ষ্টাফ রিপোর্টার:
ফতুল্লা থানাধীন পশ্চিম মাসদাইর ঘোষেরবাগ এলাকায় ওয়ারেন্টের আসামী ধরতে গিয়ে এলাকার চিহিৃত মাদক সম্রাট জাহিদের নেতৃত্বে তার বাহিনীর সদস্য ফতুল্লা মডেল থানার উপপরিদর্শক মো.সামসুল হককে কুপিয়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত এসআই সামসুল হক বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে। বুধবার ২৩ জুলাই রাত প্রায় ১০টায় ঘোষেরবাগ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এরপর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক সার্কেল হাসিনুজ্জামানের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স উক্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে একজন নারীসহ ৪ জনকে আটক কনে থানায় নিয়ে আসেন। এ সময় তাদেও কাছ থেকে ২৬ পুরিয়া হেরোইন,২০ পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রির প্রায় ৩ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়দের দেয়া তথ্যমতে জানা যায়, বুধবার রাতে এসআই সামসুল হক একজন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামীকে গ্রেফতারের জন্য মাসদাইর ঘোষেরবাগ এলাকায় গেলে এলাকার চিহিৃত মাদক সম্রাট জাহিদের নেতৃত্বে তার বাহিনীর সদস্যরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসআইয়ের উপর হামলা চালায়। এ জাহিদ এর কাছে থাকা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এসআই সামসুলকে কোপ দিলে সেটা তার ডান হাতের কনুইয়ের নিচে পড়ে এবং রক্তাক্ত জখম হয়। এ সময় তাকে দ্রুত নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চিকিৎসকরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাপসপাতালে রেফার্ড করেন।
এ ঘটনার পর রাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ক সার্কেলের নেতৃত্বে ফতুল্লা থানা পুলিশ উক্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে জাহিদসহ তার অন্যতম সহযোগী হৃদয়ের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ জাহিদ ও হৃদয় কৌশলে পালিয়ে গেলেও হৃদয়ের বাসা থেকে ২৬ পুরিয়া হেরোইন,২০ পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রির প্রায় ৩ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয় এবং হৃদয়ে মা’কে সহ ৬জনকে আটক করে পুলিশ থানায় নিয়ে আসে।
এদিকে মামলা থেকে হৃদয়ের মা’কে রক্ষা করতে থানার অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা বিশেষ পেশা পরিচয়দানকারী কয়েকজন দালাল পুলিশকে ম্যানেজ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। এ সময় হৃদয়ের মা’কে অসুস্থ্য বলে অপপ্রচার চালাচ্ছে উক্ত দালালরা।
পুলিশের উপর হামলা ও কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা যায়।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ মো.শরিফুল ইসলাম বলেন, মামলার এজাহার তৈরী হচ্ছে। কি কি উদ্ধার হয়েছে এবং কয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে তা দেখে বিস্তারিত বলা যাবে।




