নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির ৪১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে প্রায় তিন বছর। কমিটি ঘোষনা করার পর পরই সিনিয়র নেতৃবৃন্দরা এ্যাড. সাখাওয়াত হোসেন খান ও সদস্য সচিব এ্যাড. আবু আল ইউসুফ খান টিপুর নেতৃত্বকে বয়কট করে। নিজেরা আলাদা বলয়ের রাজনীতি শুরু করেন।
এতে করে নব্য কমিটি নিয়ে বেশ বিপাকে পড়তে হয় সাখাওয়াত ও টিপুর। কিন্তু নিজের সাংগঠনিক দক্ষতা ও বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে সদস্য সচিব এ্যাড. আবু আল ইউসুফ খান টিপু মহানগর বিএনপির আওতাধীন প্রতিটি থানা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের কমিটি ঘোষনা করে নিজ নিয়ন্ত্রনে নিতে সক্ষম হন। শুধু তাই নয় টিপু তার রাজনৈতিক দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে দুর্বল কমিটি নিয়েই আওয়ামী দু:শাসন আমলে রাজপথ প্রকম্পিত করে তুলেন।
স্বৈরাচারী সরকার পতন আন্দোলনে তার বলয় নিয়ে একাই দলীয় কর্মসূচি পালন করেছেন র্নিবিধায়। ভয়ভীতিকে উপেক্ষা করে আন্দোলন সংগ্রামে অংশ গ্রহন করার অপরাধে তার কমিটির অনেকের কাছেই হয়ে উঠেন বিষফোঁড়া।
যার ফলশ্রুতিতে দলীয় নেতাদের ইন্ধনেই তাকে জনসম্মুখে গলারটুটি চেপে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় প্রশাসন বলে দাবি করেন দলীয় নেতাকর্মীরা।
দলীয় নেতাকর্মীরা দাবি করে বলেন, কমিটি ঘোষনা করার পর থেকে সিনিয়র নেতারা দুরে সরে যাওয়ায় অনেকেই ভেবে ছিলেন এই কমিটি বেশি দিন ঠিকবে না। কিন্তু একমাত্র আবু আল ইউসুফ খান টিপুর সাংগঠনিক দক্ষতার কাছে সবার ধারনা ভুল প্রমানিত হয়েছে। যার কারনে এই কমিটির বয়স সীমা তিন বছরের অধিক সময় পার হয়েছে। দিন যতই যাচ্ছে কমিটি ততই শক্তিশালী হতে শুরু করেছে। এর মধ্যে আর্শিবাদ স্বরুপ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ গত সম্প্রতি এ্যাড. সাখাওয়াত হোসেন খান, আবু আল ইউসুফ খান টিপু ও আবুল কাউছার আশাকে ডেকে নিয়ে সকল বিরোধের অবসান ঘটিয়ে দেন। সেই সাথে সকলকে ঐক্যের পথে হাটার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। এতে করে মহানগর বিএনপি সাংগঠনিক দিক দিয়ে ষোলকলাই পূর্ণতা পায়।
মহানগর বিএনপির নেতাকর্মীরা আরও বলেন, এ্যাড. আবু আল ইউসুফ খান টিপু হচ্ছে নারায়ণগঞ্জে রাজনৈতিক ব্রান্ড। তিনি ছাত্র জীবনে যে সকল নেতাদের রাজনৈতিক শিক্ষা দিয়ে এসেছেন, তারাই আজ নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিত্বে সুনামের সহিত বিচরণ করে যাচ্ছে। টিপুর হাত ধরে যারা ছাত্র রাজনীতিতে পা দিয়ে ছিলেন, তারাই এখন নারায়ণগঞ্জ বিএনপির রাজনীতির ভবিষ্যত বলেও অনেকেই মনে করেন।
তবে এ্যাড. সাখাওয়াত হোসেন খান ও টিপুকে দিয়ে মহানগর বিএনপির কমিটি ঘোষনা করা হলেও টিপুর কারনেই টিকে আছে সাখাওয়াতের পথ। কারন কমিটি ঘোষণার পুর্বে থেকেই ক্ষমতাসীনদের সাথে আতাঁত করে মোটা অংকের অর্থ নেয়ার অভিযোগ রয়েছে সাখাওয়াতের বিরুদ্ধে। তবুও তিনি মহানগর বিএনপির আহবায়ক আছেন টিপুর সাংগঠনিক দক্ষতার কারনে।




