ষ্টাফ রিপোর্টার:
ফতুল্লায় মাদক সেবনে বাধা দেয়ায় বাসার ভেতরে প্রবেশ করে অতর্কিত হামলা চালিয়ে রনি নামে এক যুবককে রক্তাক্ত জখম ও তার ছেলেকে গুরুতর অঅহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে মকুলগংদের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে মৃত.রিপা মিয়ার ছেলে গুরুতর রক্তাক্ত জখম রনি ফতুল্লা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ অনিকসহ ২ জনকে আটক করেছে।
গুরুতর রক্তাক্ত জখম হওয়া রিপা মিয়ার ছেলে মো.রনি ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন যে,
১,৩ নং বিবাদীদ্বয় আমার ভাই এবং ২নং বিবাদীনি আমার মাতা। ১.৩ নং বিবাদীদ্বয় প্রায় সময় বাসার মধ্যে মাদক দ্রব্য সেবন করে। আমি ভাইদেরকে এইসব কাজে বাধা প্রদান করিলে বা নিয়ের করিলে বিবাদীদ্বয় আমাকে অকথ্য ভাষায় পালিগালাজ করিত আমাকে হুমকি ধামকি প্রদান করিত। এর জেরে প্রায়ই আমাকেও আমার পরিবারের লোকজনকে হুমকি ধামকি প্রদান করিত। এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য শুক্রবার দুপুর প্রায় পৌনে ৩টায় বিবাদীগন। পূর্বের শত্রুতার জের ধরে মকুল,ইয়াসমিন আরা বেগম ও মুন্নাসহ অজ্ঞাতনামা প্রায় ১০/১১ জন বিবাদীগণ বাসায় প্রবেশ করিয়া আমার উপরে অতর্কিত হামলা করে। বিবাদীগন আমাকে, আমার ছেলে মোঃ জানে আলম (১৮) এবং মোঃ নূর আলম (১৯) কে এলোপাথারী কিল, ঘুষি, খাজন, লাথি মারিয়া আমাদের শরীরের বিভিন্নস্থনে নীলাফুলা জখমসহ রক্তাক্ত জখম করে। বিবাদীগনের হাতে দেশীয় অস্ত্র চাপাতি, চুরি ও হকিষ্টিক সহ আরো দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র¿ ছিল। বিবাদীগন বাসার আসবাবপত্রাদী ভাঙ্গচুর করে। একপর্যায়ে উক্ত ১নং বিবাদী আমকে হত্যার উদ্দেশ্যে চাপাতি দিয়ে গলায় আঘাত করার চেষ্টা করিলে তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে আমার ডান হাতে আঙ্গুলে লাগিয়া গুরুতর রক্তাক্ত কাটা জখম হয়। পরবর্তীতে আমার ছেলে মোঃ জানে আলম (১৮) বিবাদীকে বাধ্য প্রদান করিলে উক্ত ৩নং বিবাদীর হাতে থাকা সুইচ পিয়ার দিয়ে আমার ছেলের পেটে আঘাত করার করিতে গেলে তা লক্ষভষ্ট হইয়া আমার ছেলের বাম হাতে লেগে গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়। এই সুযোগে অন্যান্য বিবাদীগন বাসা হইতে আলমারী থেকে ৩ ভরি ওজনের স্বর্নজলংকার ও একটি পে অর্ডার ৫,০০,০০০/- টাকার নিয়ে যায়। আমাদের ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন আগাইয়া আসিলে বিবাদীগন আমাদেরকে আবে মারিয়া আমাদের লাশ গুম করিয়া ফেলবে মর্মে হুমকি ধামকি প্রদান করে এবং তাহারা আরো অজ্ঞাতনামা বিষাদীগনকে ফোন করিয়া আমাদের উক্ত ঠিকানায় নিয়ে আসে। আশেপাশের লোকজন আমার ও আমার ছেলের গুরুতর অবস্থা দেখিতে পাইলে তাহারা আমাদেরকে খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা গ্রহন করায়। আমরা চিকিৎসা শেষে মিশুক যোগে বাড়িতে আসার চেষ্টা করিলে বিবাদী ১ ও ৩ নং সহ অন্যান্য আসামীরা আমাাদেরকে পঞ্চবটি লোহার মার্কেট সংলগ্ন দেখিতে পাইলে আমাদের পথবোধ করিয়া তাহারা আমাদেরকে মারধর করিয়া আমাদের শরীরের বিভিন্নস্থানে নীলাফুলা জখম সহ গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। একপর্যায়ে বিবাদীগন আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে আমাকে ও আমার ছেলেকে হত্যার হুমকি প্রদান করে।
এ ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক মো.আফতাব বলেন, অভিযোগে এ ঘটনায় ২ জনকে আটক করে থানায় নেয়া হয়েছে। অন্য একটি কাজে আমি ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে গিয়েছি। থানায় গিয়ে বিস্তারিত জানাতে পারবো।
এদিকে হামলাকারীদের মধ্যে দুইজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসার পর একজন ইউনিয়ন যুবদলের নেতার লোকজনকে ব্যাপক তদ্বির করতে থানার ভেতরে অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে এদের মধ্যে একজন যুবক এসআইকে বলেন,আগে আমাদের কাজটি শেষ করুন পরে অন্য সব কাজ করবেন।




