নিজস্ব সংবাদদাতা // এস এম মোমেন, আজমেরী ওসমানের ঘনিষ্ঠ দোসর শফিউল্লাহরা যেকোন রাজনৈতিক দলের জন্য ভয়ংকর। ছবিগুলো তার অনেকটা বহন করে। বিগত স্বৈরাচারী সরকারের ১৬ বছর শফিউল্লাহ, মোমেনরা বেশ দাপটে ছিল। স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর কিছুদিন ঘাপটি মেরে বসে পড়ে বিএনপি হওয়ার দৌড়ঝাঁপ৷ মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. শাখাওয়াত হোসেন, সদস্য সচিব এড. আবু আল ইউসুফ খান টিপুর নের্তৃত্বধানকারী দের পেছনে ওই দোসরদের ছবি। যে ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেইসবুক ভাইরাল। ত্যাগী ও কারা নির্যাতীত নেতারা সামনে আসতে পারে না। হাইব্রিড ও দোসরদের পুনবাসন করার টার্গেট, না কি বিএনপির রাজনীতিতে সচ্ছ ম্যান শাখাওয়াত, টিপু ও বন্দর থানা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব শাহেনশাহ আহমেদ, সাধারন সম্পাদক নাজমুল হক রানার জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ত্যাগী নেতাকর্মীরা
বঙ্গবন্ধুর শাহাদাৎ বাষিকীতে খিচুড়ি বিতরন শফিউল্লাহ, এস এম মোমেনরা। ওরা এখন বিএনপির মহানগর ও থানা কমিটির শীর্ষ নেতাদের সাথে সেই পূর্বের রুপে অর্থাৎ ছবি, সেলফি তুলে নিজেদের অবস্থান পরিস্কার করছেন, যা দল, সংগটন ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের জন্য হুমকি স্বরপ।
বন্দর থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহমেদ আলী, এ বিষয়ে তিনি বলেন, বিএনপি একটি বৃহত্তর দল। মিছিলে বা মিটিংয়ে লোক বা নেতাকর্মীর কোন সংকট বা কমতি নেই। কে বা করা মহানগরববা থনা পর্যায়ের নেতাদের পেছনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলে তা আমরা জানি না। সামনে নির্বাচন সেজন্য অনেক কিছু দেখেও দেখি না।
মোমেন বিষয়ে ত্যাগী এ নেতা বলেন, এস এম মোমেন বলে নাম শুনেছি। বিগত স্বৈরাচারী সরকারের সময়ে মদনপুরের অহিদের ব্যবসায়িক পাটনার ছিল। ১৬ বছর স্বৈরাচারী সরকারের নেতাদের সাথে ব্যবসা করে এখন বিএনপির ছায়াতলে ফের কেউ আসার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে নের্তৃবৃন্দু অবশ্যই ব্যবস্থা নিবে।
শফিউল্লাহ ওসমান পরিবারের আরেকটি আতংকের নাম আজমেরী ওসমানের ঘনিষ্ঠ দোসর শফিউল্লাহ সন্ত্রাসী বাহিনী তৈরি করেছে তা আমাদের নেতারা জানে। ওরা দলের জন্য একটা আতংকের নাম। ত্যাগী, কারা নির্যাতিত নেতাকর্মীরা ওদের কারনে সরে যাবে তা কখনো চলবে না।
বহুরুপধারী মোমেন ও শফিউল্লাহ নিয়ে সর্বত্র বির্তক ও সমালোচনা বিষয়ে বন্দর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কারা নির্যাতিত নেতা নাজমুল হক রানা বলেন, স্বৈরাচারী সরকারের সময়ে সুবিধাভোগকারীরা কখনো শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শের বিএনপিতে জায়গা হবে না। মদনপুরের মোমেন, শফিউল্লাহকে আমার চিনা নেই। তবে শুনেছি এস এম মোমেন স্বৈরচারী সরকারের অহিদের ব্যবসার পার্টনার ছিল। সন্ত্রাসী আজমেরী ওসমানের দোসর শফিউল্লাহ একনায়ত্ব রাজত্ব করেছে শুনেছি। ওদের জন্য দলের ত্যাগীরা কষ্ট পাবে তা হবে না। মোমেন ও শফিউল্লাহকে তেমন চিনে না। তবে সাংবাদিকরা এগুলো তুলে ধরে আমাদের দেখিয়ে দিলে শীর্ষ নেতৃবৃন্ধর সাথে কথা বলে ব্যবস্থা গ্রহনের আশ্বাস করেন।




