বক্তাবলী সিনিয়র আলিম মডেল মাদরাসায় নিয়ম বহির্ভূত ছাত্র ভর্তি করে অবৈধ অভিভাবক প্রতিনিধি হয়ে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হওয়ার অভিযোগ উঠেছে সাইফুল ইসলাম খান ও মাহমুদুল হাসান (আবু’র) বিরুদ্ধে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর এক লিখিত অভিযোগ বলা হয়েছে যে, বক্তাবলী ইসলামীয়া সিনিয়র আলিম মডেল মাদরাসার গভার্নিং বোর্ডের নির্বাচনে সাইফুল ইসলাম অভিভাবক সদস্য পদে নির্বাচন করতে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন অথচ তার দুই সন্তান হালিমা তুস সাদিয়া এবং বিবি মারিয়ম অত্র মাদরাসার বৈধ শিক্ষার্থী নয়। তিনি তাদেরকে ৬ষ্ঠ ও অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রী হিসাবে দেখিয়েছেন। জানা গেছে তার দুই মেয়ে মধ্যনগর দারুসুন্নাহ মহিলা মাদরাসার নিয়মিত শিক্ষার্থী তারা সেখানে নিয়মিত ক্লাশ ও পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে নিয়মিত বৈধ ছাত্রী হিসাবে আছেন কিন্তু অত্র মাদ্রাসায় তারা কোন প্রকার ক্লাশও করেন না এবং কোন প্রকার পরীক্ষায়ও অংশগ্রহন না করেও অত্র মাদ্রাসার ছাত্রী হিসাবে তার পিতা ম্যানিজিং কমিটির সদস্য হওয়ার জন্য অবৈধভাবে ভর্তি দেখিয়ে ভোটার তালিকায় নাম সংযোজন করে নিয়েছেন।
অভিযোগে আরো উল্লেখ করেন যে সাইফুল ইসলাম এডহক কমিটির সদস্য হওয়ায়, সভাপতি ও অধ্যক্ষকে ম্যানেজ করেই নির্বাচনের জন্য বৈধতা নিচ্ছে সাইফুল ইসলাম।
বিষয়টি জানতে অত্র প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ এস এম রফিকুল ইসলামকে মুঠোফোনে কল করলে তিনি জানান, ঘটনা সত্যি তবে তার মেয়েও আমাদের প্রতিষ্ঠানের ছাত্রী-তবে অনিয়মিত। রেজিস্টেশন যেহেতু করা আছে তিনি চাইলে নির্বাচন করতে পারেন।
এবিষয়ে মুঠোফোনে সাইফুল ইসলাম খান জানান প্রথমত আমি নির্বাচন করবো না” তবে আমি অবৈধ নই। আমার মেয়ে অন্য মাদরাসায় পরলেও আমি বক্তাবলী সিনিয়র আলিম মাদরাসায় রেজিস্টেশন করে রেখেছি দাখিল এখান থেকেই দিবে। তিনি আরো বলেন, আমি নিজেও এই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছিলাম তবে এমন এঘটনায় আমি নিজেও বিব্রত বোধ করছি। তাই নির্বাচন আর করবো না।
একইভাবে মাহমুদুল হাসানও তার ছেলে জোনায়েদ হাসান ইফাত কওমী মাদ্রাসার হিফজ বিভাগে আবাসিক ছাত্র হিসাবে লেখাপড়া করাচ্ছেন কিন্তু সেও অবৈধভাবে অত্র মাদ্রাসায় ভর্তি দেখিয়ে অভিবাবক প্রতিনিধি নির্বাচনে অংশগ্রহন করেছেন যাহা সম্পূর্ণ অবৈধ কারণ একই ছাত্র একই সাথে দুই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র হতে পারেন না অথচ তার ছেলে অত্র মাদ্রাসার কোন প্রকার ক্লাশ করেন না এবং কোন প্রকার পরীক্ষায়ও অংশ গ্রহণ করেন না। তার সাথে যোগাযোগ করলে সেও বলেন যেহেতু আমার প্রার্থীতা নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে তাই আমি প্রার্থীতা প্রত্যাহার করবো। এবং উক্ত নির্বাচনে অংশ গ্রহন করবো না।
এই বিষয়ে এডহক কমিটির সভাপতি মাহাবুব আলমকে একাধিকবার মুঠোফোনে কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি ।




