নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের নতুন বাজারের আর্মি রোড এলাকার শাহনাজ বেগমের মায়ের ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া ০৭.৩৭ শতাংশ জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার জিনেস চন্দ্র বিশ্বাসের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার অভিযোগের পেক্ষিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় শাহনাজ বেগমের বাউন্ডারিকৃত জমির অর্ধাংশে বাঁশ দিয়ে বেড়া দেওয়া। এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানাযায় বাউন্ডারিকৃত জমি তার মায়ের অংশিদার এ শাহনাজ বেগম। জমি পাওয়ার পর শাহনাজ বেগম তার জমিমে বাউন্ডারি দেন।
এ বিষয়ে শাহনাজ বেগম জানান, আমি বর্তমানে কাঁচপুরে বসবাস করি। রূপগঞ্জের গোলাকান্দাইল মৌজার আর এস দাগ নং-১৬১২ এর ০৭.৩৭ শতাংশ জমি আমি মায়ের ওয়ারিশ সূত্রে মালিক হয়ে আনুমানিক ৩০ বছর যাবৎ ভোগ দখলে আছি। কাঁচপুরের বাসা থাকায় এখানে খুব কম আসা পরে মাঝে মাঝে এখানে আসতাম। যেমন: সাহানা ওরফে শাহনাজ বেগম ৭.৩৭ শতাংশ, আছিয়া বেগম ৭.৩৮ শতাংশ, পিয়ারী বেগম ৭.৩৮ শতাংশ, হামিদা বেগম ৭.৩৮ শতাংশ, ছালমা বেগম ১০.৩৭ শতাংশ, শিরিন জাহান ৭.৩৭ শতাংশ, রেহেনা বেগম ৭.৩৭ শতাংশ, নুরভানু বেগম ৭.৩৭ শতাংশ জমি ভাগ করে দেওয়া হয়। সব বোনেরা এখানে বসবাস করায় আমার আসা কম হয় এখানে। জিনেস চন্দ্র বিশ্বাস আমার বোন ছালমা থেকে জায়গায় কিনে তার পিছনের আমার বাউন্ডারিকৃত জায়গার অর্ধেক জোরপূর্বক বাশের বেড়া দেয় এবং জমি জোরপূর্বক দখল করার চেষ্টা করে। আমি বাধাঁ দিলে জিনেস ব্যর্থ হয়ে হুমকি দেয় যে, তাহারা যে কোন সময় আমার জমি দখল করবে আমি বাধাঁ বা নিষেধ করলে আসামীরা আমাকে মারপিট সহ খুন জখম ঘটনা ঘটাবে বলে হুমকি দিয়ে চলেয় যায়। বিষয়টি আমার আত্মীয় স্বজনের সাথে আলাপ আলোচনা করে আমি জিবনের নিরাপত্তা ও আমার জমি রক্ষার্থে থানায় অভিযোগ দায়ের করি।
এ বিষয় মুঠোফোনে জিনেস চন্দ্র বিশ্বাসের সাথে কথা বললে তিনি জানান, গত ৪ বছর আগে আমি এ জমি ক্রয় করি। শাহনাজ বেগমের জায়গায় এতো বছর পর কাউকে না জানিয়ে বেরা দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে জিনেস বলে, ওর জায়গা মসজিদের ওয়াকফা চলে গেছে ও জায়গার মালিক ৩ শতাংশের। বাঁশের বেরা আমি দিয়েছি আমার জায়গায়। আপনারা নিউজ করলে আমারও লোক আছে আমি দেখবো।




