জাগো নারায়ণগঞ্জ
কি হচ্ছে আড়াইহাজার উপজেলায়! আইন শৃঙ্খলার চরম অবনতি!!প্রশাসনের ভিতরে দুর্বলতা কোথায়?নাকি পরিকল্পিত? বালিয়া পাড়ায় সোহেল মেম্বার হত্যা,নজরুল ইসলাম আজাদের অনুসারী ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র নেতা সিরাজ মিয়ার ছোট ছেলে সদ্য কৃষি ইনস্টিটিউট থেকে পাস করা ইমনকে বাবার সামনে ছুরিকাঘাতে নির্মমভাবে হত্যা,সাতগ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি করিমের নেতৃত্বে ৩নং ওয়ার্ড কৃষক দলের সদস্য বিএনপি নেতা বাতেনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা,বাতেনের ছেলে সাতগ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের নেতা আজিজুলের অবস্থা ও আশংঙ্কা জনক। উভয়ই নজরুল ইসলাম আজাদ বলয়ের নেতা। মাহমুদ পুর ইউনিয়নে সানা নামের একজনকে পা ভেঙ্গে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। চাঁদাবাজি,চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইয়ের মত ঘটনা ঘটেই চলছে প্রতিদিন। ১০দিন অতিবাহিত হলেও ইমন হত্যা মামলার একজন আসামি ও ধরতে পারেনি পুলিশ। সাধারণ জনগণ আস্থা হারিয়ে ফেলছে পুলিশ প্রশাসনের উপর। আড়াই হাজার থানা যেন দালাল চক্রের হাটবাজারে পরিনত হয়েছে।
সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত অপরাধীরাই থানায় ভিড় জমায় । সাধারণ জনগণের ভাষ্য অনুযায়ী আড়াই হাজার উপজেলা প্রশাসন সম্পূর্ণভাবে ব্যার্থ। আড়াই হাজার উপজেলার সাধারণ জনগণ ব্যার্থ প্রশাসন দেখতে চায় না।
বর্তমান অফিসার ইনচার্জ খন্দকার নাসিরউদ্দিন থানায় যোগদান করার পর হতে আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটেছে চরম আকারে।
একজন বিএনপি নেতার কথায় উঠেন আর বসেন আড়াইহাজার থানার অফিসার ইনচার্জ। তিনি বললে মামলা,অভিযোগ বা জিডি নেন।নইলে নেননা বলে অভিযোগ উঠেছে।
মুলত আজাদ অনুসারীদের রক্ষা করার কারনে খুন,চাঁদাবাজি, হামলা লুটপাট হলেও থানা নীরব ভূমিকা পালন করায় আড়াইহাজারের প্রতিটি ইউনিয়নে আইন শৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটছে।নিরাপত্তা হীনতার মধ্যে জীবন যাপন ও নির্ঘুম রাত কাটান আড়াইহাজার বাসী।
এলাকাবাসীর দাবী অবিলম্বে আড়াই হাজারের পুলিশ প্রশাসনের মধ্যে পরিবর্তন আনা হোক। নইলে সাধারণ জনগণ পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামতে বাধ্য হবে ।
এ ব্যাপারে আড়াইহাজার থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার নাসিরউদ্দিন মুঠোফোনে জাগো নারায়ণগঞ্জ ২৪.কমকে বলেন,আইন শৃঙ্খলার কোন অবগতি ঘটেনি।গতকাল যে ঘটনা ঘটেছে নিজেদের আভ্যন্তরীন বিষয়। আমার পুলিশ এলাকায় এলাকায় টহল দিচ্ছে। সোহেল হত্যায় মামলা নেয়া হয়েছে।




