ষ্টাফ রিপোর্টার:
ফতুল্লা থানাধীন পুলিশ লাইনস আফাজনগর এলাকায় ভাড়াটিয়ার সাথে জোড়পুর্বক শারীরিক সর্ম্পক করতে গিয়ে ভাড়াটিয়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতে বাড়ির মালিক এখন শ্রীঘরে রয়েছেন।
ভাড়াটিয়া জসিমউদ্দিন খানের মেয়ে তাজরিন খানম সুমির থানায় অভিযোগের কারনে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ বুধবার বাড়িওয়ালা মো.রফিকুল ইসলামকে আদালতে প্রেরন করেন।
পুলিশ লাইনস আফাজনগর এলাকার বাসিন্দা জসিমউদ্দিন খানের মেয়ে তাজরিন খানম সুমির থানায় অভিযোগের উল্লেখ করেন যে,গত ৬ সেপ্টেম্বর তার বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করছি। তিনি একজন খারাপ প্রকৃতির লোক। তার বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে আসার পর থেকেই তিনি আমার প্রতি কুদৃষ্টিতে তাকাতো এবং আমাকে তার সাথে শারীরিক সর্ম্পক স্থাপনের জন্য বিভিন্ন ভয়ভীতি প্রদান করতো। গত ১৫ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টায় তার সাবলেট রুমটি ভাড়া দিবে বলে আমার রুমে আসেন। আমার বাসায় কেহ না থাকার ফলে সে আমার রুমের দরজা বন্ধ করে আমার সাথে জোড়জবস্তী করতে থাকে। আমি চিৎকার করলে বিবাদী আমার সাথে ইচ্ছের বিরুদ্ধে শারীরিক সর্ম্পক কওে এবং এ বিষয়ে কাউকে কিছু না বলার জন্য এবং থানা পুলিশকে অবহিত না করতে ভীতি প্রদান করেন এবং কাউকে কিছু বললে আমাকে খুন ও জখম করে চিরতরে শেষ করে দেয়ার হুমকী প্রদান করেন।
স্থানীয়দের দেয়া তথ্য জানা যায়, সোনালী ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা নিজ বাড়ি আফাজনগরের নিচ তলায় এ ঘটনা ঘটান। পরে পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি স্বীকারোক্তি দেন যে তিনি নিজ ইচ্ছাকৃতভাবে শারীরিক সর্ম্পকে লিপ্ত হন।




