ষ্টাফ রিপোর্টার:
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপি ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণাকে রাতের ও টাকার বিনিময়ে কমিটি এবং অবৈধ ও অসাংবিধানিক এবং দলের পরিপন্থী বলে আখ্যায়িত করেছেন ফতুল্লা থানা বিএনপির সহ সভাপতি ও বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপি আহবায়ক আকবর আলী সুমন।
তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, এই কমিটিতে আওয়ামী লীগের দোসর,মাদক ব্যবসায়ী,চোরা স্বর্ন কারবারী,ভূমিদস্যুরা রয়েছে। কাজেই এই কমিটি বিলুপ্ত করতে হবে।
আমি ফতুল্লা থানা বিএনপির সহ সভাপতি ও বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপি আহবায়ক হওয়া সত্ত্বেও আমাকে না জানিয়ে ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল বারী ভূঁইয়া টাকার বিনিময়ে রাতের বেলা বক্তাবলী বিএনপি একাত্তর সদস্যবিশিষ্ট কমিটির যে অনুমোদন দিয়েছেন তা অবৈধ ও দলের গঠনতন্ত্র বিরোধী। কারণ বক্তাবলী এমন একটি এলাকা যেখানে কাউন্সিলের মাধ্যমে কমিটি গঠন করা হবে।
তিনি বলেন,যারা দল করতে গিয়ে হামলা,মামলার শিকার হয়েছেন,দীর্ঘ ৩০/৪০ বছর যাবত দল করছেন তাদের কাউকে রাখা হয়নি। মেম্বার বাড়ির ১৪ জনকে এই কমিটিকে রাখা হয়েছে। যিনি নিজেকে স্বঘোষিত সভাপতি দাবী করছেন নজরুল ইসলাম প্রধান পাঁচই আগস্টের পরে বাংলাদেশে ফিরে আসছেন।
তিনি একা ধারে ফতুল্লা থানা বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক,বক্তাবলী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ও বর্তমান আহবায়ক কমিটির সভাপতি। তিনি একাই তিনটি পদ দখল করে রেখেছেন মনে হয় নজরুল ইসলাম প্রধান ছাড়া বক্তাবলীতে আর কোন নেতা নাই।
এছাড়াও সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান ফকির ফতুল্লা থানা বিএনপির যুগ্ন সম্পাদক, ফতুল্লা থানা ছাত্রদলের দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক পদ অধিষ্ঠিত রয়েছেন।।
এছাড়াও বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক হালিম আজাদ, ফতুল্লা থানা যুবদলের সদস্য ও বক্তাবলী ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে অধিষ্ঠিত রয়েছেন।।
এরা একাই একেকজনে তিন-চারটি পদ দখল করে নিয়েছেন। এতে বুঝা যায় এরা ক্ষমতা লোভী এবং স্বার্থবাদী। এছাড়া তারা সামাজিক সংগঠনের একাধিক পদদখল করে আছেন।
তাই বিএনপির তৃণমূল নেতা কর্মীদের দাবি এই সমস্ত ছেঁচড়াদের নিয়ে গঠিত কমিটি অবিলম্বে বাতিল করে কাউন্সিলের মাধ্যমেই পূনাঙ্গ কমিটি গঠন করতে হবে।
অর্থলোভী শহিদুল ইসলাম টিটু ও আব্দুল বারী ভূঁইয়া এই কমিটি বিলুপ্ত না করলে আমরা কেন্দ্রে তাদের বিরুদ্ধে প্রমাণপত্র সহ অভিযোগ দায়ের করবো।
কোন ধরনের পকেট কমিটি কেউ মেনে নেবে না। তাই আমি তীব্র ভাষায় উক্ত কমিটি প্রদান কারীদের প্রতি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
সেই সাথে অবৈধ কমিটির কোন কার্যকলাপ বৈধ বলে গণ্য হবে না।
কারণ এই এলাকার নেতা কর্মীরা আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে তাদের দলকে সব সময় চাঙ্গা করে রেখেছে।
বিদেশ থেকে হঠাৎ এসে কেউ সভাপতি বনে যাবে এটা কেউ মেনে নেবে না।




