ষ্টাফ রিপোর্টার
নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলার খাগকান্দা দক্ষিণ নয়াপাড়া এলাকায় সন্ত্রাসী আল আমিনের নির্দেশে অপর সন্ত্রাসী মঞ্জুর হোসেন বাহিনী হামলা চালিয়ে ৬ জনকে রক্তাক্ত জখম করেছে।
কবির হোসেন পিতা চান মিয়া, সাং- খাগকান্দা দক্ষিণ নয়াপাড়া (ইউনিয়ন, খাগকান্দা) বাদী হয়ে আড়াইহাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
তাতে উল্লেখ করেন বিবাদী মোঃ আল আমিন পিতা-মৃত খোরশেদ আলী, ২। মঞ্জুর হোসেন পিতা-মোঃ আল আমিন, ৩। মাসুম (পিতা-আলামিন, ৪। মোঃ হারুন পিতা-মৃত আঃ ছামাদ, ৫। মোঃ মিশু পিতা-মোঃ হারুন, ৬। আবু লায়েছ পিতা-মৃত মোছল উদ্দিন, ৭। মোঃ শাহিন পিতা-আবু লায়েছ, ৮। মোঃ ইয়াছিন পিতা-মোঃ আনোয়ার, ৯। মোঃ আবু পিতা-আঃ রহমান, ১০। মোঃ মনির পিতা আঃ রহমান, ১১। মোঃ মামুন পিতা-আঃ রহমান, সর্ব সাং-খাগকান্দা দক্ষিণ নয়াপাড়া, থানা- আড়াইহাজার, জেলা- নারায়ণগঞ্জ সহ অজ্ঞাতনামা ২৫/৩০ জন বিবাদীর বিরুদ্ধে এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করিতেছি যে, বিবাদীগন অত্যন্ত উচ্ছৃঙ্খল, দাঁঙ্গাবাজ ও কলহপ্রিয় লোক। বিবাদীগনের সহিত দীর্ঘদিন যাবত পূর্ব শত্রুতা বিদ্যমান। উক্ত পূর্ব শত্রুতার জের ধরিয়া আমাদেরকে নানা ভাবে উত্যক্ত করিয়া আসিতেছিল। উক্ত পূর্ব শত্রুতার জেরে বিবাদীগন আমাদেরকে মারপিট করার হুমকি প্রদান করিয়া আসিতেছিল। সেই ধারাবাহিকতায় ইং ০৯/১১/২০২৫ তারিখ সকাল অনুমান ১০:০০ ঘটিকার সময় বিবাদীগন পরিকল্পিত ভাবে দেশীয় লাঠিসোঠা, লোহার রড, হকিষ্টিক, এসএসপাইপ, ধারালো অস্ত্র তথা, দা, ছোরা, টেটা, রাম দা, চায়নিজ কুড়াল সজ্জিত হইয়া আড়াইহাজার থানাধীন খাগকান্দা ইউনিয়নের ১০৭ নং দক্ষিণ নয়াপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে পাকা রাস্তার উপর আমার ভাতিজা সাদ্দাম (৩৫) ও শাহ পরান (৩৮) দ্বয়কে একা পাইয়া উল্লেখিত বিবাদীরা পথরোধ করিয়া ১নং বিবাদীর হুকুমে ও নির্দেশে ১১নং বিবাদীর হাতে থাকা চায়নিজ কুড়াল দ্বারা সাদ্দামের ডান পায়ের হাটুর নিচে আঘাত করিয়া মারাত্বক কাটা রক্তাক্ত জখম করে। ২নং বিবাদীর হাতে থাকা রাম দা দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে শাহ পরান এর মাথায় আঘাত করিয়া কাটা রক্তাক্ত জখম করে। শাহ পরান এর ডাক চিৎকার শুনিয়া তার চাচা জজ মিয়া (৫৫) শাহ পরানকে বাচানোর জন্য আগাইয়া আসিলে ৯নং বিবাদীর হাতে থাকা টেটা দিয়ে জজ ডান পায়ে আঘাত করিয়া মারাত্বক জখম করে। জজ মিয়াকে রক্ষার্থে তার ভাতিজা রফিকুল ইসলাম (৪০) আগাইয়া আসিলে ০৪নং বিবাদীর হাতে থাকা ধারালো রাম দা দ্বারা হত্যার উদ্দেশ্যে রফিকুল এর মাথায় মারিয়া কাটা রক্তাক্ত জখম করে। রফিকুল ইসলামকে রক্ষা করিতে তার ভাতিজা সফর আলী (৩৫) আগাইয়া আসিলে ৫নং বিবাদীর হাতে থাকা ধারালো রাম দা দ্বারা সফর আলীর ডান পায়ে আঘাত করিয়া গুরুত্বর কাটা রক্তাক্ত জখম করে। সফর আলীকে রক্ষা করিতে আমি আগাইয়া আসিলে ৩নং বিবাদী মাছুম তার হাতে থাকা হকিস্টিক দ্বারা আমার পায়ে আঘাত করিয়া আমার বাম পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলিতে রক্তাক্ত জখম করে। অন্যান্য সকল বিবাদীরা আমাদেরক পিটাইয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তজমাট নীলাফুলা জখম করে। আমাকে রক্ষার্থে আমার স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তার (৩৫) আগাইয়া আসিলে ১০ নং বিবাদী আমার স্ত্রীর গলায় থাকা ০১ (এক) ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন মুল্য অনুমান ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা টান মারিয়া ছিড়িয়া নিয়া যায়। আমাদের ডাক-চিৎকারে আশপাশের বাড়ী ঘরের লোকজন আগাইয়া আসিলে বিবাদীগন হত্যার হুমকি দিয়া চলিয়া যায়। ঘটনাস্থল হইতে আহত অবস্থায় আমি সহ সাদ্দাম, শাহ পরান, জজ মিয়া, সফর আলী ও রফিকুল ইসলামে কে আমাদের পরিবারের লোকজন উদ্ধার করিয়া আড়াইহাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়া আসিলে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহন করি। শাহপরান ও সাদ্দামের অবস্থা গুরুতর বিধায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে রেফার্ড করে দেন।
উক্ত বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করতে অফিসার ইনচার্জের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।




