নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জে ওসমান পরিবারের একাধিক ঘনিষ্ট নেতাকর্মী ডেভিল হান্ট অভিযানে গ্রেপ্তার হলেও রহস্যজনক কারণে গ্রেপ্তার হচ্ছেনা বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সদস্য মফিজুল ইসলাম বাদল। ডেভিল হান্ট অভিযানে প্রতিনিয়তই আওয়ামীলীগ নেতাকর্মী থেকে শুরু হয়ে জাতীয় পার্টির নেতারাও গ্রেপ্তার হচ্ছে অথচ ওসমান পরিবারের একনিষ্ট কর্মী হাজী মফিজুল ইসলাম বাদল প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও ধরছেনা বন্দর থানা পুলিশ।
অভিযোগ রয়েছে ডেভিল হান্ট অভিযানে বন্দর থানার সাবেক সেকেন্ড অফিসার আব্দুল জলিলের নেতৃত্বে উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের ছোনখোলা এলাকার আওয়ামীলীগ নেতা হাজী মফিজুল ইসলাম বাদলের বাসায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে। পরে বন্দর থানায় এনে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ওই আওয়ামীলীগ নেতা হাজী মফিজুল ইসলাম বাদলকে ছেড়ে দেয়া হয়। এই ঘটনায় বন্দর থানা পুলিশের ভাবমৃর্তিক্ষুন্ন হচ্ছে বলে জানান স্থানীয় এলাকাবাসী।
তবে এতকিছুর পরও পুলিশের আস্থা ও ভাবমূর্তি ফেরানো বড় চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করছেন বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী। যদিও সাবেক সেকেন্ড অফিসার আব্দুল জলিলের কারণে অনেকটাই প্রশ্নবৃদ্ধ হয়েছিলেন বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী। তিনি অপরাধীদের গ্রেপ্তারের প্রতিনিয়তই অভিযান চালাচ্ছেন এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র হত্যা মামলার আসামিসহ আওয়ামীলীগের সহযোগি অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করছে।
এদিকে আওয়ামীলীগ নেতা ওসমান পরিবারের একনিষ্ট কর্মী হয়ে হাজী মফিজুল ইসলাম বাদল রাজনৈতিক প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় একক রাজত্ব কায়েম করেছেন। ৫ আগস্টে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকার পালিয়ে গেলেও প্রকাশ্যে রয়েছে ওই আওয়ামীলীগ নেতা। তিনি ক্ষমতার দাপটে ছোনখোলা এলাকার এক নিরীহ ব্যাক্তির বাড়িঘর ভাঙচুর সহ এলাকা ছাড়াও করেছেন বলে জানান এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের দাবি, বিশেষ করে কলাগাছিয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ নেতা মফিজুল ইসলাম বাদল সহ ৬নং ওয়ার্ড মেম্বার কামরুল হাসান জজ মিয়াকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।




