নিজস্ব সংবাদদাতা // বর্ষাকালের পানি না যেতেই বন্দরের অবৈধ ইটভাটার অধিকাংশ চালু। ইটের ব্লক দিয়ে মাটির বানিয়ে ইতিমধ্যে তৈরি করার কার্যক্রম প্রায় চালু। বন্দর উপজেলায় প্রায় ৫২ টি ইটভাটা রয়েছে। যা আইনের কোন আওতায় পড়ে না। ইটভাটাগুলো চালু হলে সাংবাদিকরা তাদের দায়িত্ব পালন করলে লোক দেখানো মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে নাম মাত্র জড়িমান করে থাকেন। অর্থের হিসাবে নির্বাহী কর্মকর্তা হতে শুরু করে সর্ব্বোচ দপ্তর নীরব ঘাতক না হয়ে দর্শকের ভূমিকা পালন করে। অবৈধ ইটভাটা বন্ধে অভিযান, পরিবেশ দূষণ এবং স্থানীয় কৃষকদের ফসলের ক্ষতির মতো বিষয়গুলো প্রাধান্য পাচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে সরকারি অভিযান সত্ত্বেও অবৈধ ইটভাটা চালু থাকার খবর এবং প্রশাসনের নীরবতা নিয়েও সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে। এছাড়াও, বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার এবং ‘ব্লক‘ ব্যবহারের মাধ্যমে ২০২৫ সালের মধ্যে সব অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করার সরকারি পরিকল্পনার কথা। সকল অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করার পরিকল্পনা / সিদ্ধান্ত যেন ফাইলবন্ধী হয়ে গেছে। ইটভাটার কালো ধোঁয়ায় প্রশাসনের দৃষ্টিতে যেন আসে না। অবৈধ ইটভাটা: অভিযান চালিয়েও কিছু অবৈধ ইটভাটা চালু রয়েছে, যা প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার দিকে নির্দেশ করে।
পরিবেশ দূষণ: ইটভাটার ধোঁয়া পরিবেশ ও ফসলের ক্ষতি করছে। বিশেষ করে, ইটভাটার কারণে গ্রামের প্রতিরক্ষা বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবরও রয়েছে।
সরকারি পদক্ষেপ: বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যার ফলসূতিতে গত জুলাই মাসে লোক দেখানো অভিযান চালিয়ে নাম মাত্র জড়িমানা করেই তাদের দায়িত্বের ইতি।
অভিযানকে আইওয়াশ বললেও ভুল হবে না বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে দাসেরগাও, ফুনকুলসহ বিভিন্ন এলাকার লোকজন ক্ষোভের সাথে কথা গুলো বলেন।




