বন্দর প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের বন্দরে বিএনপি নেতাকে অফিসে ডেনে এনে হাতুড়ি দিয়ে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে কথিত যুবদল নেতা দ্বীন ইসলাম ও বাদশার বিরুদ্ধে।
আহত বিএনপি নেতা শাহাদাত কলাগাছিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের জিওধরা এলাকার বাসিন্দা। তিনি ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং প্রস্তাবিত কমিটির সভাপতি।
অভিযোগ রয়েছে, দ্বীন ইসলাম ও তার পরিবারের সবাই আওয়ামীলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত রয়েছে। স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সরকার পালিয়ে যাওয়ার পর ভোল্ট পাল্টে তিনি যুবদল নেতা বনে গেছেন।
গতকাল (২২ অক্টোবর) বিকেলে জিওধরা এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পরপরই আহত বিএনপি নেতা শাহাদাতকে দেখতে নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে ছুটে গেছেন এবং খোঁজ খবর নেন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন খান।
এ ঘটনায় মহানগর বিএনপি আহ্বায়ক এডভোকেট শাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, অত্যন্ত দু:খ জনক আমাদের আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রভাগে নেতৃত্ব দেওয়া এক বিএনপি নেতাকে লাঞ্চিত করা হয়েছে। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। দোষী ব্যক্তিদের বিরোদ্ধে সাংগঠনিক ভাবে ও আইনীভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আহত বিএনপি নেতা শাহাদাত জানান, কলাগাছিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাহাদুল্লাহ মুকুল ওয়ার্ড ভিত্তিক পূর্নাঙ্গ কমিটি করতে রাজপথের ত্যাগী কর্মী স্থানীয় ৫নং ওয়ার্ডের দায়িত্ব দেন শাহাদাতের কাছে। বিএনপি কর্মী শাহাদাত ওয়ার্ড ভিত্তিক একটি কমিটির তালিকাও করেন।
এরই জের ধরে একই এলাকার যুবলীগ নেতা বর্তমানে যুবদলের নামদারি নেতা দ্বীন ইসলামের নেতৃত্বে ৮/১০ জনের একটি সন্ত্রাসী বাহিনী বিএনপি কর্মী শাহাদাতকে তাদের অফিসে বসিয়ে রেখে কমিটির বিষয় জানতে চায়। পরে তাকে কমিটির তালিকা কেন করলো এসব নিয়ে মহানগর বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্য করে শাহাদাতকে চর থাপ্পর ও হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে মারাতœক জখম করে ও অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে। শাহাদাতের চিৎকারে আশপাশের লোক ছুটে এসে গুরুতর জখম মাহাদাতকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে চিকিৎসা প্রদান করে।
তিনি আরো জানান, দ্বীন ইসলাম আওয়ামীলীগের লোক, এলাকায় আওয়ামীলীগ নেতা আরাফাতকে এনে তার বাড়িতে অনুষ্ঠান করছে। বিভিন্ন মিটিং মিছিলে গেছেন, ৫ আগস্টের পর হাটাৎ তারা বিএনপি হয়ে গেছে। সারাজীবন বিএনপির মিটিং মিছিলে মাইর খাই আমরা এখন আওয়ামীলীগের লোকজনের হাতে মাইর খাই। এ ব্যাপারে তিনি আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানান।
এ ব্যাপারে দ্বীন ইসলামের ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোনকল রিসিভ করেনি।
হএ ব্যাপারে বন্দর থানার ওসি লিয়াকত আলী জানান,বিএনপির এক কর্মীকে মারধরের কথা শুনেছি। এখনও অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করবো।




