ষ্টাফ রিপোর্টার:
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী ইউনিয়নের পূর্ব গোপালনগরে সন্ত্রাসী আবু সাঈদ বাহিনীর হামলায় রক্তাক্ত জখম হয়েছে ব্যবসায়ী মোঃ বছির।
এ ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলেও এসআই শহিদুল ইসলাম মামলা নিতে গড়িমসি করায় মোঃ জাফর আলী পুত্র মোঃ বছির বাদী হয়ে জেলা পুলিশ সুপারের নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
তাতে তিনি উল্লেখ করেন বিবাদী ১। আল আমিন ২। মিলন উভয় পিতা-মৃত ফরহাদ, সাং- পূর্ব গোপালনগর, ৩। আব্দুর রহমান পিতা-ইজু কশাই, সাং-মোক্তারকান্দি, রোমানা (২৫), স্বামী-আল আমিন, ওহিরন (২৫) পিতা-মোশারফ, ৬। মোঃ শামীম (৪৫), পিতা-অজ্ঞাত, সর্ব সাং- পূর্ব গোপালনগর, বক্তাবলী, ৭। আবু সাইদ, পিতা- মৃত ওমর আলী সহ অজ্ঞাত নামা ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে এই মর্মে অভিযোগ দায়ের করিতেছি যে, আমি আমার বর্নিত ঠিকানায় থাকিয়া ফতুল্লা থানাধীণ বক্তাবলী ঘাটে ইট, বালু সিপ্টিনের ব্যবসা করিয়া আসিতেছি। উল্লেখিত ১.২ ও ৪নং বিবাদীদের সহিত আমার পারিবারিক বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়া পূর্ব শত্রুতা ও বিরোধ চলিয়া আসিতেছিল। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বিভিন্ন সময় আমাকে সহ আমার পরিবারের লোকজনদের বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও জীবন নাশের হুমকি দিয়া আসিতেছিল। তারই ধারাবাহিকতায় উঃ-১০/০৯/২০২৫ তারিখ বিকাল অনুমান-০৫.০০ ঘটিকার সময় আমি ও আমার ছেলে রাকিব (১৭) বক্তাবলী ঘাটে আমার ইট, বালু ও সিপ্টিনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অবস্থানকালে উল্লেখিত বিবাদীগণ সহ অজ্ঞাত নামা ৩/৪ জন প্রত্যেকে হাতে ধারালো চাপাতি, ছোরা, চাকু, লোহার রড, কাঠের ডাসা ইত্যাদি দেশীয় অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হইয়া বে-আইনী জনতাবদ্ধে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে আসিয়া আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। তখন আমি বিবাদীদেরকে গালিগালাজ করিতে বাধা নিষেধ করিলে ১নং বিবাদী আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ভিতরে প্রবেশ করিয়া আমার জামার কলার ধরিয়া টানা হেচড়া করিয়া বাহিরে নিয়া আসে এবং ১নং বিবাদীর হুকুমে অন্যান্য বিবাদীগণ আমাকে এলোপাতাড়ী কিল ঘুষি ও লাথি মারিয়া আমার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফোলা ও রক্ত জমাট জখম করে। এক পর্যায়ে ২, ৩ ৫নং বিবাদীরা আমাকে ঝাপটাইয়া ধরে এবং ১নং বিবাদীর হাতে থাকা ধারালো চাপাতি দ্বারা হত্যার উদ্দেশ্যে আমার মাথায় কোপ মারিয়া মাথার সামনে গুরুতর রক্তাক্ত কাটা জখম করে।
আমি চিৎকার দিয়া মাটিতে পড়িয়া গেলে ৪, ৬ ও ৭নং বিবাদীদের হাতে থাকা লোহার রড ও কাঠের ডাসা দ্বারা আমার হাতে, পায়ে, পিঠে, বুকে সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা ও রক্ত জমাট জখম করে।
আমার ডাক চিৎকারে আমার ছেলে রাকিব (১৭) সহ আমার প্রতিবেশী নুর ইসলাম (৪৫) এবং তাহার স্ত্রী সুমি বেগম আমাকে রক্ষা করিতে আগাইয়া আসিলে বিবাদীরা তাহাদেরকে এলোপাতাড়ী ভাবে মারধর করিয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফোলা জখম করে। এক পর্যায়ে ৩নং বিবাদী আমার প্রতিবেশী সুমি বেগম (৪০) এর পরিহিত জামা কাপড় টানা হেচড়া করিয়া ছিড়িয়া ফেলিয়া শ্লীতাহানিহানী ঘটায়।
২নং বিবাদী আমার লুঙ্গির কোচরে থাকা ব্যবসায়ীক নগদ-৭৫,০০০/- টাকা, ৩নং বিবাদী আমার প্রতিবেশী সুমি বেগম এর গলায় থাকা আট আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন, মূল্য অনুমান-৭৫,০০০/-টাকা চুরি করিয়া নেয়। আমাদের ডাক চিৎকারে আশপাশের লোকজন আগাইয়া আসিতে থাকিলে বিবাদীরা আমাকে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও জীবন নাশের হুমকি দিয়া ঘটনাস্থল ত্যাগ করিয়া চলিয়া যায়।
উল্লেখিত বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করিতে পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন বছির।




