স্টাফ রিপোর্টার: নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, ছাত্ররা কিন্তু সম্মানিত। আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তারা কিন্তু আপনাদের সন্তান। তারা কিন্তু আপনাদের জন্য কাজ করছে তাদের উপর চড়াও হওয়া যাবে না। তারা অন্যায় করলে আমরা তাদের বিরুদ্ধে কাজ করবো।
১৭ সেপ্টেম্বর বুধবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে নারায়ণগঞ্জ যানজট নিরসনে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবকদের উপর অটোচালকদের হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি হামলা এবং অটো দিয়ে দীর্ঘ চার ঘন্টা নারায়ণগঞ্জ শহরকে যানজটে অবরোধ করা কেন্দ্র করে সভায় উক্ত কথা বলেন তিনি।
নারায়ণগঞ্জের চানমারি এলাকায় উল্টোপথে অটো যাওয়ায় সড়কে যানজট সৃষ্টি হলে যানজট নিরসনে স্বেচ্ছাসেবকরা কিছু অটোর চাকাকে লিক করে দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্বেচ্ছাসেবকদের উপর অটোচালকদের একাধিক হামলা ঘটনা এবং ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংকরোড অবরোধ করে চাষাড়া থেকে শিবু মার্কেট পর্যন্ত দীর্ঘ ৪ ঘন্টার যানজটে ভোগান্তির শিকার হয় নারায়ণগঞ্জবাসী। স্বেচ্ছাসেবকদের উপর হামলা এবং পরে স্বেচ্ছাসেবকরা পাল্টা হামলায় বিচার না হওয়া পর্যন্ত সড়ক অবরোধ রাখার হুমকি দিয়ে সড়ক অবরোধ করা হয়। এঘটনাকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, অটোচালকর ও মালিক সমিতি সহ বিকেএমইএ, চেম্বার অব কমার্স, নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন এবং রাজনৈতিক নেতারা নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বসেন।
এসময় মামুন মাহমুদ বলেন,যানজট নিরসনে প্রশাসণ যে সিদ্বান্ত নিয়েছে তা শুধু প্রশাসণের সিদ্বান্ত না। এটা মূলত আপনাদের আমাদের নারায়ণগঞ্জবাসীর সকলের সিদ্বান্ত। যারা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করছে তারা কিন্তু বেতনভুক্ত না তারা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করছেন। তারা কিন্তু আপনাদের প্রতিপক্ষ না আবার এখানে যে ডিসি স্যার আছে তিনিও কিন্তু আপনাদের প্রতিপক্ষ না। এখানে আপনেরা পাল্টাপাল্টি হামলা যদি করেন তাহলে কিভাবে হবে?
তিনি আরও বলেন, ছাত্ররা এখানে কম আপনেরা বেশি তাই বলে আপনেরা তো রাস্তা বন্ধ করে আন্দোলন করেন।আপনাদের ধরতে পারছে না কারন আপনাদের তো লাইসেন্স নাই। আমাদেরও তো ট্রাফিক পুলিশ মামলা দেয় কই আমরা তো রাস্তা অবরোধ করে আন্দোলন করি না। তাহলে আপনেরা কেন করবেন? এখানে কোন পক্ষ বিপক্ষ নাই। আপনেরা এখানে কেউ আইন তুলে নিবেন না। আপনাদের সভাপতি সেক্রেটারি আছে তারা এসে ডিসি স্যারকে জানাবে। দায় হব এমন কোন কাজে জড়িয়ে যাবেন না।আপনাদের দেশ ও সরকার সাপোর্ট দিচ্ছে তাই আপনাদের ধরা যায় না। আপনেরা উলটোপথে যান। হাইওয়ে সড়কে উলটোপথে গাড়ী চালান। আপনেরা সংখ্যায় বেশি বলে আপনাদের কিছু বলা যাবে না এমন মনে করবেন না। রাষ্ট্রের উর্ধ্বে কেউ নাই। রাষ্ট্রের আইন আছে আপনাদের মনে রাখতে হবে।
মামুন মাহমুদ আরও বলেন, এখানে আজকে কিন্তু আমরা আপনাদের জন্য এক টেবিলে বসেছি। আপনাদের আইন মানতে হবে কোন পর্যন্ত আপনাদের চলতে হবে কোন পর্যন্ত যাওয়া যাবে না সেটাও আপনাদের মানতে হবে এখানে সেটার কথা দিয়ে যেতে হবে। আপনেরাও কিন্তু রুটি রুজির জন্য কাজ করছেন।আপনেরা এমন কোন কাজ করবেন না যাতে আইন আপনাদের বিরুদ্ধে যায়। আজকে যে সমস্যা হয়েছে তা তিন মিনিটেই সমাধান করা যেত এখানে তিন ঘন্টা লাগতো না।




