নিজস্ব সংবাদদাতা // আসন্ন এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে জেলার ৫ টি আসনের মধ্যে সর্ব্বোচ আলোচনায় (সদর–বন্দর) আসনটি। এ যাবতকাল যতগুলো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে তার মধ্যে নারায়ণগঞ্জ –৫ আসনের দিকে কেন্দ্রীয় নেতাসহ নীতিনির্ধারকরাও তাকিয়ে থাকে।
নিজ নিজ দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করতে আটঘাট বেঁধে মাঠে চষে বেড়ায়। তবে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী এক মাকসুদ হোসেন বিশাল এক ফ্যাক্টর হয়ে পড়েছে। জনতার ভালোবাসা, আস্থার প্রতীক আনারস নিয়ে আলহাজ্ব মাকসুদ হোসেন নির্বাচনী মাঠ সর্বত্র চষে বেড়াচ্ছেন।৷ অপরদিকে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মাসুদুজ্জামান মাসুদ ওরফে মডেল মাসুদ প্রচারণা করলেও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। মডেল মাসুদকে গুরুত্বপূর্ণ আসনে কিভাবে দলীয় প্রতীক দিল হাই কমান্ড।
যার সাথে দলীয় নেতাকর্মীদের তেমন একটা পরিচয় নেই, তৃনমূল ও সাধারণ ভোটাররা কিভাবে চিনবে। নমিনেশন নিয়ে আবার দলীয় গ্রুপিংয়ের উত্তাপটা। দলীয় ভোট টিকিয়ে রাখতে হিমসিম খেতে হবে। অনেকাংশ ভোট চলে যেতে পারে সতত্ব প্রার্থীর থলিতে।
অপরদিকে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের, জাতীয় পার্টির ভোট যাবে সতত্ব প্রার্থীর পক্ষে। সাধারণ ভোটারাও দলীয় প্রতীকের প্রতি আর আস্থা রাখতে নারাজ। স্বাধীনতার পর থেকে দলীয় প্রতীকের নির্বাচিত সাংসদ আসনে থাকলেও উন্নয়নের নামে লোপাট হয়েছে বহুগুণ।
এয়োদশ নির্বাচনে সতত্ব প্রার্থীকে বিজয়ী করে একবার সেবা করার সুযোগ দিয়ে দেখি যে, তিনি জনস্বার্থে কতটুকু আত্নঃরিক। চায়ের দোকান, পরিবহন সেক্টর, বিভিন্ন এলাকার লোকজনের সাথে কথা বললে এ সকল তথ্য বেরিয়ে আসে। আনারস প্রতীক নিয়ে বিপাকে অলিখিত ভাবে ক্ষমতাসীন বিএনপির হাইব্রিড মডেল মাসুদ।




