সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি : সিদ্ধিরগঞ্জে নিজের আপন ভাই মোস্তাককে কোপানোর ঘটনায় থানায় মাদকের ডন বাবলা ও নাহিদ গ্রুপের বিরুদ্ধে মামলা করায় কনস্ট্রাকশন ব্যবসায়ী রমজানকে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মাদক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত দেখানোর অপচেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গত কয়েকদিন ধরে হঠাৎ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কয়েকটি ভুয়া অ্যাকাউন্ট ও কিছু পত্র পত্রিকা থেকে রমজানকে “মাদক কারবারের অন্যতম নেতা” হিসেবে আখ্যায়িত করে ভুয়া তথ্য ছড়ানো শুরু হয়। নিউজে সংযুক্ত করা হয় বিকৃত ছবি ও মনগড়া বর্ণনা। তাঁকে জুলাই আন্দোলনের মামলার আসামি বানানোর চেষ্টা করা হয়েছে। অথচ সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ জানিয়েছে রমজানের বিরুদ্ধে এ ধরনের কোনো মামলা থানায় রেকর্ডভুক্ত নেই।প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, কনস্ট্রাকশন ব্যবসায়ী রমজানের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারে রচিত সবকটি পোস্ট একই উৎস থেকে তৈরি করা হয়েছে এবং রাজনৈতিক মিছিলে অন্য জনের ছবিগুলো কেটে রমজান পরিচয়ে বিকৃত করা হয়েছে। “এটি একটি সংগঠিত অপপ্রচার। কাউকে অপরাধী বানানোর উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এগুলো ছড়ানো হয়েছে।” এ বিষয়ে রমজান বলেন, আমি একজন সাধারণ কনস্ট্রাকশন মিস্ত্রি। দিন আনি দিন খাই। আমার বিরুদ্ধে থানায় কোনো মাদকের মামলা নেই। আমি গত ০৪ বছর ধরে এলাকার বাইরে থাকি। জীবনে কোনোদিন সিগারেট পর্যন্ত মুখে দেইনি। আমার ভাই মাদক ব্যবসায় রাজি হয়নি বলে তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যে কোপানো হয়েছে। এ ঘটনায় মাদকের ডন খ্যাত বাবলা ও নাহিদ বাহিনীর বিরুদ্ধে আমি থানায় মামলা দায়ের করি। এরপর থেকেই আমাকে মাদক ব্যবসায়ী বানানোর জন্য ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে বাবলা-নাহিদ বাহিনীর অর্থায়নে। বাবলাকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ বৈষম্য মামলায় গ্রেফতার করেছে। বর্তমানে সে জেল হাজতে রয়েছে। বাবলার ভাই মিঠুন সাংবাদিক ভাইদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। প্রতিদিন আমার বিরুদ্ধে মানহানিকর মিথ্যা ভিডিও বানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমাকে হত্যার হুমকি দেয়া হচ্ছে। আমি সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসির কাছে এর সুষ্ঠু প্রতিকার চাচ্ছি। এদিকে রমজানের বিষয়ে কথা হলে আদমজী বিহারী ক্যাম্পের বাসিন্দারা বলেন, রমজান কনস্ট্রাকশনের কাজ করে খায়। সে অত্যন্ত ভালো ছেলে। তার বিরুদ্ধে মাদকের অভিযোগ মিথ্যা অপপ্রচার ছাড়া কিছুই নয়। ওর ভাইকে মাদকব্যবসায়ীরা কুপিয়ে পঙ্গু বানিয়ে দিয়েছে। এখন ওর পেছনে লেগেছে।’




