নারায়ণগঞ্জ শনিবার | ৭ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ১৮ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি
  সর্বশেষঃ
ফতুল্লায় একাধিক মামলার আসামি সন্ত্রাসী জুয়েল গ্রেফতার
নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটি’র দোয়া ও ইফতার মাহফিল 
জালকুড়ি পশ্চিমপাড়া যুব উন্নয়ন রোড এলাকাবাসীর পক্ষে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
সোনারগাঁয়ে পিস্তল ও গুলিসহ যুবক আটক
সিদ্ধিরগঞ্জে রাতভর পুলিশের অভিযানে ৩৪ জন গ্রেফতার: মাদক উদ্ধার
তিন দিনেও সন্ধান মিলেনি শারীরিক প্রতিবন্ধী জুতির
লালপুরে পঞ্চায়েত গঠনে, মতবিনিময় সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
ফতুল্লায় অভি’র সহযোগি ছিনতাইকারী ন্যাড়া বাহিনীর প্রধান কিলার বাবু নিহত
সিদ্ধিরগঞ্জে যাত্রীবেশে ২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১
আড়াইহাজারে কচুরিপানা থেকে শটগান উদ্ধার
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ: হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা, উচ্চঝুঁকিতে জ্বালানি বাজার
সারা বাংলাদেশের প্রতিটি ভূমি অফিস প্রশ্নবিদ্ধ – ভূমি প্রতিমন্ত্রী
৬ সিটির প্রশাসক নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট
সিদ্ধিরগঞ্জে ভূমি অফিসে ঝুলছে তালা আর অপেক্ষায় প্রতিমন্ত্রী !
নারী কেলেঙ্কারিতে ক্লোজ সদরের সেকেন্ড অফিসার মিলন
বন্দরে তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় রহমত গ্রেপ্তার
বিশ্লেষণঃ পরাজয় অথবা আরও আক্রমণের দোটানায় পড়েছেন ট্রাম্প
হাতেমকে ফ্যাসিস্টের দোসর বলায় এমপি আল আমিন অবরুদ্ধ
ফতুল্লায় ইমন হত্যাকান্ডে গ্রেপ্তার ২
সোনারগাঁয়ে আমান সিমেন্ট কারখানায় হামলা-ভাঙচুর
বক্তাবলীতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নির্মান কাজ চালাচ্ছে মোকসেদ আলীগং !
ফুটপাত ছেড়ে দিতে এমপি মান্নানের ২ দিনের আলটিমেটাম
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা, নারায়ণগঞ্জে বিক্ষোভ
বরগুনার তালতলীতে মসজিদ নিয়ে দুশ্চিন্তা,মানবিক সহায়তার আহ্বান মুসুল্লিদের
ইরানের যুদ্ধে ক্ষমতাধর দেশগুলোর কার কী অবস্থান?
বক্তাবলীতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে শাহাবুদ্দিন গংদের ঘর নির্মান
সেলিম হত্যা মামলায় আইভীর জামিন নামঞ্জুর
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সোনারগাঁ অংশে তীব্র যানজট
ফতুল্লা প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত 
সোনারগাঁয়ে অবৈধভাবে খাল ভরাট, ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা
Next
Prev
প্রচ্ছদ
খালা আমি আপনার জামাই হতে চাই- জিয়াউর রহমান

খালা আমি আপনার জামাই হতে চাই- জিয়াউর রহমান

প্রকাশিতঃ

জাগো নারায়ণগঞ্জ ২৪.কমের পাঠকদের জন্য হুবহু দেয়া হলোঃ

‘খালা, আমি আপনার জামাই হতে চাই’—এই সরল অথচ দৃঢ় উচ্চারণের মধ্য দিয়েই শুরু হয়েছিল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দাম্পত্য জীবনের পথচলা। ব্যক্তিগত জীবনের এই অধ্যায়টি ছিল অনেকটাই নীরব, সাধারণ এবং আবেগময়—যা পরবর্তীতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে যায়।

খালেদা জিয়ার ডাকনাম ছিল পুতুল। কলেজে পড়ার সময়েই জিয়াউর রহমান তার নানা মকবুল ও মামা ছবির মুখে পুতুলের সৌন্দর্যের কথা শুনেছিলেন। তারা বলতেন, অন্ধকার রাতে পুতুলকে দেখলে মনে হবে আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ উঠেছে। এই বর্ণনা জিয়ার মনে গভীর রেখাপাত করে। দূর সম্পর্কের খালাত বোন পুতুলকে একবার দেখার আগ্রহ তৈরি হয় তার মধ্যে।

অবশেষে সুযোগ আসে। পুতুলকে দেখেই নানা ও মামার কথার সত্যতা উপলব্ধি করেন জিয়া। উজ্জ্বল, বুদ্ধিদীপ্ত চেহারা ও স্বাভাবিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে তিনি মনের ভেতর স্বপ্ন বুনতে শুরু করেন তাকে ঘিরে। সে সময় জিয়াউর রহমান ছিলেন সেনাবাহিনীর একজন ক্যাপ্টেন। ডিএফআইয়ের অফিসার হিসেবে তার পোস্টিং ছিল দিনাজপুরে। দিনাজপুরে চাকরির সময় মাঝেমধ্যেই তিনি খালেদা জিয়াদের ভাড়া বাসায় যেতেন।

খালেদা জিয়া ম্যাট্রিক পাস করার পর একদিন জিয়া সরাসরি তার মায়ের কাছে গিয়ে বলেন, ‘খালা, আমি আপনার জামাই হতে চাই।’ এমন অকপট প্রস্তাবে প্রথমে হেসে ফেলেন খালেদা জিয়ার মা বেগম তৈয়বা মজুমদার। পরে বিষয়টি পরিবারের অন্য সদস্যদের জানানো হয়।

