পুলিশে অধরা!
ষ্টাফ রিপোর্টার:
নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার অনন্ত মুছা গ্রামের বহুরুপী আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টির সাবেক নেতা আবু জাহের মোল্লার বিরুদ্ধে সোনারগাঁও থানায় ২ টি মামলা চলমান থাকা সত্বেও পুলিশ খুঁজে পাচ্ছেনা।
অথচ জাহের মোল্লা ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী জাগো নারায়ণগঞ্জ ২৪.কমের সোনারগাঁও প্রতিনিধি রাসেল মিয়াকে ডেকে নিয়ে জাহেদ মোল্লার টর্চার সেলে নিয়ে গিয়ে বেদম মারধর করে নীলা-ফুলা জখম করে।
সাংবাদিক রাসেল মিয়ার উপর হামলার একমাস অতিবাহিত হতে চললেও সোনারগাঁও থানায় এখনো পর্যন্ত রহস্যজনক কারনে মামলা নেয়নি পুলিশ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী ও ভূক্তভোগী রাসেল মিয়া বলেন, আবু জাহের মোল্লা সুবিধা ভোগী ও ইয়াবা সেবনকারী। যখন যে দল ক্ষমতায় আসে সে দলের আশ্রয়ে গিয়ে নানান অপকর্মে করে বেড়ায়।
গত আওয়ামী লীগের শাসনামলে কায়ছার হাসনাতের অনুসারী বনে যায়। পরে লিয়াকত হোসেন খোকা এমপি হলে তার পদতলে আশ্রয় নেয়। এখন বর্তমান বিএনপির এমপি আজহারুল ইসলাম মান্নানের দলে ভিড়তে অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
সোনারগাঁও থানায় দায়েরকৃত ২ টি মামলার একটিতে ১৪০ নম্বর আসামী। আরেকটি মামলায় ৩৬নং আসামী।
মামলা থাকা সত্বেও মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে পুলিশ প্রশাসন ও কতিপয় বিএনপি নেতাদের ম্যানেজ করে দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে বলে জানা গেছে।
শুধু তাই নয় বাইতুল্লাহ জামে মসজিদ ঈদগাহ ও কবরস্থানে যাতায়াতের জন্য জাহের মোল্লা,ফরিদ,সেলিম,সাইফুল,জাহের মোল্লার স্ত্রী দুই দফায় ৬০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়।
সাংবাদিক রাসেল মিয়া বলেন,জাহের মোল্লার সাথে আমার ব্যবসা সংক্রান্ত লেনদেন রয়েছে। আমাকে টাকা দেয়ার কথা বলে তার টর্চার সেল মোল্লা টাওয়ারে নিয়ে সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে হামলা চালায়। মারধর করে টাকা,মূল্যবান জিনিস পত্র ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এসআই মাসুম রানা মুর্মুর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
বহুরুপী ও ইয়াবা সেবনকারী এবং বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা হত্যা মামলার আসামি আবু জাহের মোল্লা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও আটক না করায় সোনারগাঁও জুড়ে পুলিশের বিরুদ্ধে চলছে সর্বত্র সমালোচনা।
সাংবাদিক রাসেল মিয়ার উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের ও গ্রেফতারের ব্যবস্থা গ্রহনে সোনারগাঁ থানার অফিসার ইনচার্জের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভূক্তভোগী মহল।



