বন্দর প্রতিনিধি: জাতীয় সংসদের আসন পুনঃবিন্যাসে নারায়ণগঞ্জ-৫ থেকে বন্দর উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন বাদ দিয়ে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে এলাকাবাসী।
এই সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে আজ সোমবার দুপুর ২টায় বন্দর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
বিক্ষোভে অংশ নেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, পেশাজীবী, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তারা বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে বন্দর উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নসহ নির্দিষ্ট কয়েকটি ওয়ার্ড একত্রে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে অন্তর্ভুক্ত ছিল। এটি প্রশাসনিক, ভৌগোলিক এবং জনসংখ্যার দিক থেকে যথার্থ ও কার্যকর একটি সীমানা ছিল। কিন্তু এবার যে প্রস্তাবনা প্রকাশ করা হয়েছে, তা অখ-তা নষ্ট করে এবং জনস্বার্থের পরিপন্থী।
বক্তারা আরও বলেন, বন্দর উপজেলা একটি পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক এলাকা। এর পূর্বে ব্রহ্মপুত্র এবং পশ্চিমে শীতলক্ষ্যা নদী দ্বারা এটি প্রাকৃতিকভাবে বিভক্ত ও সুনির্দিষ্ট একটি অঞ্চল। এই ধরনের ঐতিহাসিক, সামাজিক ও প্রশাসনিক ভিত্তিকে উপেক্ষা করে সীমানা পুনঃনির্ধারণ করা হলে জনগণ ভোগান্তির শিকার হবে এবং প্রশাসনিক সেবা ব্যাহত হবে।
এসময় তারা উল্লেখ করেন, জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ আইন, ২০২১ এর ধারা ৬(২) অনুযায়ী আঞ্চলিক অখ-তা ও প্রশাসনিক সুবিধা বিবেচনায় নেওয়ার কথা থাকলেও এই খসড়ায় তা মানা হয়নি। বরং কমিশনের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির ঘ, ঙ, জ, ঞ, ট ক্রমিকের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন ঘটেছে।
বক্তারা প্রধান নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানান, নির্বাচন কমিশনের প্রস্তাবিত সীমানা পুনর্বিবেচনা করে বন্দর উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন আগের মতোই নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বহাল রাখার।
মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাচন অফিসারের মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর একটি লিখিত আপত্তিপত্র দাখিল করা হয়।




