স্টাফ রিপোর্টার: নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফুটবল মাকসুদের পক্ষে একটি ফেসবুক পোস্ট করেছেন কলাগাছিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহাদুল্লাহ মুকুল। পোস্টটি দেওয়ার পর নানা মহলে আলোচনা শুরু হলে প্রায় ১৪ ঘন্টা তা ডিলিট করে দেন তিনি। যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়।
২১ জানুয়ারী রবিবার শনিবার কলাগাছিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহাদুল্লাহ মুকুল তার নিজের ফেসবুক আইডি থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফুটবল প্রতীকে মাকসুদ হোসেনের পক্ষে পোস্ট করেন।
ফেসবুক করা এক পোস্টে নারায়ণগঞ্জ প্রেস নামে একটি অনলাইন পোটালের সংবাদটি স্কিনশর্ট দিয়ে তিনি পোস্টে উল্লেখ করেন ‘আসন্ন ত্রায়েদশ জাতীয় নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৫ (সদর-বন্দর) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ্ব মাকসুদ হোসেন ফুটবল প্রতীক পেয়েছেন’।
এর আগে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি থেকে প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছিলেন বিএনপি নেতা মডেল মাসুদ। ওই সময়েও জোরালো ভাবে তার পক্ষে প্রচারণা চালাতে গিয়ে মডেল মাসুদকে মন্ত্রী বানিয়ে ফেলেছে কলাগাছিয়া ইউিিনয়ন বিএনপির সভাপতি শাহাদুল্লাহ মুকুল। পরবর্তীতে দলীয়ভাবে আবুল কালামকে চুড়ান্ত মনোনয়ন দেয়ার পরও ধানের শীষের প্রার্থী এডভোকেট আবুল কালামের পক্ষেও কলাগাছিয়া ইউনিয়নে প্রস্তুতিমুলক সভা, দোয়া অনুষ্ঠানে করে যাচ্ছে। সেখানেও কালাম সাহেবকে মন্ত্রী বানিয়ে ফেলে। অথচ স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদের পক্ষে পোস্ট করেন। প্রশ্ন হচ্ছে কলাগাছিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহাদুল্লাহ মুকুল বিভিন্ন জনকে মন্ত্রী বানালেও ফ্যাসিস্ট দোসর মাকসুদের পক্ষে পোস্ট করে দলীয় ভাবে আচরণবিধি লঙ্গণ হচ্ছে নাকি?।
নেতাকর্মীরা পোস্টটি নিয়ে সমালোচনা করে জানান, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট আবুল কালামের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীকে প্রকাশ্যে নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে গেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদের পক্ষে কাজ করছেন শাহাদুল্লাহ মুকুল। তিনি বিভিন্ন সময়ে জাতীয় পার্টির নেতা নুরনবী ওসমানীর সঙ্গেও যোগাযােগ রাখছেন। ২১ জানুয়ারী প্রতীক বরাদ্দের পর পরই ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে পোস্ট না করে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদের পক্ষে তিনি পোস্ট করেন।
তারা আরো জানান,বিগত সময়ে ফ্যাস্টিস সরকার আমলে কলাগাছিয়া ইউনিয়ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজিম উদ্দিনের পক্ষেও কাজ করার অভিযোগ রয়েছিল।
এ বিষয়ে কথা বলতে কলাগাছিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহাদুল্লাহ মুকুল সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ফোন নম্বরটি ব্যস্ত পাওয়া গেছে।




