জাগো নারায়ণগঞ্জ:
গত ২৯ জুন অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগো নারায়ণগঞ্জ২৪.কমে প্রকাশিত “সোনারগাঁয়ে নৌপথে চাদাঁবাজির সিন্ডিকেটে জাকির-সজীব জুটি” শীর্ষক সংবাদে সোনারগাঁ জুড়ে আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে রুপান্তরিত হয়েছে। অনেক এ প্রকাশিত সংবাদের পর অত্র প্রতিবেদককে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, টাকা নির্ভর রাজনীতির মাঠে সবকিছুই সম্ভব। কারন পলিথিন জাকির ছিলেন যুবলীগ নেতা আর সজীব হচ্ছেন জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক। দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের মুখ্য উদ্দেশ্যে হচ্ছে টাকা কামানো। আর আওয়ামী ডেভিল জাকিরের সাথে জুটি বেধে মান্নানপত্র সজীবও বর্তমানে টাকা পেছনে ছুটছেন হোক সেটা বৈধ কিংবা অবৈধ। তাদের এরকম লোভের কারনেই দেশের প্রত্যন্তস্থানে প্রতিনিয়ন অপরাধ বেড়ে চলছে। মুখে দেশের কল্যানে কিংবা অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভুমিকার কথা বললেও অন্তরে কিন্তু রয়েছে জনভোগান্তির প্রতিচ্ছবি। তারা বলেন,এদেও মত মুখোশধারী রাজনৈতিক নেতাদেও অপরাধ গুলো পত্রিকার মাধ্যমেই সকলে চোখের সামনে ফুটিয়ে তোলা দরকার।
পুর্বে প্রকাশিত সংবাদ পাঠকের অনুরোধে হুবুহু প্রকাশ করা হলো:
“সোনারগাঁয়ে নৌপথে চাদাঁবাজির সিন্ডিকেটে জাকির-সজীব জুটি”
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীসংলগ্ন নৌপথে প্রতিদিন কোটি টাকার মালামাল পরিবহন হলেও নদীপথ নিরাপদ নয়। বরং নৌযান গুলোকে নিয়মিত চাঁদা দিয়ে চলতে হয় এক প্রভাবশালী সিন্ডিকেটকে,যার নেতৃত্বে রয়েছেন জেলার আলোচিত – সমালোচিত রাজনৈতিক ব্যক্তি যুবদল নেতা খাইরুল ইসলাম সজিব।
অভিযোগ রয়েছে,স্থানীয় যুবলীগ ও এক যুবদল নেতার তত্বাবধানে প্রতিদিন নৌযান থেকে আদায়কৃত অর্থের ৪০ শতাংশ ভাগ পান স্থানীয় যুবলীগ নেতা হিসেবে পরিচিত পলিথিন জাকির। আর বাকি ৬০ শতাংশ ভাগের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নানের পুত্র ও জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খাইরুল ইসলাম সজিবের হাতে। এছাড়াও প্রশাসনের যেকোন ঝামেলা মোকাবেলার জন্য সজিব’র ঘনিষ্ঠ তিনজন স্থানীয় সাংবাদিক দায়িত্ব পালন করে বিনিময়ে তারা প্রতিদিন গড়ে ৬ হাজার টাকা করে পেয়ে থাকেন। দীর্ঘদিন ধরে সোনারগাঁ ও আশপাশের এলাকায় একজন প্রাবশালী সংগঠক হিসেবে পরিচিত খাইরুল ইসলাম সজিব রাজনৈতিক অঙ্গনে যেমন সক্রিয়,তেমনি বিভিন্ন সময় তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগও উঠেছে। একদিকে রাজনৈতিক মামলার শিকার,অন্যদিকে চাঁদাবাজি ও নদীপথে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ,তাঁকে নিয়ে জনমনে এখন প্রশ্ন উঠছে।
স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে,মেঘনা নদীপথে চলাচলকারী নৌযানগুলোকে নির্ধারিত হারে চাঁদা না দিলে বাধা ও হয়রানির মুখে পড়তে হয়। এই অবৈধ অর্থ সংগ্রহের একটি সংগঠিত চক্র দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় কাজ করছে। এই চক্রের প্রধান নিয়ন্ত্রক হিসেবে,সজিবকে ঘিরে এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় বইছে। চাঁদাবাজির বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তবে সোনারগাঁ থানার একটি নির্ভরযাগ্য সূত্র জানিয়েছে,বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য যে,গত ২২ জুন ছলিমগঞ্জ এলাকায় মেঘনা নদীপথে চাঁদাবাজির সময়,নৌ-পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১১ জনকে আটক করে,যাঁরা সজিবের সিন্ডিকেট সদস্য বলে দাবি করেছে স্থানীয়রা। এদের বেশিরভাগই বিএনপির অঙ্গসংগঠনের কর্মী এবং যুবদল নেতা সজিবের ঘনিষ্ঠ সহযোগী রয়েছে মাসোয়ারা প্রাপ্ত কালবেলার সোনারগাঁ প্রতিনিধি রুবেল তাদের প্রত্যেককে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়েছে।
নদীপথে নিরাপদ ও চাঁদামুক্ত চলাচল নিশ্চিত করতে দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন নাগরিকরা।