পরিবারে শুরুতে দ্বিধা ছিল। খালেদা জিয়ার বয়স কম, তখনও পড়াশোনার মধ্যে। বড় দুলাভাই মোজাম্মেল হক সদ্য আমেরিকা থেকে ফিরে আসায় এ বিয়েতে রাজি ছিলেন না। তার যুক্তি ছিল, ডিগ্রি পাস না করা পর্যন্ত বিয়ে কীভাবে হয়। পাশাপাশি জিয়া সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা—এই বাস্তবতাও বিবেচনায় আসে। তবে জিয়ার ব্যক্তিত্ব, আচরণ ও আন্তরিকতায় ধীরে ধীরে পরিবারের আপত্তি কাটে। জিয়াও নিয়মিত খোঁজখবর নিতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত সবাই বিয়েতে সম্মতি দেন।

খালেদা জিয়ার মা তৈয়বা মজুমদারের ভাষ্য অনুযায়ী, জিয়ার নানা মকবুল চাচা আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসেন। ১৯৬০ সালের আগস্ট মাসে ঢাকার মুদিপাড়ার বাসায় খুব সাধারণ আয়োজনে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। কোনো জাঁকজমক ছিল না, শুধু আকদ হয়। গায়েহলুদ হয়েছিল, পুতুলের হাতে মেহেদি দেওয়া হয়েছিল, পরানো হয়েছিল হলুদ শাড়ি। জিয়ার পক্ষে এসেছিলেন তার নিকটাত্মীয়রা এবং একজন পাঞ্জাবি সহকর্মী অফিসার। এক বছর পর ঢাকার শাহবাগ হোটেলে—বর্তমান পিজি হাসপাতাল—তাদের বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।

য়ের পর জিয়া অবসর পেলেই খালেদা জিয়াকে নিয়ে আত্মীয়দের বাসায় বেড়াতে যেতেন। বড় বোন খুরশীদ জাহানের খুলনার খালিশপুরের বাসায় তারা কয়েকদিন ছিলেন। খুরশীদ জাহানের স্মৃতিতে, দুজনকে দেখে কখনো নতুন জামাই–বউ মনে হয়নি। জিয়া রান্নাঘরে এসে বড় আপার কাছে খাবার আবদার করতেন—সেমাই ঠান্ডা করে রাখতে বলতেন, মাংস রান্না হলে এক টুকরো চেয়ে বসতেন। এসব ঘটনায় পুতুল লজ্জায় পড়লেও জিয়াকে নিয়ে মজা করতেন।

১৯৬৫ সালে চাকরিসূত্রে জিয়া খালেদা জিয়াকে নিয়ে পাকিস্তানে যান। সে বছর পাক–ভারত যুদ্ধের সময় তারা পাকিস্তানেই ছিলেন। জিয়াউর রহমান ‘খেমকারান’ রণাঙ্গনের ‘বেদীয়ান’-এ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের আলফা কোম্পানির কোম্পানি কমান্ডার হিসেবে যুদ্ধে অংশ নেন এবং বীরত্ব প্রদর্শন করেন। যুদ্ধকালীন সময়ে খালেদা জিয়া পাকিস্তানের বান্নো এলাকায় ছিলেন। পরিবার থেকে নিয়মিত খোঁজ নেওয়া হলে তিনি বলতেন, অযথা চিন্তা না করতে—তিনি ঠিক আছেন।

hপাকিস্তান থেকে ফেরার পরের স্মৃতিও উঠে এসেছে পরিবারের কথায়। বেগম তৈয়বা মজুমদার জানিয়েছেন, খালেদা জিয়া তার শ্বশুরের কাছ থেকে প্রচুর স্নেহ পেয়েছেন। শ্বশুর তাকে আদর করতেন, নানা জিনিস কিনে দিতেন। শাশুড়ির পাকিস্তান রেডিওতে গান গাওয়ার কথাও তিনি গর্বের সঙ্গে বলতেন।

মায়ের ভাষায়, জিয়া ও পুতুল ছিলেন সত্যিকারের মধুর দম্পতি। জীবনের কোনো পর্যায়েই তারা একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেননি। এক সাধারণ পারিবারিক জীবন থেকেই ধীরে ধীরে খালেদা জিয়া উঠে আসেন দেশের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে—যার শুরুটা হয়েছিল একটি সরল বাক্য দিয়ে, ‘খালা, আমি আপনার জামাই হতে চাই।’

সুত্রঃদৈনিক ইনকিলাব অনলাইন

 

এ সম্পর্কিত আরো খবর

সম্পাদক মন্ডলীঃ

মোঃ শহীদুল্লাহ রাসেল

প্রধান নির্বাহীঃ

মোঃ রফিকুল্লাহ রিপন

সতর্কীকরণঃ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি
অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও
প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
সকল স্বত্ব
www.jagonarayanganj24.com
কর্তৃক সংরক্ষিত
Copyright © 2024

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ

বনানী সিনেমা হল মার্কেট
পঞ্চবটী ফতুল্লা, নারায়ণগঞ্জ
ফোন নম্বরঃ ০১৯২১৩৮৮৭৯১, ০১৯৭৬৫৪১৩১৮
ইমেইলঃ jagonarayanganj24@gmail.com

Website Design & Developed By
MD Fahim Haque
<Power Coder/>
www.mdfahim.com
Web Solution – Since 2009

error: Content is protected !!