ষ্টাফ রিপোর্টার:
ফতুল্লার শিয়াচর পেয়ারাবাগান এলাকায় পুর্ব শত্রুতার জেরে শিহাবগংদের হামলায় গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়েছে একই এলাকার খলিফা মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া মো.মুসা মিয়ার ছেলে মো.ইয়াসিন। এ বিষয়ে শিহাবগংদের বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মো.ইয়াসিন।
থানায় দায়েরকৃত লিখিত অভিযোগে মো.ইয়াসিন উল্লেখ করেন যে, গত ১৪ নভেম্বর রাত্র সাড়ে ৮টায় আমি ও আমার বন্ধু রিফাত (২৩) আমার উল্লেখিত ঠিকানাস্থ সিফাতের ড্রেজার অফিসের সামনে অবস্থানকালে পিলকুনি ৫তলা বিল্ডিং সংলগ্ন মৃত.রফিকের ছেলে শিহাব, জাহাঙ্গীরের ছেলে সাকিব, আরব আলীর ছেলে কানা রাকিব,আতিকের ছেলে দ্বীন ইসলাম,হেলুর ছেলে নাহিদ,দিরেনের ছেলে দিগন্ত, মৃদুল ও তুষারসহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন বিবাদী দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হইয়া আসিয়া কোন কিছু না বলিয়া আমাকে ও আমার বন্ধু রিফাতকে জোর পূর্বক টানাহেচড়া করিয়া উল্লেখিত ঠিকানাস্থ জুয়েলের সুতার কুন ফ্যাক্টরীর গলির অন্ধকার জায়গায় নিয়া ১নং বিবাদী আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করত: আমার বুকে ধারালো ছুরি ঠেকায় এবং ৫, ৬, ৭ ও ৮নং বিবাদীগণ সহ তাহাদের সহযোগী অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন বিবাদী আমার নিকট হইতে ২০ হাজার টাকা মূল্যের একটি স্মার্ট ফোন ও নগদ ৩ হাজার টাকা ও আমার বন্ধু রিফাতের নিকট হইতে নগদ ১ হাজার টাকা ছিনাইয়া নেয়। আমি ও আমার বন্ধু রিফাত এই বিষয়ের প্রতিবাদ করিবার চেষ্টা করিলে ১নং বিবাদী সহ তাহার হুকুমে ২, ৩, ৪ ও ৫নং বিবাদীগণ তাহাদের হাতে থাকা ধারালো চাপাতী, ছুরি ও সুইচ গিয়ার দিয়া আমাকে ও আমার বন্ধু রিফাতকে এলোপাথাড়ী আঘাত করিয়া রিফাতের ডানহাতের কনুইতে গুরুত্বর কাটা রক্তাক্ত জখম করা সহ আমাদের শরীরের বিভিন্নস্থানে নীলাফুলা জখম ও গুরুত্বর কাটা রক্তাক্ত জখম করিলে আমার বন্ধু রিফাত দৌড়াইয়া চলিয়া যায়। অতঃপর বিবাদীগণ আমাকে একা পাইয়া ৩নং বিবাদী আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তাহার হাতে থাকা ধারালো চাপাতী দিয়া আমার মাথায় আঘাত করিয়া আমার মাথার ডানপাশের কপাল বরাবর গুরুত্বর কাটা রক্তাক্ত জখম করে। ১ ও ২নং বিবাদীদ্বয় আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তাহাদের হাতে থাকা ধারালো ছুরি দিয়া আমার গলায় আঘাত করিলে আমি আমার বাম হাত দ্বারা আঘাত ঠেকানোর ফলে আমার বাম হাতের কনিষ্ট আঙ্গুল ও তালুতে গুরুত্বর কাটা রক্তাক্ত জখম হয়। ৫, ৬, ৭ ও ৮নং বিবাদীগণ সহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন বিবাদী তাহাদের হাতে থাকা ধারালো ছুরি/চাপাতী/সুইচ গিয়ার দিয়া আমার বামপায়ে এলোপাথাড়ী আঘাত করিয়া বামপায়ের হাটুর নিচ বরাবর গুরুত্বর কাটা রক্তাক্ত জখম করে। পরবর্তীতে আমার বন্ধু রিফাতের মাধ্যমে খবর পাইয়া এলাকাবাসী আগাইয়া আসিলে উক্ত বিবাদীগণ দৌড়াইয়া পলায়ন করে। অতঃপর আমি এলাকাবাসীর সহযোগীতায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাইয়া চিকিৎসা গ্রহণ করিয়া ফতুল্লা মডেল থানায় উল্লেখিত বিবাদীদ্বয়ের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করি।




