ষ্টাফ রিপোর্টার:
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আদালত পাড়ায় মামলার হাজিরা দিতে গিয়ে প্রতিপক্ষের আঘাতে জামাল মোল্লা নামে একব্যক্তি নিহতের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার ১৪ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১১টায় আদালত পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত জামাল মোল্লার ছেলে উজ্জল মোল্লার বরাত দিয়ে জানা যায় যে, বিসিকের উত্তরে রাস্তার পাশে একটি জমি নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত যুবলীগ নেতা শামীমগংদের সাথে দ্বন্ধ চলছে। বিগত আওয়ামীলীগের শাসনামলে কাশিপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাইফউল্লাহ বাদলের প্রভাবে আমাদের সেই জমির উপর নির্মিত মার্কেট শামীমগংরা জোড়পুর্বক ভোগদখল করে। ৫ আগষ্টের পরবর্তী সময়ে আইনীভাবে আমরা সেই মার্কেটটি দখলে নিই। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে জান্নাত আরা আসমা আমাদের পরিবারের নামীয় ১১ জন এবং অজ্ঞাতনামা ১০/১২জনের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা চাদাঁবাজির মামলা করে। সেই মামলায় আজ আমরা সবাই আদালতে হাজির হলে মহামান্য আদালত আমার বাবা জামাল মোল্লাকে বেকসুর খালাস দেন এবং আমাদের সবাইকে জামিন দেয়া হয়। আদালত থেকে বেড়িয়ে আসলে আদালত প্রাঙ্গনেই যুবলীগ নেতা শামীমসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা আমার পিতার উপর হামলা চালায়। এ সময় আমার বাবা ষ্ট্রোক করেন এবং আদালত প্রাঙ্গনেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
স্থানীয়রা বলেন,যুবলীগ নেতা শামীম ও তার পরিবারের সদস্যরা বিগত আওয়ামীলীগের শাসনামলে বিসিক শাসনগাঁ এলাকায় জামাল মোল্লাদের ৭.৮ জমির উপর নির্মিত মার্কেটটি সাইফউল্লাহ বাদল চেয়ারম্যানের সহায়তায় জোড়পুর্বক দখলে নিয়ে যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন। ৫ আগষ্টের পর আদালতের মাধ্যমে তারা তাদের মার্কেটটি পুনরায় বুঝে নেন। এতে জামাল মোল্লা ও তার পরিবারের উপর ব্যাপক ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠে যুবলীগ নেতা শামীম ও তার পরিবারের সদস্যরা। এ নিয়ে বেশ কয়েকটি মিথ্যা মামলা করেছে জামাল মোল্লাদের বিরুদ্ধে। চলতি মাসের ১০ তারিখে যুবলীগ নেতা শামীমের ভাবিকে দিয়ে একটি মিথ্যা চাদাঁবাজির মামলা করানো হয় জামাল মোল্লাদেও বিরুদ্ধে। সেই মামলায় জামিন নিতে গিয়েই শামীম বাহিনীর হাতে প্রান দিতে হলো জামাল মোল্লাকে। আমরা এর সুষ্ঠ বিচার চাই।




