ষ্টাফ রিপোর্টার:
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলিরটেক ইউনিয়নের জাতীয় পার্টির নেতা ফিরোজ মিয়াকে সদর থানা পুলিশ বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা হত্যা মামলার আটক করলে পুলিশকে ঘেরাও করে পুলিশের কাছ থেকে ফিরোজ মিয়াকে ছিনিয়ে রেখেছে আলীরটেক ইউনিয়ন বিএনপির শীর্ষ নেতারা।
ঘটনাটি ঘটেছে গত শনিবার (৩১ জানুয়ারী) রাত সাড়ে ১০ টায় ডিক্রীচর খেয়াঘাট এলাকায়।
এই ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
আসামিকে ছিনিয়ে রাখার ঘটনায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নীরব ভূমিকার কারণে এরকম ঘটনা আরো ঘটবে বলে আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন সচেতন এলাকাবাসী।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, জাতীয় পার্টির নেতা পুরান গোপচর এলাকার বাসিন্দা ফিরোজ মিয়াকে শনিবার রাত দশটায় এলাকা থেকে আটক করে সদর মডেল থানা পুলিশ।
পুলিশ আসামী ফিরোজ মিয়াকে ডিক্রীচর খেয়াঘাট দিয়ে নদী পারাপার হতে যাবার সময় আলীরটেক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রহমান, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহবুব হোসেন জুলহাস,সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসেন ওরফে মুন্সীগইঞ্জা আনোয়ার সহ তাদের সহযোগীরা পুলিশের কাছ থেকে পুলিশকে ঘেরাও করে ফিরোজ মিয়াকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
এ ঘটনা ঘটলেও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কোন আইন ব্যবস্থা না নেওয়ায় সচেতন এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করে।
উক্ত বিএনপি নেতারা এলাকায় আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টির দোসরদের বিভিন্নভাবে শেল্টার দিয়ে আসছে এবং এর বিনিময়ে তারা নানান সুবিধা নিয়ে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ব্যাপারে আলীরটেক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রহমান মুঠোফোনে জাগো নারায়ণগঞ্জ ২৪.কমকে তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে (০১৭১২০৪৯৪@@) বলেন, আসলে ফিরোজ কখন আওয়ামীলীগের রাজনীতি করেনি। একটি ভুয়া ফেষ্টুন বানিয়ে ফিরোজকে বিতর্কিত করেছে। মুলত ফিরোজ একজন মেম্বার মানুষ। ওকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে রাখার অভিযোগটি ভুয়া এবং মিথ্যা।
সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসেনের ব্যবহৃত মুঠোফোনে (০১৭৩০১৯০৮@@) জানতে চাইলে তিনি বলেন,ভাই একটু ব্যস্ত আছি ৫ মিনিট পরে ফোন দিচ্ছি। পরবর্তীতে তাকে পুনরায় ফোন দেয়া হলে তিনি তা রিসিভ করেননি।




