ষ্টাফ রিপোর্টার:
বিএনপি নেতা হওয়া সত্ত্বেও স্বৈরাচারী হাসিনার আমলে জনগনের ভোটের মাধ্যমে ইউপি মেম্বার নির্বাচিত হন। সেই সময়ে একমাত্র বিএনপির ইউপি সদস্য আবদুর রশিদকে আওয়ামীলীগের চেয়ারম্যান-মেম্বারদের সাথে থেকেই সাধারন মানুষকে সেবা দিয়েছেন তিনি। তবুও আওয়ামী দোসরদের রোষানলে পড়ে একাধিক বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলার আসামী হয়েছেন এবং জেল খেটেছেন ও বতর্মানেও ইয়াসিন হত্যা মামলায় জেলে রয়েছেন বক্তাবলী ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুর রশিদ। অথচ আওয়ামীলীগের দোসর হয়েও স্থানীয় বিএনপি নেতাদের আর্শীবাদে এনায়েতনগর ইউপির ১নং ওয়ার্ড মেম্বার ও প্যানেল চেয়ারম্যান ইউপি সদস্য মো.সালাউদ্দিন। বৈষম্যবিরোধী একাধিক মামলার আসামী হয়েও যিনি রয়েছেন প্রকাশ্যে এবং অধরা।
স্থানীয়দের সুত্রে জানা যায়, সাবেক সাংসদ শামীম ওসমানের বড়ভাই খ্যাত কাশিপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাইফউল্লাহ বাদলের ভগ্নিপতিমো.সালাউদ্দিন আহমেদ। মেম্বার হওয়ার যোগ্যতা না থাকলেও শুধুমাত্র সাইফউল্লাহ বাদলের ভগ্নিপতি হওয়ার সুবাদে তার আর্শীবাদে বনে যান ইউপির ১নং ওয়ার্ড মেম্বার ও প্যানেল চেয়ারম্যান। যার ফলে এখন কোটি কোটি টাকার মালিক। বাদল চেয়ারম্যানের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে সবাইকে পাশ কাটিয়ে তিনি ইউপিতে একচ্ছত্র আধিপাত্য বিস্তার করেন। তার বাড়ির সামনে থাকা সরকারী খাল বালু দিয়ে ভরাট করে চলাচলের রাস্তার নির্মান করেন। যার ফলে ফাজিলপুরসহ আশপাশ এলাকার ড্রেনের পানিগুলো নিস্কাসনের ব্যবস্থা পুরোটাই ভেঙ্গে পড়ে। কয়েকমাস পুর্বে বৈষম্যবিরোধী মামলার আসামী হওয়ায় র্যাবের হাতে গ্রেফতার হয়ে জেলহাজতে গিয়েছিলো ইফপির চেয়ারম্যান মো.আসাদুজ্জামান। তার অনুপস্থিতিতে সালাউদ্দিন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দ্বায়িত্বও পালন করেছিলেন। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মামলায় আসামী হয়ে আসাদুজ্জামান গ্রেফতার হয়ে জেল খাটলেও স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী বিএনপি নেতাদের সাথে আতাতের সুবাদে তিনি এখনও বহাল তবিয়তে রয়েছেন অথচ তিনিও কিন্তু মামলার আসামী।
তারা আরও বলেন,৫ আগষ্টের পর তার সমন্ধি সাইফউল্লাহ বাদল তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পালিয়ে গেলেও পালাতে হয়নি এনায়েতনগরের এ আওয়ামী ডেভিলকে।
মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে সবাইকে ম্যানেজ করে আওয়ামীলীগের এ ডেভিল সালাউদ্দিন মেম্বার এখনও দিব্ব্যি প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন আর দেশকে অশান্ত করতে গোপনে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় দলীয় কর্মীদের নিয়ে মিটিং করছেন এমন অভিযোগ করেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক সাধারন মানুষ।
স্থানীয়রা তারা বলেন,যদি শুধুমাত্র আওয়ামীলীগের নেতাদের সাথে ছবি থাকার কারনে বক্তাবলী ইউপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুর রশিদকে বৈষম্যবিরোধী মামলার আসামী হয়ে জেল খাটতে হয়েছে তাহলে এনায়েতনগর ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা সালাউদ্দিন আহমেদ কিভাবে প্রকাশে এলাকাতে চলাচল করছেন তা আমাদের কারোর বোধগম্য হচ্ছেনা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক সাধারন মানুষ বলেন, এয়েতনগরের অর্থলোভী বিএনপি নেতাদের শেল্টারে এবং পুলিশ প্রশাসনকে টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করেই নাকি সালাউদ্দিনের মত আওয়ামী ডেভিল এষনও পর্যন্ত এলাকাতে রয়েছেন এমনটা গুঞ্জন রয়েছে এলাকাতে। তাহলে কি “ ঢাল মে কুচ কালা হে”।
আমরা চাই অতিদ্রুত ফতুল্লা থানা আওয়ামীলেিগর সভাপতি এম.সাইফউল্লাহ বাদলের ভগ্নিপতি এনায়েতনগর ইউপির ১নং ওয়ার্ড মেম্বার ও আওয়ামী ডেভিল মো.সালাউদ্দিন আহমেদ মেম্বারকে যৌথবাহিনীর অভিযানের মাধ্যমে গ্রেফতার করা হোক।




