জাগো নারায়ণগঞ্জ
কখনো আওয়ামী লীগ আবার কখনো বিএনপির।যখন যে দল ক্ষমতায় আসে সে দলের কর্মী বা নেতা বনে যান হাজী মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
উনি বিএনপির সাবেক নেতা আওয়ামী লীগের দোসর মনিরুল আলম সেন্টুর ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন।
এখন ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটুর সহযোগী হিসেবে সব সময় তার পাশে থেকে সুবিধা আদায়ের ব্যস্ত ছিলেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, হাজ্বী শহীদুল্লাহ্ গত ১৭ বছর আওয়ামী লীগের শাসনামলে সেন্টুর সহযোগী হিসেবে গডফাদার পলাতক শামীম ওসমানের সেকেন্ড ইন কমান্ড হত্যা সহ নানান অপকর্মের হোতা শাহ নিজামের সহযোগী হিসেবে হাজ্বী শহীদুল্লাহ্ বিএনপি গোপন খবর ফাঁস করে দিতেন শামীম ওসমান বলয়ে।
একপর্যায়ে ফতুল্লা থানা বিএনপির সহ সভাপতির পদও কব্জায় নিয়ে গেছেন।গত কোরবানির ঈদে ২ টি গরুর হাটের ইজারাদার নিয়ে শহিদুল ইসলাম টিটুকে ম্যানেজ করে সকল অর্থ হাতিয়ে নেন হাজ্বী শহীদুল্লাহ্।
প্রচার করতে থাকেন গরুর হাটে লস হয়েছে।অথচ হাতে গোনা কয়েকজনকে কিছু টাকা দিয়ে শান্ত করেন।
জানা যায়,ফতুল্লা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মনিরুল আলম সেন্টুর কর্মী হিসেবে রাজনীতির খাতায় নাম লেখান শহীদুল্লাহ্। চেয়ারম্যান পদ রক্ষার্থে সেন্টু আওয়ামী লীগে যোগদান করলেও হাজ্বী শহীদুল্লাহ্ সেন্টুর সাথে থেকে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে লোক সরবরাহ করতেন।এমনকি শাহ নিজাম সহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সাথে সম্পর্ক রেখে বিএনপি কর্মসূচীর আগাম তথ্য ফাঁস করে দিতেন।
বর্তমানে হাজ্বী শহীদুল্লাহ্ ফতুল্লা থানা বিএনপির সহ সভাপতি হলেও শাহ নিজামের সাথে আতাত করে চলছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ব্যাপারে মুঠোফোনে হাজ্বী শহীদুল্লাহ্ জাগো নারায়ণগঞ্জ ২৪.কমকে বলেন,গরুর হাট করতে গিয়ে আমার ৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা লস হয়েছে।হাট আমি চালাইনি মিথুনরা চালায়ছে।তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন,আপনার অনলাইনের বা কারো পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে দাওয়াত করলে কিছু দিতে হয়না ভাই।মুন্নার পত্রিকার অনুষ্ঠানে বিভিন্ন নেতারা এসেছিল আমিও সেখানে অতিথি হিসেবে ছিলাম।সেই ছবি তুলে তারা পোষ্টারও করেছে।আমি সামাজিক লোক সামাজিক অনুষ্ঠানে যাই।যারা এসব করছে আল্লাহ তাদের বিচার করবে।রোকন মেম্বার আমার বন্ধু ও ব্যবসায়ী পাটনার ছিলো সেগুলো নিয়েও পোষ্টার করেছে।আমি দল বেঁচে খাইনা।দল থেকে বাদ দিলে ভালো হতো।টোকাই গুলো বিরোধীতা করছে।আমি প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী।আমার মেয়ে ও মেয়ের জামাই ডাক্তার,ছেলে আমেরিকায় থাকে।আমি বিএনপির একটি অফিস করেছি।এটাই কাল হয়ে দাড়িয়েছে।যা বলতাছে তা মিথ্যা ও বানোয়াট।




