নিজস্ব প্রতিনিধি:নারায়ণগঞ্জ বন্দরের নবীগঞ্জের ২৪ নং ওয়ার্ডে ১৭ বছর ধরে আওয়ামী লীগের (স্বৈরচারী সরকারের) রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন যে পাসপোর্ট বাবু,বড়ো বড়ো নেতাদের সাথে পিক তুলে এমন কোনো ক্রাইম নাই যে করে নাই বাবু,তিনি এখন নিজের এলাকায় পলাতক অবস্থায় রয়েছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।অনেক দিন ধরেই তাকে নবীগঞ্জ কদম রাসুল এলাকায় দেখা যায় না।
সম্প্রতি তার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে,যেখানে দেখা যায় নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক মামুন মাহমুদ সাহেবের সাথে তিনি অবস্থান করছেন।এ নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয় রাজনীতিতে।
স্থানীয়রা বলছেন, অধ্যাপক মামুন মাহমুদ এক বক্তব্যে বলেন আওয়ামী লীগের দোসরদের কোনো সদস্য পদেও রাখা হবে না কিন্তু বাবুর মতো লোক তার সাথে পিক তুলে ফেসবুকে আপলোড দেওয়াতে জনমনে নানান আলোচানা শুরু হয়েছে,এখন বিএনপির নাম ভাঙিয়ে অপরাধের নতুন খেলা শুরু করেছে এই পাসপোর্ট বাবু,তার বিরুদ্ধে পাচ মিনিটে জন্ম নিবন্ধন বানানো,জাল পাসপোর্ট,চাঁদাবাজি,দখল,নারী কেলেংকারী,মাদক সেলটার মাদক ব্যবসায়ীদেরকে সুদে টাকা দেওয়া সহো জোরপূর্বক অর্থ আদায়ের মতো অভিযোগ ছিল আইয়ামে জাহেলিয়াত যুগের মতো,জাল পাসপোর্ট বাবু এখন বিএনপির ছায়াতলে থেকে পুরনো অপরাধের কর্মকাণ্ড আরও বাড়ানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বন্দরের কদম রসুল এলাকার অনেক বাসিন্দা জানিয়েছেন— “আমরা বাবুর হাতে অনেক বছর ধরে জুলুম সহ্য করেছি। এখন বিএনপির নাম নিয়ে সে আবার এলাকায় নতুন করে ত্রাস সৃষ্টি করতে চাচ্ছে । অধ্যাপক মামুন মাহমুদের মত লোককে বির্তকিত করতে আটঘাঠ বেঁধে নেমেছে। আমরা চাই প্রশাসন তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিক।যদি পাসপোর্ট বাবুকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা যায় তাহলে এসপি হারুনের অনেক তথ্য পাওয়া যাবে বাবুর কাছে,এসপি হারুনকে বিদেশি মদ ও বড়ো বড়ো মডেল সাপ্লাই দিতো বাবু,বিনিময়ে এক দিনেই বড়ো বড়ো মামলার আসামিদের পুলিশ ভ্যারিফিকিসন নিয়ে দ্রুত পাসপোর্ট বানিয়ে বিদেশে পাঠানো,এমনকি ৭ মার্ডার ও তকি হত্যা মামলার অনেক আসামিদের পাসপোর্ট এই বাবু করে দিছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে,পাসপোর্ট বাবুর এই অবস্থান পরিবর্তন এবং দুই দলে নিজের স্বার্থসিদ্ধির এই খেলা নতুন কোনো ঘটনা নয়তো আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের কোনো নতুন বাজেটের খেলা নয়তো,তবে এতে বিএনপির ভাবমূর্তি প্রশ্নের মুখে অধ্যাপক মামুন মাহমুদ সাহেবের ভাবমূর্তি ও প্রশ্নের মুখে পরেছে,বিশেষ করে ক্লিন মাইন খেতো অধ্যাপক মামুন মাহমুদ সাহেবের মতো মানুষের পাসপোর্ট বাবুর মতো কিছু মানুষকে নিয়ে বাবা দরকার যে কে তার সাথে পিক তুলে নাম বিক্রি করে অপকর্ম করছে।বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সাধারণ মানুষ অধ্যাপক মামুন মাহমুদ সাহেবের প্রতি পাসপোর্ট বাবু কি এখন তার লোক?
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক মামুন মাহমুদ সাহেবের কাছে এই পাসপোর্ট বাবুর বিষয়টা ক্লিয়ার করার অনুরোধ জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের সর্ব সাধারণ মানুষ জন।




