ষ্টাফ রিপোর্টার:
নারায়ণগঞ্জ সদর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ উল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে ১৬ হাজার টাকায় ৭০ হাজার টাকা লাভ নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শুধু তাই নয় ঈদের গরু বাবদ ৭০ হাজার টাকার জিম্মাদারের টাকা প্রায় ৩ বছর অতিবাহিত হলেও এখনো পর্যন্ত সে টাকা পরিশোধ করেনি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা যায়,পূব মসিনাবন্দ, গোগনগর এলাকার সেলিনা আক্তার, মোহাম্মদ উল্লা আল মামুন (সাধারণ সম্পাদক নারায়নগঞ্জ সদর থানা আওয়ামী লীগ) এর কাছ থেকে ২৭০০০/ টাকা কিস্তি নেয়।
যে সমিতির নামে কিস্তি দেয়া হতো তার কোন অনুমোদন নাই পুরাই অবৈধ।
মোট কিস্তি থেকে আল মামুন কে ১১০০০/টাকা দেওয়া হয়। পরবতীতে মোজাম্মেল হোসেন সানি জিম্মাদার হওয়ায় তাকে চাপ দিতে থাকে।
এমতা অবস্থায় সানির কাছ থেকে কোরবানির ঈদে গরু বাকীতে নেয়, যার মুল্য ২১৬০০০/দুই লক্ষ ষোল হাজার টাকা।
এক সপ্তাহের কথা বলে প্রায় ৩ বছর পার করে দেয়।
৫,০০০/১০,০০০/টাকা করে দেয়। এখন আরো ৭০ হাজার টাকা পাওনা রয়েছেন সানি।
মোহাম্মদ উল্লাহ আল মামুন বলে এই টাকা আর দিবে না, কারন বিগত কিস্তির ১৬,০০০/ হাজার টাকার সুদ ৭০,০০০/হাজার টাকা কাটা কাটি করা হয়েছে।
সানি বলেন, আমি জিম্মাদার হইছি বলে ১৬,০০০/হাজার টাকার বদলে ৭০,০০০/ হাজার টাকা এটা কি কোন ভাবে মেনে নেয়া যায়?।
মোজাম্মেল হক সানি বলেন, আমি থানায় জিডি করবো। মানুষের দূর্বলতার সুযোগে অবৈধ কিস্তি নামে জুলুম করে সুদের টাকা আদায় করে যাচ্ছে।
অনেক গরিব মানুষ আছে কিস্তির টাকা মিস গেলে গালা গালি এবং তার বাহিনী দিয়ে ধরে এনে মারধর করতো।
কেউ ভয়ে কিছু বলতে সাহস পেতো না, কারন সে সদর থানা আওয়ামী লীগ এর রানিং সাধারণ সম্পাদক।
এ ব্যাপারে মোহাম্মদ উল্লাহ আল মামুনের মুঠোফোনে একাধিক কল করা হলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।




