ছবি- ফটোফাইল
ষ্টাফ রিপোর্টার:
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের ১ নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার মাহমুদের বিরুদ্ধে চর বক্তাবলী এলাকার জয়নাল ও তার পরিবারকে ভয়ভীতি ও হুমকী প্রদানের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জয়নালের ছেলে মো.জাহাঙ্গীর আলম ফতুল্লা মডেল থানায় মো.হুমায়ুন কবীর ও মোহাম্মদ আলী @ মোহাম্মদ আলী মেম্বারের বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেছেন যার নং ১১৫০ ( ৩১/০৮/২৬ইং।
সাধারন ডায়েরীতে মো.জাহাঙ্গীর আলম উল্লেখ করেন যে, গত ২৯ আগষ্ট বিকাল ৫ টায় উল্লেখিত ২নং বিবাদী মোহাম্মদ আলী @ মোহাম্মদ আলী মেম্বারকে ফতুল্লা থানায় গ্রেফতার করে আনাকে কেন্দ্র করিয়া উল্লেখিত বিবাদীদ্বয় আমাকে দোষারপ করা সহ আমাকে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় ৩১ আগষ্ট সকাল ১০ টায় উল্লেখিত মো.হুমায়ুন কবীর ও মোহাম্মদ আলী @ মোহাম্মদ আলী মেম্বারসহ কয়েকজন সহযোগীকে সাথে নিয়া ফতুল্লা থানাধীন বক্তাবলী প্রতাপনগরহ আনন্দ বাজার এলাকায় গোপন মিটিং করিয়া আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদেরকে যেকোন উপায়ে প্রাণ নাশ অথবা মিথ্যা মামলা দিয় হয়রানি করার পরিকল্পনা শুরু করে। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হইয়া আমি বিবাদীদ্বয়ের ভুল ভাঙ্গানোর চেষ্টা করিতে গেলে বিবাদীহয় আমাকে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করতঃ সময় সুযোগমত আমার প্রাণ নাশ করিবে মর্মে হুমকি প্রদান করিয়া দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। উল্লেখিত বিবাদীদ্বয়ের দ্বারা যেকোন সময় যেকোন উপায়ে আমার ও আমার পরিবারের সদস্যদের প্রান নাশের আশংকা দেখা দেওয়ায় আমি থানায় সাধারন ডায়েরী করি।
এ দিকে ২৯ আগষ্ট ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশকে দিয়ে বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে মোহাম্মদ আলী @ মোহাম্মদ আলী মেম্বারকে গ্রেফতার করায় আকরাম নামে জনৈক ব্যক্তি। উক্ত আকরামের সাথে একটি জমি নিয়ে প্রায় ১৫ বছর যাবত মোহাম্মদ আলী @ মোহাম্মদ আলী মেম্বারের বনিবনা রয়েছে। আকরামের ঐ জমিটি বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের সময় ক্ষমতা প্রভাব খাটিয়ে নিজ দখলে নিয়ে যান মোহাম্মদ আলী @ মোহাম্মদ আলী মেম্বার। এ নিয়ে একাধিকবার মিটিং হলেও কোন সুরাহা পায়নি জমির মুল মালিক আকরাম। অথচ আকরামের পরিবর্তে এখন জয়নাল ও তার পরিবারকে ক্ষতিসাধন করতে উঠেপড়ে লেগেছে মোহাম্মদ আলী @ মোহাম্মদ আলী মেম্বার। জয়নালের পরিবারের বিরুদ্ধে মাববন্ধন করিয়েছে মোহাম্মদ আলী @ মোহাম্মদ আলী মেম্বার। তিনি নিজেই একজন ভুমিদস্যু অথচ নিজের খেতাব অন্যকে দেয়ার জন্যই নাকি এ মানববন্ধন করেছেন মোহাম্মদ আলী @ মোহাম্মদ আলী মেম্বার এমনটাই দাবী স্থানীয়দের।
এদিকে মাহমুদ মেম্বারকে গ্রেফতারের পর স্থানীয়রা জানিয়েছিলেন যে,বিগত আওয়ামীলীগের ১৭ বছরের শাসনামলে মাহমুদ মেম্বার কেরানীগঞ্জের কোন্ডা ইউনিয়ন আওয়ামীলগের সদস্য আবুল কাশেম মন্ডলের সাথে যুক্ত হয়ে আওয়ামীলীগের বিভিন্ন মিছিল- মিটিংয়ে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহন করেন। এছাড়াও তিনি নিজে ও তার ভাই-ভাজিতারা
বুড়িগঙ্গা ও ধলেশ্বরী নদী হতে গ্রাবের মাধ্যমে নদী হতে মাটি উত্তোলন করে নিজের ইটভাটা ও অন্য অনেক ইটভাটায় বিক্রি করতেন। যা বর্তমানে ৫ আগষ্ট পরবর্তী সময়েও বক্তাবলীর বিভিন্ন বিএনপি নেতাদের সাথে সখ্যতা গড়ে নদী হতে গ্রাবের মাধ্যমে এখনও মাটি তোলা অব্যাহত রেখেছে।
স্থানীয়দের দাবী, নদীর তীরবর্তী এলাকার উভয় পাশ থেকে অবৈধভাবে দীর্ঘদিন যাবত মাটি কেটে অন্যত্র বিক্রির অন্যতম মহানায়ক মাহমুদ মেম্বার। তিনি একজন পেশাদার নদী থেকে মাটি খেকো দস্যু। আমরা থানা পুলিশের কাছে অনুরোধ করবো মাহমুদ মেম্বারের মত পেশাদার নদী থেকে মাটি খেকো দস্যুর বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হোক।




