ষ্টাফ রির্পোটার
নারায়নগঞ্জ সদর মডেল থানাধীন শহরের চারারগোপ এলাকায় অবস্থিত বাইতুস সালাত জামে মসজিদের নামে প্রতিষ্ঠিত মার্কেট দখলের জন্য মোয়াজ্জেম হোসেন সহ একটি অসাধু চক্র দীর্ঘদিন যাবত অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
এ নিয়ে বর্তমান কমিটির কয়েকজন নেতৃবৃন্দের নাম উল্লেখ করে একটি চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করে।মামলায় দুলাল,মনির,আমিনুল,হান্নানকে সাক্ষী করা হয়।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) দুলাল,হান্নান,মনির ও আমিনুল একটি অঙ্গীকার নামায় স্বাক্ষর করে মামলার বিষয়ে জানেননা বলে জানান।
একটি সুত্র হতে জানা যায়,গত ১৭ বছর আওয়ামী লীগের অপশাসনামলে মোয়াজ্জেম হোসেন গং বাইতুস সালাত জামে মসজিদ ও সোসাইটির নামে স্থাপিত মার্কেট হতে প্রায় ২৫ কোটি টাকা আত্নসাত করে নেয়।
৫ আগষ্ট সরকার পরিবর্তন হলে হানিফ সরদারকে সভাপতি ও ফারুক আহমেদ ভূইয়া কে সাধারণ সম্পাদক করে নতুন কমিটি গঠন করা হয়।
নতুন কমিটি এসে দেখতে পায় মসজিদের নামে স্থাপিত মার্কেটের আয় – ব্যয় মসজিদ না দিয়ে সাবেক কমিটির নেতৃবৃন্দ পুরোটা আত্নসাত করে নেন।
বাইতুস সালাত জামে মসজিদের মার্কেটের দোকানগুলো একেকজন ভাগাভাগি করে নেন বিগত কমিটির নেতৃবৃন্দ।
অনেকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে মসজিদের নামে নির্মিত মার্কেটের দোকান গুলো বিক্রি করে দেন গত কমিটি অসাধু নেতৃবৃন্দ।
মার্কেটের দখল নিতে মোয়াজ্জেম হোসেনকে দিয়ে বর্তমান কমিটির নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে একটি চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করেন এবং বিভিন্ন লোককে সাক্ষী হিসাবে সে মামলায় দেওয়া হয়।
উক্ত মামলার সাক্ষী এস এম দুলাল পিতা মৃত আলহাজ্ব তাজুল ইসলাম, হাজ্বী আব্দুল হান্নান পিতা মৃত হাজ্বী মোহাম্মদ আলী,মোঃ মনির হোসেন পিতা মৃত হাজ্বী মোঃ আলী হোসেন,আমিনুল হক পিতা মৃত আব্দুর রশিদকে না জানিয়ে মামলার সাক্ষী হিসেবে দেখান।
দুলাল,হান্নান,মনির ও আমিনুল গনমাধ্যম কর্মীদের বলেন,আমরা মামলার বিষয়ে কিছু জানতাম না।মসজিদের সম্পত্তি ও মার্কেট মসজিদের নামে থাকবে।এটা কেউ ভোগ ও দখল করতে পারবেনা।আমরা যেহেতু মামলার বিষয়ে কিছু জানিনা তাই থানায় বসে অঙ্গীকার নামায় স্বাক্ষর করলাম।




