ষ্টাফ রিপোর্টার:
নাসিক ৬নং ওয়ার্ডে মুনলাইট পূর্ব এলাকায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানা তাঁতীলীগের অফিস দখল করে বেপরোয়া চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার সিন্ডিকেটের নেতৃত্ব দিচ্ছেন আওয়ামী লীগ ডেভিল পুলিশ কনস্টেবল মফিজ হত্যা ও ছাত্র হত্যা মামলার আসামি সিরাজুল ইসলাম মন্ডলের ক্যাশিয়ার নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদল নেতা ও সাবেক শ্রমিক লীগ নেতা আক্তারুজ্জামান মৃর্ধা ও তার বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড চাঁদাবাজ হানিফ বেপারী। নাসিক ৬নং ওয়ার্ডে বহিরাগত আক্তারুজ্জামান মৃধার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার শেল্টার ও তার বাহিনীর চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদের অনুসারী পরিচয় দেয়া আক্তারুজ্জামান মৃর্ধা ও হানিফ বেপারী দুজনেই ৬নং ওয়ার্ডে বহিরাগত। আকতার মৃধা রূপগঞ্জের বরপা এলাকার ও হানিফ বেপারী নাসিক ১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। আকতারুজ্জামান মৃধা প্রয়াত শ্রমিক লীগ নেতা রেহান উদ্দিনের অস্ত্র ভান্ডারের দেখভালের দায়িত্বে ছিলেন এবং শ্রমিক লীগের রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সিরাজ মন্ডলের সাথে নানান ধরনের সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সাথে জড়িয়ে পড়েন আক্তারুজ্জামান মৃধা।
গত ৫ আগস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর ভোল পাল্টে ৬নং ওয়ার্ডে তাঁতীলীগের অফিস দখলে নিয়ে আকতার ও হানিফ বেপারী মাদক ও চাঁদাবাজির সিন্ডিকেট গড়ে তুলেন। এ সিন্ডিকেট মাদক সম্রাট নাহিদের সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও দোকান পাট দখল করাসহ নানান অপরাধ কর্মকান্ড করে বেড়াচ্ছে ৬নং ওয়ার্ডে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত সপ্তাহে আদমজীর মুড়ি ফ্যাক্টরি সংলগ্ন একটি বাড়িতে বাহিনী নিয়ে চাঁদার দাবিতে মারধর করে আকতার বাহিনী। হুমকি দেয়া হয় থানা পুলিশ কে জানালে লাশ গুম করে শীতলক্ষ্যায় ফেলে দেয়ার। তাঁতীলীগের অফিসে বসে হানিফ, মনির, সুমন, সোহেল, পারভেজ ও কিশোরগ্যাং লিডার নাহিদ বাহিনী নিয়ে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ ও চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ করছেন আকতার। প্রতি শুক্রবার নাগিনা জোহা সড়কের পাশে ভাসমান দোকান থেকে হাজার হাজার টাকা চাঁদা উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে আকতার বাহিনীর বিরুদ্ধে। কিশোরদের দিয়ে মাদক ব্যবসা করিয়ে ৬ নং ওয়ার্ডকে আক্তারুজ্জামান মৃধা মাদকের আখড়ায় পরিণত করেছেন বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
এছাড়াও ইপিজেডের বৈধ ব্যবসায়ীদের ব্যবসা করতে হলে চাঁদার দাবিতে নানা হুমকি ধামকি দিচ্ছেন ভিজিটিং কার্ড পাঠিয়ে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অভিযোগ জানালে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হচ্ছে। ৬নং ওয়ার্ডের জনগণ আকতার মৃধার মতো সন্ত্রাসীদের হাত থেকে রক্ষা পেতে চায়। এর আগেও সন্ত্রাসী আক্তারুজ্জামান মৃধাকে নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে লেখালেখি হলেও প্রশাসন থেকে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। প্রশাসনের কঠোর ব্যবস্থায়ই পারে এই সন্ত্রাসীর হাত থেকে মুক্তি দিতে। এছাড়া ৬ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন কারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতি মাসে বড় অংকের টাকা চাঁদা নিচ্ছে এই সন্ত্রাসী আকতারুজ্জামান। সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশের কাছে এলাকাবাসীর দাবি ৬নং ওয়ার্ডে বহিরাগত সন্ত্রাসী আকতারুজ্জামান মৃধা, হানিফ বেপারী সহ সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা এবং ৬নং ওয়ার্ড কে মানুষের বসবাসের যোগ্য করে তোলার দাবি জানিয়েছেন।




