাপুর ইউনিয়নে শাসনেরবাগ এলাকায় ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এত প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওসমান পরিবারের বিশ^স্ত গোয়েন্দা সংস্থার নায়ক আলহাজ্ব আতাউর রহমান মুকুল । সভাপতিত্ব করেন গোলাপ হোসেন মালয়েশিয়া পেংনাক বিএনপি শাখার নেতা হলেও ওসমান পরিবারের দোসর। শাসনেরবাগ এলাকায় গোলাপ হোসেনের ইটভাটা রয়েছে । উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোসলেউদ্দিন,জালাল মেম্বার, আলম মেম্বর, ইব্রাহিম ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। আরো উপস্থিত ছিলেন অদ্য এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক নেতা জানান, যে সকল মানুষ রাজনীতি করেন তারা সকলে এ সমস্ত নেতাদের দিকে লক্ষ্য করেন তারা আসলে কোন দলের নেতা আমরা জনগণ বুঝতে পারতেছি না আসলে তারা কোন দল করেন আওয়ামী লীগ না জাতীয় পার্টি না বিএনপি নাকি বড় কোন ব্যবসায়ী এক ব্যক্তি যদি তিন দলের সাথে জড়িত থাকে তাহলে আমরা কার রাজনীতি করবো কাকে ভরসা করব। সকলেই ওসমান পরিবারের দোসর হলে আমাদের রাজনীতি করে কি??